
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন বিমানবাহিনীর অত্যাধুনিক এফ-১৫ই ফাইটার জেটটি কাঁধ থেকে ছোড়া তাপ-অনুসন্ধানী (হিট-সিকিং) মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, এটি ছিল হাতে বহনযোগ্য একটি শোল্ডার মিসাইল।
প্রেসিডেন্টের ভাষ্যমতে, অনেকটা ভাগ্যের জোরেই মিসাইলটি সরাসরি বিমানের ইঞ্জিনের ভেতরে ঢুকে যায় এবং সেটিকে ধ্বংস করে। শত্রুভাবাপন্ন কোনো পক্ষের আক্রমণে ইতিহাসে এই প্রথম কোনো মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনা ঘটল।
ইরানের গভীর ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত হওয়া ওই বিমানের পাইলট এবং ওয়েপন সিস্টেম অফিসারকে একটি নাটকীয় অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই উদ্ধার অভিযান মোটেও সহজ ছিল না।
পেন্টাগন জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই অভিযানে একটি এ-১০ অ্যাটাক জেট, দুটি এমসি-১৩০জে হারকিউলিস স্পেশাল মিশন ক্রাফট এবং অন্তত একটি হেলিকপ্টার হারিয়েছে মার্কিন বাহিনী। মাত্র কয়েক হাজার ডলার মূল্যের একটি মিসাইলের আঘাতে কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হওয়ার এই ঘটনাকে বড় ধরনের কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বা ‘ম্যানপ্যাড’ হিসেবে পরিচিত এই মিসাইলগুলো ইরান কোথা থেকে পেয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের ‘মিলিটারি ব্যালেন্স ২০২৫’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের অস্ত্রাগারে সোভিয়েত আমলের স্ট্রেলা, রাশিয়ার ইগলা এবং তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি মিসাগ মিসাইলসহ বিভিন্ন ধরনের ম্যানপ্যাড রয়েছে। মূলত নিচের স্তর দিয়ে ওড়া যুদ্ধবিমানগুলোর জন্য এই হাতে বহনযোগ্য অস্ত্রগুলো বর্তমানে বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তথ্যমতে, এ জাতীয় মিসাইলগুলো আকারে ছোট হওয়ায় এগুলো পরিবহন করা এবং লুকিয়ে রাখা অত্যন্ত সহজ। চার থেকে সাড়ে ছয় ফুট লম্বা এবং ২৮ থেকে ৫৫ পাউন্ড ওজনের এই অস্ত্রগুলো অনায়াসেই একটি সাধারণ গাড়ির ডিকিতে বহন করা সম্ভব। রাডারে শনাক্ত করা কঠিন হওয়ার কারণে এই ক্ষুদ্রাকৃতির ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এখন মার্কিন বিমানবাহিনীর জন্য আকাশপথে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
এই ঘটনার পর ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনা এক নতুন এবং আরও ঝুঁকিপূর্ণ মোড় নিলো বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: সিএনএন

ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন বিমানবাহিনীর অত্যাধুনিক এফ-১৫ই ফাইটার জেটটি কাঁধ থেকে ছোড়া তাপ-অনুসন্ধানী (হিট-সিকিং) মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, এটি ছিল হাতে বহনযোগ্য একটি শোল্ডার মিসাইল।
প্রেসিডেন্টের ভাষ্যমতে, অনেকটা ভাগ্যের জোরেই মিসাইলটি সরাসরি বিমানের ইঞ্জিনের ভেতরে ঢুকে যায় এবং সেটিকে ধ্বংস করে। শত্রুভাবাপন্ন কোনো পক্ষের আক্রমণে ইতিহাসে এই প্রথম কোনো মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনা ঘটল।
ইরানের গভীর ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত হওয়া ওই বিমানের পাইলট এবং ওয়েপন সিস্টেম অফিসারকে একটি নাটকীয় অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই উদ্ধার অভিযান মোটেও সহজ ছিল না।
পেন্টাগন জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই অভিযানে একটি এ-১০ অ্যাটাক জেট, দুটি এমসি-১৩০জে হারকিউলিস স্পেশাল মিশন ক্রাফট এবং অন্তত একটি হেলিকপ্টার হারিয়েছে মার্কিন বাহিনী। মাত্র কয়েক হাজার ডলার মূল্যের একটি মিসাইলের আঘাতে কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হওয়ার এই ঘটনাকে বড় ধরনের কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বা ‘ম্যানপ্যাড’ হিসেবে পরিচিত এই মিসাইলগুলো ইরান কোথা থেকে পেয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের ‘মিলিটারি ব্যালেন্স ২০২৫’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের অস্ত্রাগারে সোভিয়েত আমলের স্ট্রেলা, রাশিয়ার ইগলা এবং তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি মিসাগ মিসাইলসহ বিভিন্ন ধরনের ম্যানপ্যাড রয়েছে। মূলত নিচের স্তর দিয়ে ওড়া যুদ্ধবিমানগুলোর জন্য এই হাতে বহনযোগ্য অস্ত্রগুলো বর্তমানে বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তথ্যমতে, এ জাতীয় মিসাইলগুলো আকারে ছোট হওয়ায় এগুলো পরিবহন করা এবং লুকিয়ে রাখা অত্যন্ত সহজ। চার থেকে সাড়ে ছয় ফুট লম্বা এবং ২৮ থেকে ৫৫ পাউন্ড ওজনের এই অস্ত্রগুলো অনায়াসেই একটি সাধারণ গাড়ির ডিকিতে বহন করা সম্ভব। রাডারে শনাক্ত করা কঠিন হওয়ার কারণে এই ক্ষুদ্রাকৃতির ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এখন মার্কিন বিমানবাহিনীর জন্য আকাশপথে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
এই ঘটনার পর ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনা এক নতুন এবং আরও ঝুঁকিপূর্ণ মোড় নিলো বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে