
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটের দিকে তিনি গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়। এরপর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিমান যোগে চট্টগ্রাম পৌঁছান তিনি।
দলীয় সূত্র জানা যায়, তারেক রহমান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটযোগে চট্টগ্রামে যান। আগামীকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) সেখানে তিনি দলের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেবেন।
রোববারের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুই দশকেরও বেশি সময় পর তার চট্টগ্রাম সফরকে কেন্দ্র করে নগর ও আশপাশের জেলাগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, পলোগ্রাউন্ড মাঠে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হবে এবং শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।
ঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যায় আকাশপথে চট্টগ্রামে পৌঁছে রাতে সেখানে অবস্থান করবেন তারেক রহমান। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেয়ার পর বিকেলে চট্টগ্রাম ছাড়বেন তিনি।
এরপর বিকেল ৪টায় ফেনীর পাইলট স্কুল মাঠে, বিকেল সাড়ে ৫টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠে এবং সন্ধ্যা ৭টায় সুয়াগাজীর ডিগবাজির মাঠে পর্যায়ক্রমে জনসভায় অংশ নেবেন। একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দাউদকান্দির কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আরেকটি সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
ঢাকায় ফেরার পথে রাত সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর বালুর মাঠে শেষ জনসভায় অংশ নিয়ে গভীর রাতে গুলশানে নিজ বাসভবনে ফিরবেন তিনি।
সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। তখন তিনি দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। সেই সফরের পর দীর্ঘ সময় তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর এই সফর তার রাজনৈতিক ভূমিকার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন দলীয় নেতারা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটের দিকে তিনি গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়। এরপর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিমান যোগে চট্টগ্রাম পৌঁছান তিনি।
দলীয় সূত্র জানা যায়, তারেক রহমান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটযোগে চট্টগ্রামে যান। আগামীকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) সেখানে তিনি দলের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেবেন।
রোববারের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুই দশকেরও বেশি সময় পর তার চট্টগ্রাম সফরকে কেন্দ্র করে নগর ও আশপাশের জেলাগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, পলোগ্রাউন্ড মাঠে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হবে এবং শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।
ঘোষিত সফরসূচি অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যায় আকাশপথে চট্টগ্রামে পৌঁছে রাতে সেখানে অবস্থান করবেন তারেক রহমান। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেয়ার পর বিকেলে চট্টগ্রাম ছাড়বেন তিনি।
এরপর বিকেল ৪টায় ফেনীর পাইলট স্কুল মাঠে, বিকেল সাড়ে ৫টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠে এবং সন্ধ্যা ৭টায় সুয়াগাজীর ডিগবাজির মাঠে পর্যায়ক্রমে জনসভায় অংশ নেবেন। একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দাউদকান্দির কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আরেকটি সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
ঢাকায় ফেরার পথে রাত সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর বালুর মাঠে শেষ জনসভায় অংশ নিয়ে গভীর রাতে গুলশানে নিজ বাসভবনে ফিরবেন তিনি।
সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। তখন তিনি দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। সেই সফরের পর দীর্ঘ সময় তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর এই সফর তার রাজনৈতিক ভূমিকার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন দলীয় নেতারা।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে