আমীর খসরু বলেন, আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সামনের দিকে এগোচ্ছি। আমরা চাই, দেশ গড়ার যে প্রত্যয় আমরা নিয়েছি, আমরা সবাই মিলে ঐকবদ্ধভাবে সেই কাজটি করব। শুধু নির্বাচনের আগে নয়, নির্বাচনের পরেও বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আজ প্রতীক্ষিত একটি সুসংবাদের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। অতীতে যেসব ছোটখাটো কথা-বার্তা হয়েছে, সেগুলোকে ভু্লে গিয়ে সামনের দিকে জাতীয় ঐক্যকে আরও দৃঢ় করে সমস্যাগুলো সমাধান করে নিয়ে আমরা যেন অতি দ্রুত একটি নির্বাচনের দিকে এগোতে পারি।
তারেক রহমান বৈঠকে আগামী বছর রমজান শুরুর আগেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা জবাবে এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচনের কথার পুনরাবৃত্তি করেন। তবে সংস্কার কার্যক্রম কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হলে রমজানের আগেই নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে— এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।
অধ্যাপক ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে বৈঠকটি একান্ত। অর্থাৎ তাদের দুজনের মধ্যেই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ওই হোটেলে গেছেন তারেক রহমানের সঙ্গে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘ইউনূস সাহেব যখন বাংলাদেশে সমস্ত পথ হারিয়ে ফেলছেন, উনি পথ পাওয়ার জন্য আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেবের কাছে গেছেন। ড. ইউনূস দেশে থাকতে বিএনপিকে এক ঘণ্টা সময় দেন না, কিন্তু ১২ ঘণ্টা প্লেন চালাইয়া লন্ডন পর্যন্ত গেছেন। বলছেন, আমাকে একটু কথা বলার সুযোগ দেন
লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আসন্ন বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এই বৈঠকটি আগামী নির্বাচন, সংস্কার এবং গণতন্ত্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এক তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা
এদিকে প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচনের টাইম ফ্রেম ঘোষণার আগ থেকেই বিএনপি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে। ফলে এই সময়সীমায় খুব একটা সন্তুষ্ট নয় বিএনপি। তবে প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া নির্বাচন আয়োজনের সময়সীমাকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
লন্ডনে ইউনূস-তারেক বৈঠক দেশের রাজনীতিতে সুবাতাস বয়ে আনবে উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই বৈঠকটি একটি ঐতিহাসিক বৈঠক হবে এবং এ বৈঠকের মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে সুবাতাস বইবে। এরইমধ্যে ডিসেম্বরে নির্বাচনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেছে বিএনপি। যৌক্তিক সময়েই নির্বাচন হবে বলে জাতি প
সূত্রগুলো জানায়, প্রথম দিকে বিএনপির পক্ষ থেকে তারেক রহমান ও প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের ব্যাপারে অতটা আগ্রহ ছিল না। তবে নির্বাচন সময়ের প্রশ্নে আলোচনা হতে পারে, সেই প্রশ্ন থেকে শেষ পর্যন্ত দলটি এই বৈঠকে সম্মতি দিয়েছে।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠক। এই বৈঠকের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট কাটবে বলে আশাবাদী বিএনপি— এমনটাই জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, লন্ডন স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ জুন) সকাল ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে এই বৈঠক হবে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার দুই একটি রাজনৈতিক দলের কথা শুনে পেন্ডুলামের মতো দুলছে। তিনি দাবি করেন, একটি সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে দুই একটি রাজনৈতিক দল শহীদদের রক্ত ও ধর্মকে টেনে নিয়ে আসে।’
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ দেশে-বিদেশে বসে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার পায়তারা করছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে বলে জানান বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। আজ সোমবার বিকেলে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা বিএনপির
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি জটিল চৌরাস্তার মধ্যে রয়েছে— একটি পরিবর্তনশীল পর্যায় যা প্রতিটি রাজনৈতিক অভিনেতার কাছ থেকে পরিপক্বতা, সংযম এবং অখণ্ডতা দাবি করে।’
এপ্রিলে নির্বাচন আয়োজনের সমস্যার কথা জানিয়ে রিজভী বলেন, এপ্রিলে নির্বাচন হলে প্রচারের সময় রমজান মাস চলবে। এতে মানুষ ভোগান্তিতে পড়বে। তাই এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানাই। না হলে এ সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন—স্থায়ী কমিটি সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম), অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
ইশরাক বলেন, নির্বাচনের বেশির ভাগ অংশীজন চায় ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হোক। বর্তমান সরকারের বাকি সব সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ করতে দু-তিন মাসের বেশি লাগার কথা নয়। তাহলে নির্বাচনের তারিখ কেন এত পেছানো হলো, তা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না।