
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করেছেন।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উখিয়ার ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় তারা ইফতার করেন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে।
ইফতার আয়োজনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইফতারে অংশ নিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিব। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
ইফতারে অংশ নিতে আসা রোহিঙ্গাদের অনেকেই তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জানিয়ে নানা স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। ‘জাতিসংঘ, আমাদের নিজেদের ভূমিতে ফিরিয়ে নিয়ে যাও’, ‘আমরা রোহিঙ্গা, দেশহীন কোনো জনগোষ্ঠী নই’, ‘জাতিসংঘ, আমাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করো’, ‘শরণার্থী জীবন আর চাই না’— এমন নানা স্লোগান লেখা ছিল তাদের প্ল্যাকার্ডে।
এর আগে জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি শিক্ষণ কেন্দ্র ও একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসব কেন্দ্রে তিনি রোহিঙ্গা শিশুসহ নারী-পুরুষদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের প্রতি নিজের সমর্থনের কথা জানান।

রোহিঙ্গা শিশুরা স্বাগত জানায় প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিবকে। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে জাতিসংঘ মহাসচিব গণমাধ্যমের সামনেও কথা বলেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমে যাওয়ার ঘটনায় তিনি উদ্বিগ্ন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যেন রোহিঙ্গাদের মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন দেয়, সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
এ দিন দুপুর ১টার দিকে বিমানে কক্সবাজারে আসনে গুতেরেস। বিমানে তার সঙ্গে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বিমান থেকে নেমে গুতেরেস চলে যান উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। প্রধান উপদেষ্টা এ সময় তার পূর্বনির্ধারিত অন্য দুটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যান। সন্ধ্যায় তারা দুজনেই আবার ইফতারে হাজির হন একসঙ্গে।

প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা ইফতারে অংশ নেন। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
জাতিসংঘ মহাসচিব এ নিয়ে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশে এলেন। এবার চার দিনের সফরে এসেছেন তিনি। আজ সফরের দ্বিতীয় দিনের সকালে তিনি প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।
আগামীকাল শনিবার (১৫ মার্চ) সফরের তৃতীয় দিনে বাংলাদেশে জাতিসংঘের কার্যালয় পরিদর্শনসহ একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন অ্যান্তোনিও গুতেরেস। পরে সন্ধ্যায় তিনি প্রধান উপদেষ্টার আয়োজনে ইফতার ও নৈশভোজে অংশ নেবেন। রোববার (১৬ মার্চ) ঢাকা ছাড়বেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করেছেন।
শুক্রবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উখিয়ার ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় তারা ইফতার করেন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে।
ইফতার আয়োজনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইফতারে অংশ নিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিব। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
ইফতারে অংশ নিতে আসা রোহিঙ্গাদের অনেকেই তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জানিয়ে নানা স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। ‘জাতিসংঘ, আমাদের নিজেদের ভূমিতে ফিরিয়ে নিয়ে যাও’, ‘আমরা রোহিঙ্গা, দেশহীন কোনো জনগোষ্ঠী নই’, ‘জাতিসংঘ, আমাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করো’, ‘শরণার্থী জীবন আর চাই না’— এমন নানা স্লোগান লেখা ছিল তাদের প্ল্যাকার্ডে।
এর আগে জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি শিক্ষণ কেন্দ্র ও একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসব কেন্দ্রে তিনি রোহিঙ্গা শিশুসহ নারী-পুরুষদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের প্রতি নিজের সমর্থনের কথা জানান।

রোহিঙ্গা শিশুরা স্বাগত জানায় প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিবকে। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে জাতিসংঘ মহাসচিব গণমাধ্যমের সামনেও কথা বলেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কমে যাওয়ার ঘটনায় তিনি উদ্বিগ্ন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যেন রোহিঙ্গাদের মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন দেয়, সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
এ দিন দুপুর ১টার দিকে বিমানে কক্সবাজারে আসনে গুতেরেস। বিমানে তার সঙ্গে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বিমান থেকে নেমে গুতেরেস চলে যান উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। প্রধান উপদেষ্টা এ সময় তার পূর্বনির্ধারিত অন্য দুটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যান। সন্ধ্যায় তারা দুজনেই আবার ইফতারে হাজির হন একসঙ্গে।

প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা ইফতারে অংশ নেন। ছবি: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
জাতিসংঘ মহাসচিব এ নিয়ে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশে এলেন। এবার চার দিনের সফরে এসেছেন তিনি। আজ সফরের দ্বিতীয় দিনের সকালে তিনি প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।
আগামীকাল শনিবার (১৫ মার্চ) সফরের তৃতীয় দিনে বাংলাদেশে জাতিসংঘের কার্যালয় পরিদর্শনসহ একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন অ্যান্তোনিও গুতেরেস। পরে সন্ধ্যায় তিনি প্রধান উপদেষ্টার আয়োজনে ইফতার ও নৈশভোজে অংশ নেবেন। রোববার (১৬ মার্চ) ঢাকা ছাড়বেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
১ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে