
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সৌদি আরবের কাছে যুক্তরাষ্ট্র এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমরা এফ-৩৫ বিমান বিক্রি করতে যাচ্ছি। তারা আমাদের দারুণ মিত্র।’
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ট্রাম্প। এ দিনই সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে হোয়াইট হাউজে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সাত বছর আগে সাংবাদিক জামাল খাসোগজি হত্যাকাণ্ডের পর সালমান এই প্রথম হোয়াইট হাউজে আসছেন।
মোহাম্মদ বিন সালমান এর আগে ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের সময় যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন। ওই বছরেই খাসোগজি ইস্তান্বুলে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা পর্যালোচনায় বলা হয়েছিল, জামাল খাসোগজির বিরুদ্ধে অপারেশনের অনুমোদন দিয়েছিলেন যুবরাজ সালমান। তবে তিনি ওই হত্যাকাণ্ডে কোনো ধরনের ভূমিকা থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন।
সালমান যুক্তরাষ্ট্রে না গেলেও গত মে মাসেই রিয়াদে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সেখানেই যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের কাছে ১৪২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রিতে সম্মত হয়। এটিকে হোয়াইট হাউজ ৬০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তির অংশ হিসেবে ‘অস্ত্র বিক্রিতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সমঝোতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলে।
সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের বড় ক্রেতা। তবে তাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের কর্মকর্তারা। দেশটির সামরিক কৌশলকে এটি ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে বলছেন।
ইসরায়েল আবার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং ওই অঞ্চলে একমাত্র ইসরায়েলের হাতেই এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান আছে।
মঙ্গলবারের বৈঠকে ট্রাম্প ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের জন্য তার আব্রাহাম অ্যাকর্ডে সইয়ের জন্য সৌদি আরবকে চাপ দিতে পারেন। সৌদি আরব এ চুক্তির জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পথ খুঁজে বের করাকে শর্ত হিসেবে উল্লেখ করে আসছে।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের তথ্য, একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের গড় মূল্য প্রায় সাড়ে ৮২ মিলিয়ন ডলার। এ বিমানে আছে ‘স্টেলথ’ প্রযুক্তি, যার বদৌলতে এ বিমান ওড়ার সময় শত্রুপক্ষের রাডারে তার অস্তিত্ব ধরা পড়বে না। তা ছাড়া শত্রুপক্ষের বিমানের চোখে পড়ার আগেই সে নিজেই তাকে দেখতে পাবে।
বিমানটির পাইলটের হেলমেটে বসানো আছে একটি ডিসপ্লে সিস্টেম, যেখানে অন্যদিকে মুখ করে থাকা অবস্থাতেও শত্রু বিমানের দিকে গুলি করতে পারবে। পাইলট শত্রু লক্ষ্যবস্তুর গতিবিধি চিহ্নিত করতে পারবেন, শত্রু রাডার ‘জ্যাম’ বা অকার্যকর করে দিতে পারবেন এবং আক্রমণ প্রতিহত করতে পারবেন। তা ছাড়া এ বিমানের যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত অপারেশন কমান্ডারের সঙ্গে শেয়ার করা যাবে।

সৌদি আরবের কাছে যুক্তরাষ্ট্র এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমরা এফ-৩৫ বিমান বিক্রি করতে যাচ্ছি। তারা আমাদের দারুণ মিত্র।’
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ট্রাম্প। এ দিনই সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে হোয়াইট হাউজে তার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সাত বছর আগে সাংবাদিক জামাল খাসোগজি হত্যাকাণ্ডের পর সালমান এই প্রথম হোয়াইট হাউজে আসছেন।
মোহাম্মদ বিন সালমান এর আগে ২০১৮ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের সময় যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন। ওই বছরেই খাসোগজি ইস্তান্বুলে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা পর্যালোচনায় বলা হয়েছিল, জামাল খাসোগজির বিরুদ্ধে অপারেশনের অনুমোদন দিয়েছিলেন যুবরাজ সালমান। তবে তিনি ওই হত্যাকাণ্ডে কোনো ধরনের ভূমিকা থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন।
সালমান যুক্তরাষ্ট্রে না গেলেও গত মে মাসেই রিয়াদে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সেখানেই যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের কাছে ১৪২ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রিতে সম্মত হয়। এটিকে হোয়াইট হাউজ ৬০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তির অংশ হিসেবে ‘অস্ত্র বিক্রিতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সমঝোতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলে।
সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের বড় ক্রেতা। তবে তাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের কর্মকর্তারা। দেশটির সামরিক কৌশলকে এটি ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে বলছেন।
ইসরায়েল আবার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং ওই অঞ্চলে একমাত্র ইসরায়েলের হাতেই এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান আছে।
মঙ্গলবারের বৈঠকে ট্রাম্প ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের জন্য তার আব্রাহাম অ্যাকর্ডে সইয়ের জন্য সৌদি আরবকে চাপ দিতে পারেন। সৌদি আরব এ চুক্তির জন্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পথ খুঁজে বের করাকে শর্ত হিসেবে উল্লেখ করে আসছে।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের তথ্য, একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের গড় মূল্য প্রায় সাড়ে ৮২ মিলিয়ন ডলার। এ বিমানে আছে ‘স্টেলথ’ প্রযুক্তি, যার বদৌলতে এ বিমান ওড়ার সময় শত্রুপক্ষের রাডারে তার অস্তিত্ব ধরা পড়বে না। তা ছাড়া শত্রুপক্ষের বিমানের চোখে পড়ার আগেই সে নিজেই তাকে দেখতে পাবে।
বিমানটির পাইলটের হেলমেটে বসানো আছে একটি ডিসপ্লে সিস্টেম, যেখানে অন্যদিকে মুখ করে থাকা অবস্থাতেও শত্রু বিমানের দিকে গুলি করতে পারবে। পাইলট শত্রু লক্ষ্যবস্তুর গতিবিধি চিহ্নিত করতে পারবেন, শত্রু রাডার ‘জ্যাম’ বা অকার্যকর করে দিতে পারবেন এবং আক্রমণ প্রতিহত করতে পারবেন। তা ছাড়া এ বিমানের যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত অপারেশন কমান্ডারের সঙ্গে শেয়ার করা যাবে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর পর্যন্ত সিরিয়াজুড়ে আই এসের সঙ্গে সম্পর্কিত শতাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে মার্কিন বিমান বাহিনী। সিরিয়ায় অপারেশন হকিয়ে নামে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল মার্কিন সেনাবাহিনী, তার অংশ হিসেবেই পরিচালনা করা হয়েছে এই মিশন।”
১৩ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ওমানের সালালাহ শহরের তামরিত এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতির প্রাইভেটকারের সঙ্গে হঠাৎ একটি উটের সংঘর্ষ হলে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুমড়েমুচড়ে যায়।
১ দিন আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগেও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে, প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তিনি দ্বীপটি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে তখনই ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়— গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়।
১ দিন আগে