
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রায় দেড় যুগ পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রিয় নেতার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে গণসংবর্ধনার আয়োজন করেছে দলটি। রাজধানীর ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ ৩০০ ফিট সড়ক এলাকায় এ আয়োজনের প্রস্তুতি হিসেবে মঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় শেষও হয়ে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তারেক রহমানের ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, এরই মধ্যে তিনি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে সপরিবারে পৌঁছেছেন। সেখান থেকে তার ফ্লাইটটি সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর হয়ে ঢাকায় অবতরণ করবে।
দীর্ঘ বিরতির পর তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে লাখ লাখ নেতাকর্মী আগের দিনই সংবর্ধনাস্থলে উপস্থিত হতে শুরু করেছেন। স্লোগান, প্ল্যাকার্ড ও উচ্ছ্বাসে পুরো মঞ্চ এলাকাকে উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত করেছেন। বুধবার রাতেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে মঞ্চের আশপাশ।
অন্যদিকে এই সংবর্ধনা ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঞ্চ ও আশেপাশের এলাকায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর টিমও টহল দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ঝুঁকিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ চলছে।
বিএনপির সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় আজ রাত সোয়া ১২টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন তারেক রহমান। তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।
বুধবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানবন্দরে নামার পর দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা তারেক রহমানকে স্বাগত জানাবেন। এরপর সেখান থেকে তারেক রহমান সরাসরি চলে যাবেন এভারকেয়ার হাসপাতালে, মা খালেদা জিয়াকে দেখতে।
এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তারেক রহমান যোগ দেবেন ৩০০ ফিট সড়কে বিএনপি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। সেখানে অপেক্ষায় থাকা নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন তিনি। সেখান থেকে চলে যাবেন গুলশানের বাসভবনে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পরদিন শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর তারেক রহমান বাসভবন থেকে প্রথমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি জিয়ারত করবেন। সেখান থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
এরপর শনিবারেও (২৭ ডিসেম্বর) দুটি কর্মসূচি রয়েছে তারেক রহমানের। ওই দিন জাতীয় পরিচয়পত্রের কাজ করবেন তিনি। এ জন্য তারেক রহমান সশরীর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন অফিসে যাবেন কি না, সেটি পরে জানানো হবে। তবে ওই দিনই ভোটার হতে সব কাজ শেষ করবেন। এরপর ইনকিলাব মঞ্চের ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যাবেন। সেখান থেকে রাজধানীর শ্যামলীতে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের দেখতে যাবেন তারেক রহমান।

প্রায় দেড় যুগ পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রিয় নেতার এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে গণসংবর্ধনার আয়োজন করেছে দলটি। রাজধানীর ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ ৩০০ ফিট সড়ক এলাকায় এ আয়োজনের প্রস্তুতি হিসেবে মঞ্চ তৈরির কাজ প্রায় শেষও হয়ে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তারেক রহমানের ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, এরই মধ্যে তিনি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে সপরিবারে পৌঁছেছেন। সেখান থেকে তার ফ্লাইটটি সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর হয়ে ঢাকায় অবতরণ করবে।
দীর্ঘ বিরতির পর তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে লাখ লাখ নেতাকর্মী আগের দিনই সংবর্ধনাস্থলে উপস্থিত হতে শুরু করেছেন। স্লোগান, প্ল্যাকার্ড ও উচ্ছ্বাসে পুরো মঞ্চ এলাকাকে উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত করেছেন। বুধবার রাতেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে মঞ্চের আশপাশ।
অন্যদিকে এই সংবর্ধনা ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঞ্চ ও আশেপাশের এলাকায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর টিমও টহল দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ঝুঁকিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ চলছে।
বিএনপির সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সময় আজ রাত সোয়া ১২টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন তারেক রহমান। তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।
বুধবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানবন্দরে নামার পর দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা তারেক রহমানকে স্বাগত জানাবেন। এরপর সেখান থেকে তারেক রহমান সরাসরি চলে যাবেন এভারকেয়ার হাসপাতালে, মা খালেদা জিয়াকে দেখতে।
এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তারেক রহমান যোগ দেবেন ৩০০ ফিট সড়কে বিএনপি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। সেখানে অপেক্ষায় থাকা নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন তিনি। সেখান থেকে চলে যাবেন গুলশানের বাসভবনে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পরদিন শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর তারেক রহমান বাসভবন থেকে প্রথমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি জিয়ারত করবেন। সেখান থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
এরপর শনিবারেও (২৭ ডিসেম্বর) দুটি কর্মসূচি রয়েছে তারেক রহমানের। ওই দিন জাতীয় পরিচয়পত্রের কাজ করবেন তিনি। এ জন্য তারেক রহমান সশরীর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন অফিসে যাবেন কি না, সেটি পরে জানানো হবে। তবে ওই দিনই ভোটার হতে সব কাজ শেষ করবেন। এরপর ইনকিলাব মঞ্চের ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যাবেন। সেখান থেকে রাজধানীর শ্যামলীতে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের দেখতে যাবেন তারেক রহমান।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মতিঝিলের কার্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এক পোস্টের মাধ্যমে বন্ধ ঘোষণা করেন।
২ দিন আগে
তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে এনসিপির সঙ্গেও কোনো আলোচনা হয়নি। বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী (তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা) খলিলুর রহমান বিএনপির পরামর্শে অন্তবর্তী সরকারের ওপর দায় চাপাতে নির্বাচনের তিন দিন আগে চুক্তিটি করা হয়। এই চুক্তি বিএনপি করিয়েছে। এই চুক্তি তারেক র
২ দিন আগে
পোস্টে তিনি একটি অডিও আপলোড করে লেখেন, ‘কেন জুস খাওয়াতো এই অডিওতে শুনতে পাবেন। আমি বিএনপির এমপিদেরকে বলবো, সংসদে সে যখন বেশি কথা বলবে, তখন এই অডিওটা বেশি বেশি বাজাবেন বলেও আহ্বান জানান তিনি।’
৩ দিন আগে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বিরোধীরা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। মানুষের কল্যাণের পরিবর্তে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তারা নানা সমালোচনা করছেন। অথচ তিস্তার অধিকার আদায়ের আন্দোলনে তাদের কখনো দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে