
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড রয়েছে তার চিকিৎসার দায়িত্বে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সার্বক্ষণিক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মায়ের চিকিৎসা তদারকি করছেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাহিদ এসব তথ্য জানান। এ সময় খালেদা জিয়াকে যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন তাদের নামও জানান তিনি।

ডা. জাহিদ জানান, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান হিসেবে রয়েছেন এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার। তার সঙ্গে রয়েছেন ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, ডা. এ কিউ এম মহসিন, ডা. শামসুল আরেফিন, ডা. জিয়াউল হক, ডা. মাসুম কামাল, ডা. এ জেড এম সালেহ, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. সাইফুল ইসলাম ও ডা. জাফর ইকবাল।
এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকে ভার্চুয়ালি ও সরাসরি যুক্ত হয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসকরা। মেডিকেল বোর্ডে বিদেশি চিকিৎসকদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান, ডা. রফিক উদ্দিন আহমেদ, ডা. জন হ্যামিলটন, ডা. হামিদ রব, ডা. জন প্যাট্রিক ও ডা. জেনিফার ক্রস। তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও খালেদা জিয়ার চিকিৎসক দলের একজন।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাহিদ জানান, তারেক রহমান সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে করছেন মায়ের চিকিৎসার। বিএনপি মহাসচিব ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও সার্বক্ষণিক খালেদা জিয়ার খোঁজখবর রাখছেন।
ডা. জাহিদ বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার, সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পরিষদের অন্য সদস্যরা খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক ও নার্সরাও আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিচ্ছেন।
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছে অন্য দেশগুলোও। ডা. জাহিদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, কাতার, সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং ও ভারত— এই বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা চিকিৎসার খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি কোনো ধরনের গুজবে কান না দিতে দলের পক্ষ থেকে আবারও আহ্বান জানান ডা. জাহিদ। বলেন, দল কীভাবে আপনাদের তথ্য দেবে, তা এরই মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেভাবেই ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) শারীরিক অবস্থার আপডেট সবাইকে জানানো হবে।
দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আপনারা দীর্ঘ ছয় বছর সহযোগিতা করেছেন, এবারও ধৈর্য ধরুন।’ খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় তিনি দেশব্যাপী সবার দোয়া প্রার্থনা করেন।
দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত খালেদা জিয়ার ফুসফুসে নতুন করে সংক্রমণ দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসায় খুব একটা উন্নতি না হলে গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) তাকে নেওয়া হয় হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ)।
এর মধ্যে খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার আলোচনাও চলছে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তত রাখা হয়েছে। তবে তকে দেশের বাইরে নিতে চিকিৎসকদের সবুজ সংকেত এখনো মেলেনি।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড রয়েছে তার চিকিৎসার দায়িত্বে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সার্বক্ষণিক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মায়ের চিকিৎসা তদারকি করছেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাহিদ এসব তথ্য জানান। এ সময় খালেদা জিয়াকে যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন তাদের নামও জানান তিনি।

ডা. জাহিদ জানান, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান হিসেবে রয়েছেন এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার। তার সঙ্গে রয়েছেন ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, ডা. এ কিউ এম মহসিন, ডা. শামসুল আরেফিন, ডা. জিয়াউল হক, ডা. মাসুম কামাল, ডা. এ জেড এম সালেহ, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. সাইফুল ইসলাম ও ডা. জাফর ইকবাল।
এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকে ভার্চুয়ালি ও সরাসরি যুক্ত হয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসকরা। মেডিকেল বোর্ডে বিদেশি চিকিৎসকদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান, ডা. রফিক উদ্দিন আহমেদ, ডা. জন হ্যামিলটন, ডা. হামিদ রব, ডা. জন প্যাট্রিক ও ডা. জেনিফার ক্রস। তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও খালেদা জিয়ার চিকিৎসক দলের একজন।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাহিদ জানান, তারেক রহমান সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে করছেন মায়ের চিকিৎসার। বিএনপি মহাসচিব ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও সার্বক্ষণিক খালেদা জিয়ার খোঁজখবর রাখছেন।
ডা. জাহিদ বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার, সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পরিষদের অন্য সদস্যরা খালেদা জিয়ার চিকিৎসার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক ও নার্সরাও আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিচ্ছেন।
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ জানাচ্ছে অন্য দেশগুলোও। ডা. জাহিদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, কাতার, সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং ও ভারত— এই বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানরা চিকিৎসার খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি কোনো ধরনের গুজবে কান না দিতে দলের পক্ষ থেকে আবারও আহ্বান জানান ডা. জাহিদ। বলেন, দল কীভাবে আপনাদের তথ্য দেবে, তা এরই মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেভাবেই ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) শারীরিক অবস্থার আপডেট সবাইকে জানানো হবে।
দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘আপনারা দীর্ঘ ছয় বছর সহযোগিতা করেছেন, এবারও ধৈর্য ধরুন।’ খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় তিনি দেশব্যাপী সবার দোয়া প্রার্থনা করেন।
দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত খালেদা জিয়ার ফুসফুসে নতুন করে সংক্রমণ দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসায় খুব একটা উন্নতি না হলে গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) তাকে নেওয়া হয় হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ)।
এর মধ্যে খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার আলোচনাও চলছে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তত রাখা হয়েছে। তবে তকে দেশের বাইরে নিতে চিকিৎসকদের সবুজ সংকেত এখনো মেলেনি।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
২ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে