পরিবেশবান্ধব অবকাঠামোকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হবে ১ হাজার ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন ব্যবস্থা— যা রাসায়নিক সারের নির্ভরতা কমিয়ে মাটির উর্বরতা দীর্ঘমেয়াদে রক্ষা করে কৃষি খরচ সাশ্রয় করবে। পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে পরিবেশবান্ধব ৫০টি আলু ও ৫০টি পেঁয়াজ সংরক্ষণাগার।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।
দেশের কয়েকটি অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।
রাজধানী ঢাকায় আজ সোমবার সকালে রোদের দেখা মিলেছে। তবে দুপুরের মধ্যে কালবৈশাখী আঘাত হানতে পারে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টা ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।
ঈদের দিন ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের কিছু স্থানে এবং চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের দু–এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হতে পারে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টা ৩২ মিনিটের দিকে সিলেটে হালকা মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪।
সরেজমিনে দেখা যায়, কিছু গাছের গোড়া থেকে চারপাশের মাটি কাটায় গাছগুলোর শিকড় উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে মাটি কাটার ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই এসব করচ গাছ শুকিয়ে মারা যেতে পারে।
প্রতি বছর বর্ষা এলেই ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটে গ্রামবাসীর, তবে এ বছর শীত মৌসুমেই শুরু হয়েছে ভাঙন। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই ভাঙনে বহু পরিবার তাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।
ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে হিমালয় পাদদেশের পঞ্চগড় জেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তীব্র শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা।
দেশের ৪৪ জেলায় বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। এমনটা থাকতে পারে আরও ১০ দিন। প্রচণ্ড শীতের কারণে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশাও বিরাজ করতে পারে।
আগের ঘূর্ণিঝড়গুলোর মতো নতুন এ ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘ডিটওয়াহ’ও আগেই নির্ধারণ করে রাখা ছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এ নামটি ইয়েমেনের প্রস্তাবনা। দেশটির সোকোত্রা দ্বীপে একই নামে রয়েছে একটি বিখ্যাত লেগুন।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই লঘুচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
চলতি নভেম্বর মাসে দেশে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া চলতি মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে এসব এলাকাকে পানি সংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকার জন্য পালনীয় ১১টি নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুব উত্তাল রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।
সন্ধ্যার মধ্যে দেশের তিনটি জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাবে ঝড়। এমন আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।