
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের কারণে তারা রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বিএনপিকে উদ্দেশে করে তিনি বলেছেন, ‘গাধাকে দিয়ে হাল চাষ করিয়ে এর মধ্যে কোনো বাহাদুরি নেই। এটা আপনাদের দেউলিয়াত্ব, সরকারের দেউলিয়াত্ব যে সরকার এখনো রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে পারছে না।’
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম এমন মন্তব্য করেন। তিনি একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ, মিথ্যুক, গণহত্যার দোসর’ অভিহিত করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘একটা আলোচনা কয়েকবার এসেছে যে এই রাষ্ট্রপতির অধীনে আমরা কেন শপথ নিয়েছি। সেই সময়ের প্রেক্ষাপট আর এখনকার প্রেক্ষাপট কি এক? জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে আমাদের সামনে দুইটা অপশন ছিল। আমরা বলেছিলাম জাতীয় সরকার করতে হবে, সেই জাতীয় সরকারের প্রস্তাব বিএনপি নাকচ করে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সামনে আরেকটা অপশন ছিল ক্ষমতা আর্মির হাতে তুলে দেওয়া। যদি আমরা সেই দিকে এগোতাম, আজকে তারা এখানে বসতে পারতেন কি না, সেটা সন্দেহ আছে। দেশের স্বার্থে, দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা সেই সময় সরকারে গিয়েছিলাম। আমরা শপথ নিয়েছিলাম।’
‘কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুব স্পষ্টভাবে ২০২৪ সালেই কিন্তু এই রাষ্ট্রপতির অপসারণ চেয়েছিল। সেই সময়ে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলে রাষ্ট্রপতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল বিএনপি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব নিজেই এ কথা বলেছিলেন,’ বলেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ।
বর্তমান নির্বাচিত সরকার চাইলেই রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি বিএনপিতে সেই ধরনের যোগ্য আস্থভাজন ব্যক্তি নিশ্চয়ই রয়েছেন। সরকারি দলের সদস্যদের অনেকে গৌরবের সাথে বলেছেন, যে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরোধিতা করেছেন, সেই রাষ্ট্রপতি এখন জিয়াউর রহমানের প্রশংসা করছেন।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই অধিবেশনের পুরোটা সময় জুড়ে আমরা সংস্কার, গণভোট, জুলাই সনদ, বাহাত্তরের সংবিধান নিয়ে অনেক কথা বলেছি। একটা বিষয় আমার কাছে খুবই অদ্ভুত লেগেছে, কয়েকজন মাননীয় সংসদ সদস্য বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের সাথে মিলিয়েছেন।’
‘আমার জানা নেই, আসলে তারা কোন বিবেচনা থেকে এটি মিলিয়েছেন। এটা তো সবসময় আওয়ামী লীগ মিলিয়েছিল। তারা বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের ফসল হিসেবে, একাত্তর চেতনার সাথে মিলিয়েছিল। বাহাত্তরের মূলনীতিকে একাত্তরের মূলনীতি বলে একাত্তরের আদর্শ হিসেবে প্রচার করেছে। আমরা তো সেটার বিরোধিতা করেছি সবসময়। বিএনপির বহু নেতা এটার বিরোধিতা করেছেন,’ যোগ করেন তিনি।
রাজনীতি/আইআর

বিএনপির রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের কারণে তারা রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। বিএনপিকে উদ্দেশে করে তিনি বলেছেন, ‘গাধাকে দিয়ে হাল চাষ করিয়ে এর মধ্যে কোনো বাহাদুরি নেই। এটা আপনাদের দেউলিয়াত্ব, সরকারের দেউলিয়াত্ব যে সরকার এখনো রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে পারছে না।’
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম এমন মন্তব্য করেন। তিনি একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘দুর্নীতিবাজ, অপদার্থ, মিথ্যুক, গণহত্যার দোসর’ অভিহিত করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘একটা আলোচনা কয়েকবার এসেছে যে এই রাষ্ট্রপতির অধীনে আমরা কেন শপথ নিয়েছি। সেই সময়ের প্রেক্ষাপট আর এখনকার প্রেক্ষাপট কি এক? জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে আমাদের সামনে দুইটা অপশন ছিল। আমরা বলেছিলাম জাতীয় সরকার করতে হবে, সেই জাতীয় সরকারের প্রস্তাব বিএনপি নাকচ করে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সামনে আরেকটা অপশন ছিল ক্ষমতা আর্মির হাতে তুলে দেওয়া। যদি আমরা সেই দিকে এগোতাম, আজকে তারা এখানে বসতে পারতেন কি না, সেটা সন্দেহ আছে। দেশের স্বার্থে, দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা সেই সময় সরকারে গিয়েছিলাম। আমরা শপথ নিয়েছিলাম।’
‘কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুব স্পষ্টভাবে ২০২৪ সালেই কিন্তু এই রাষ্ট্রপতির অপসারণ চেয়েছিল। সেই সময়ে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলে রাষ্ট্রপতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল বিএনপি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব নিজেই এ কথা বলেছিলেন,’ বলেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ।
বর্তমান নির্বাচিত সরকার চাইলেই রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি বিএনপিতে সেই ধরনের যোগ্য আস্থভাজন ব্যক্তি নিশ্চয়ই রয়েছেন। সরকারি দলের সদস্যদের অনেকে গৌরবের সাথে বলেছেন, যে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরোধিতা করেছেন, সেই রাষ্ট্রপতি এখন জিয়াউর রহমানের প্রশংসা করছেন।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই অধিবেশনের পুরোটা সময় জুড়ে আমরা সংস্কার, গণভোট, জুলাই সনদ, বাহাত্তরের সংবিধান নিয়ে অনেক কথা বলেছি। একটা বিষয় আমার কাছে খুবই অদ্ভুত লেগেছে, কয়েকজন মাননীয় সংসদ সদস্য বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের সাথে মিলিয়েছেন।’
‘আমার জানা নেই, আসলে তারা কোন বিবেচনা থেকে এটি মিলিয়েছেন। এটা তো সবসময় আওয়ামী লীগ মিলিয়েছিল। তারা বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের ফসল হিসেবে, একাত্তর চেতনার সাথে মিলিয়েছিল। বাহাত্তরের মূলনীতিকে একাত্তরের মূলনীতি বলে একাত্তরের আদর্শ হিসেবে প্রচার করেছে। আমরা তো সেটার বিরোধিতা করেছি সবসময়। বিএনপির বহু নেতা এটার বিরোধিতা করেছেন,’ যোগ করেন তিনি।
রাজনীতি/আইআর

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৮ দিন আগে