আমি যখন বলি ‘ফকিন্নির বাচ্চা’, তখন তার নিচে শেয়ার করা ছবিগুলো দেখলেই বোঝা যাবে, কে কাকে ইঙ্গিত করছে। আমার আওয়ামী লীগের সম্পাদক হওয়া নিয়ে ওরা যে ভাষায় কথা বলেছে, তার প্রেক্ষিতে আমি প্রতিক্রিয়া দিয়েছি।
হাসনাত বলেন, রুমিন আপাকে সাইবার বুলিং করা হচ্ছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া যায় না। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ, বাজে কমেন্ট ও নারীকে অসম্মান করার কোনো সুযোগ নেই। ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যের ক্ষতি হয়, এমন সিলেক্টিভ আক্রমণ ও আচরণ যেন কেউ না করেন, সে আহ্বান জানান হাসনাত।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার সময় আরো ২৪ ঘণ্টা বর্ধিত করা হয়। আপনি আজ নোটিশের যে জবাব দিয়েছেন, তা সন্তোষজনক নয়। তথাপিও বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে আপনার অবদান বিবেচনা করে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নিয়ে আপনার দলীয় প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ তিন মাসের জন্য নির্দেশক্রমে স্থগিত করা হলো।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর বরাবর পাঠানো লিখিত জবাবে ফজলুর রহমান বলেন, ২৪ আগস্ট রাত ৯টায় আপনার স্বাক্ষরিত একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ আমি হাতে পাই। এরপর যথাসময়ে নোটিশের জবাব দেওয়ার সময় বাড়ানোর জন্য আমি আবেদন করি। আপনি আমাকে ২৪ ঘণ্টা সময় বৃদ্ধি করেছেন, এজন্য ধন্যবাদ।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কোনো দল নির্বাচনে অংশ নিতে না চাইলে সেটি তাদের সিদ্ধান্ত, তাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা। কিন্তু যারা বাহানা দিয়ে নির্বাচন বয়কট করবে তারা ভবিষ্যৎ রাজনীতি থেকে নিজেরাই মাইনাস হয়ে যাবে।
ড. মঈন খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোট দেওয়ার প্রত্যাশা পূরণ হবে। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই কেবল দেশের মানুষ গণতন্ত্র ফিরে পেতে পারে। তাদের পছন্দমতো ৩০০ জন প্রতিনিধি বাছাইয়ের একমাত্র মাধ্যম নির্বাচন।’
প্রতিনিয়ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামপন্থীদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে থাকা চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিএনপি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে শোকজের জবাব দেয়ার জন্য দলের পক্ষ থেকে ব
রাজধানীতে তার ভাড়া বাসার সামনে কিছু ছেলে-মেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এতে তিনি মবের শিকারের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এ সম্পের্কে ফজলুর রহমান বলেন, আমার এ দেশে নিশ্চিন্তে বাঁচার অধিকার রয়েছে। এটা আমার মৌলিক অধিকার। আমি দেখছি এই অধিকারের ওপর বাধা পড়ছে।
প্রায় ৫০ মিনিট রাখা দীর্ঘ বক্তব্যে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ‘আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপির জন্য কঠিন হবে। কারণ বিএনপিকে এখন অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হচ্ছে। বিএনপি একদিকে দাঁড়িয়েছে, আর একদিকে দাঁড়িয়েছে দেশের সব ষড়যন্ত্রকারী, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধের শক্তি এবং বিদেশি
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন প্রেক্ষাপটে মন খুলে কথা বলতে গিয়ে অনেক অতিউৎসাহী রাজনীতিক বেফাঁস কথাবার্তা বলছেন। নির্বাচন সামনে রেখে কেউ কেউ নিজেকে জাহির করতে এমন কথা বলতে পারেন। তবে দল হিসেবে বিএনপিকে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে। এতে দলের ক্ষতি হচ্ছে।
জুলাই আন্দোলনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আপনার বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে দলের মধ্যেও সমালোচনা হচ্ছে- আপনার বক্তব্য কি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপাতত এ নিয়ে আসলে কিছু বলতে চাচ্ছি না।আগে শোকজের কপি হাতে পাই, পরে কথা বলবো’
শোকজে বলা হয়, ‘আপনি জুলাই-আগস্ট ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে ক্রমাগত কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে আসছেন এবং আত্মদানকারী শহিদদের নিয়ে যে বক্তব্য দিচ্ছেন তা সম্পূর্ণরূপে দলীয় আদর্শ ও গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থি। মহিমান্বিত এই গণ-অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন
জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের খসড়া প্রকাশের পর পক্ষে ও বিপক্ষে আবেদন জমা পড়ে। আজকের শুনানির একপর্যায়ে দুই পক্ষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং মারামারি শুরু করে। ইসি কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে ইসি সচিব ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের জন্য শুনানি শেষ করেন এবং উভয়পক্ষকে শুনানি কক্ষ ত্যাগ করার অ
‘বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গত ১৫ বছর লড়াই করলাম। তারা আমাকে এখন ধাক্কা দেয়। তো ঠিক আছে, ধাক্কার বদলে তো ধাক্কা আসবেই, তাই না! নির্বাচনের আগে সীমানা নিয়ে নিজের দলে এমন পরিস্থিতি হলে, নিবার্চনে কী হবে অনুমেয়।’
রিজভী বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। সরকারের আন্তরিকতার অভাব আছে তা নয়। দ্রব্য মূল্য কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি। দিন দিন কলকারখানা সব বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।’
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কেউ কেউ পিআর পিআর বলে এখনো গলা ফাটাচ্ছে। উদ্দেশ্য কিন্তু পিআর না, উদ্দেশ্য হচ্ছে পিআর পিআর করে যদি কিছু পাওয়া যায়। যাহোক, আমরা আলাপ-আলোচনা করব, যেসব ভাই ও যেসব রাজনৈতিক দল পিআর পিআর করে আপনারা হয়রান-পেরেশান হয়ে যাচ্ছেন, আসুন আলাপ-আলোচনা করি, আপনাদের কী দাবিদাওয়া আছে সেসব বিষ
ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরো বলেন, ‘আমাদের কাঠামোটা সংস্কার করা দরকার। কাঠামোটা বদলাতে হবে। গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আমরা লাগাব বেগুন গাছ, আসা করব কমলালেবু তা তো হবে না। আমাদের সিস্টেমটা পরিবর্তন করতে হবে।’