
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেও দেশের অভ্যন্তরে স্বস্তিতে নেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার বিতর্কিত মন্তব্য এবং যুদ্ধনীতিকে কেন্দ্র করে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি আরও জোরালো হয়েছে। প্রভাবশালী কংগ্রেসওম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ সরাসরি ট্রাম্পের অভিশংসন দাবি করে জানিয়েছেন, বিশ্বশান্তি ও দেশের মঙ্গলের স্বার্থে তাকে এখনই ক্ষমতা থেকে সরানো জরুরি।
ইরানকে বেঁধে দেওয়া সময়সীমার শেষ মুহূর্তে দেওয়া এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিলেন, ‘একটি সভ্যতা আজ পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে মুছে যাবে।’ তার এই চরম উসকানিমূলক মন্তব্যের পর বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।
তবে এই যুদ্ধবিরতির আগে থেকেই নিজ দেশে চরম অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন ট্রাম্প। মূলত ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করে এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ায় মার্কিন অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তার ওপর তার কর্তৃত্ববাদী শাসন আর বিভিন্ন বিতর্কিত আইন প্রণয়নও দেশটির মানুষকে তার বিরুদ্ধে যাওয়ার পেছনে নিয়ামক হিসেবে কাজ করছিল। যার ফলে তার বিরুদ্ধে গত মাসে ‘নো কিংস’ আন্দোলনও হয়েছিল, যে আন্দোলনে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন প্রায় ৮০ লাখ মানুষ। এত জনসমাগম যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো আন্দোলনই দেখাতে পারেনি বলে দাবি করেছিলেন আয়োজকরা।
ডেমোক্র্যাট নেত্রী আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ সেই ট্রাম্পবিরোধী মনোভাবটাকেই আবার সামনে নিয়ে এসেছেন। তিনি এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং সেই হুমকিকে এখনও কাজে লাগাচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আর বিশ্বকে এবং আমাদের দেশের মঙ্গলকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না।’
আলেক্সান্দ্রিয়া সরাসরি তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘তার মন্ত্রিসভা হোক বা কংগ্রেস, প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে। আমরা বিপদের কিনারায় চলে এসেছি।’
এর আগে ডজনখানেক ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের হুমকির কারণে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি তুলেছিলেন। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরেও তাদের অনেকে জানিয়েছেন, তাদের অবস্থান একটুও বদলায়নি।

ইরানের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেও দেশের অভ্যন্তরে স্বস্তিতে নেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার বিতর্কিত মন্তব্য এবং যুদ্ধনীতিকে কেন্দ্র করে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি আরও জোরালো হয়েছে। প্রভাবশালী কংগ্রেসওম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ সরাসরি ট্রাম্পের অভিশংসন দাবি করে জানিয়েছেন, বিশ্বশান্তি ও দেশের মঙ্গলের স্বার্থে তাকে এখনই ক্ষমতা থেকে সরানো জরুরি।
ইরানকে বেঁধে দেওয়া সময়সীমার শেষ মুহূর্তে দেওয়া এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিলেন, ‘একটি সভ্যতা আজ পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে মুছে যাবে।’ তার এই চরম উসকানিমূলক মন্তব্যের পর বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।
তবে এই যুদ্ধবিরতির আগে থেকেই নিজ দেশে চরম অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন ট্রাম্প। মূলত ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করে এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ায় মার্কিন অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তার ওপর তার কর্তৃত্ববাদী শাসন আর বিভিন্ন বিতর্কিত আইন প্রণয়নও দেশটির মানুষকে তার বিরুদ্ধে যাওয়ার পেছনে নিয়ামক হিসেবে কাজ করছিল। যার ফলে তার বিরুদ্ধে গত মাসে ‘নো কিংস’ আন্দোলনও হয়েছিল, যে আন্দোলনে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন প্রায় ৮০ লাখ মানুষ। এত জনসমাগম যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো আন্দোলনই দেখাতে পারেনি বলে দাবি করেছিলেন আয়োজকরা।
ডেমোক্র্যাট নেত্রী আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ সেই ট্রাম্পবিরোধী মনোভাবটাকেই আবার সামনে নিয়ে এসেছেন। তিনি এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং সেই হুমকিকে এখনও কাজে লাগাচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আর বিশ্বকে এবং আমাদের দেশের মঙ্গলকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না।’
আলেক্সান্দ্রিয়া সরাসরি তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘তার মন্ত্রিসভা হোক বা কংগ্রেস, প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে। আমরা বিপদের কিনারায় চলে এসেছি।’
এর আগে ডজনখানেক ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের হুমকির কারণে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার দাবি তুলেছিলেন। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরেও তাদের অনেকে জানিয়েছেন, তাদের অবস্থান একটুও বদলায়নি।

নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি ছবি শেয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবিতে তার পেছনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের দৃশ্য আর ছবির ওপর বড় অক্ষরে লেখা— ‘নো মোর মি. নাইস গাই!’ (ভদ্র সাজার দিন শেষ!)।
১১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়— এ বিষয়ে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস তার সঙ্গে একমত। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজে রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলার সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। এর আগে দিন এই দুই নেতা দ্বিপাক
১১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত এবং এর ফলে সৃষ্ট লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধস নেমেছে।
১২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ৫৭ দিন বন্ধ থাকার পর ইরানের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমাম খোমেনি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট আবারও চালু হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আকাশসীমা বন্ধ থাকায় তেহরানের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথটি দীর্ঘদিন অচল ছিল। আকাশসীমা পুনরায় খুলে দেওয়ার পর দুই দিন ধরে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে