
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপদাহের মধ্যে স্পেনে টানা ১৬ দিনের ভয়াবহ তাপপ্রবাহে ১ হাজার ১৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। স্পেনের কার্লোস তৃতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এই তথ্য প্রকাশ করে বলেছে, ৩ আগস্ট থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে এসব মানুষ মারা গেছে।
স্পেনে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে এবং তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রেকর্ড করা হয়েছে, যা ওখানকার মানুষের জন্য অসহনীয়। তাপপ্রবাহের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা, হৃদরোগ এবং দাবানলের কারণে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
বিশেষ করে বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য তাপপ্রবাহ খুবই বিপজ্জনক।
শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে গেলে হিট স্ট্রোক হয়, যা মৃত্যুঝুকি বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও, তাপপ্রবাহের কারণে বাতাসের গুণমান খারাপ হতে পারে এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। দাবানল ছড়িয়ে পড়ার কারণেও মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে স্পেনের জনস্বাস্থ্য সংস্থা। গবেষণার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে স্পেনের মর্টালিটি মনিটরিং সিস্টেম (MoMo), যা ঐতিহাসিক প্রবণতার সঙ্গে বর্তমান মৃত্যুর তথ্য তুলনা করে অতিরিক্ত মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে সহায়তা করে। এছাড়া জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা AEMET–এর তথ্যও যুক্ত করা হয়েছে।
যদিও MoMo সরাসরি উচ্চ তাপমাত্রাকেই মৃত্যুর কারণ হিসেবে নিশ্চিত করেনি, এটি এমন অতিরিক্ত মৃত্যুর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অনুমান প্রদান করে, যেখানে তাপপ্রবাহ প্রধান ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করা হয়।
এর আগে জুলাই মাসে একই প্রতিষ্ঠান জানিয়েছিল, স্পেনে ১ হাজার ৬০ জন অতিরিক্ত মানুষ মারা গেছে তীব্র গরমের কারণে। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৭ শতাংশ বেশি।
আবহাওয়া ও জলবায়ুবিদদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহকে দীর্ঘস্থায়ী, আরও তীব্র এবং ঘনঘন ঘটতে প্ররোচিত করছে।

ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপদাহের মধ্যে স্পেনে টানা ১৬ দিনের ভয়াবহ তাপপ্রবাহে ১ হাজার ১৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। স্পেনের কার্লোস তৃতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এই তথ্য প্রকাশ করে বলেছে, ৩ আগস্ট থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে এসব মানুষ মারা গেছে।
স্পেনে তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে এবং তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রেকর্ড করা হয়েছে, যা ওখানকার মানুষের জন্য অসহনীয়। তাপপ্রবাহের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা, হৃদরোগ এবং দাবানলের কারণে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
বিশেষ করে বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য তাপপ্রবাহ খুবই বিপজ্জনক।
শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে গেলে হিট স্ট্রোক হয়, যা মৃত্যুঝুকি বাড়িয়ে দেয়। এছাড়াও, তাপপ্রবাহের কারণে বাতাসের গুণমান খারাপ হতে পারে এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। দাবানল ছড়িয়ে পড়ার কারণেও মৃত্যু বেড়ে যাচ্ছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।
বার্তা সংস্থা এএফপিকে মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে স্পেনের জনস্বাস্থ্য সংস্থা। গবেষণার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে স্পেনের মর্টালিটি মনিটরিং সিস্টেম (MoMo), যা ঐতিহাসিক প্রবণতার সঙ্গে বর্তমান মৃত্যুর তথ্য তুলনা করে অতিরিক্ত মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে সহায়তা করে। এছাড়া জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা AEMET–এর তথ্যও যুক্ত করা হয়েছে।
যদিও MoMo সরাসরি উচ্চ তাপমাত্রাকেই মৃত্যুর কারণ হিসেবে নিশ্চিত করেনি, এটি এমন অতিরিক্ত মৃত্যুর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অনুমান প্রদান করে, যেখানে তাপপ্রবাহ প্রধান ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করা হয়।
এর আগে জুলাই মাসে একই প্রতিষ্ঠান জানিয়েছিল, স্পেনে ১ হাজার ৬০ জন অতিরিক্ত মানুষ মারা গেছে তীব্র গরমের কারণে। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৭ শতাংশ বেশি।
আবহাওয়া ও জলবায়ুবিদদের মতে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহকে দীর্ঘস্থায়ী, আরও তীব্র এবং ঘনঘন ঘটতে প্ররোচিত করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে