
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা ৮ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, আমি চা খাওয়ার দাওয়াত দিছি, এটিও আমার দোষ। এটি নাকি আমি হুমকি দিয়েছি। আমি তাদের কথায় ভীত। কোথায় কি হয়ে যায়, সব দোষ মির্জা আব্বাসের।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর মালিবাগ ও গুলবাগে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি শাহজাহানপুর ও মালিবাগ প্রথম লেন থেকে মৌচাক মোড় হয়ে রাজারবাগ পুলিশ গেট পর্যন্ত গণসংযোগ করেন। বিকেলে তিনি ১১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে একটি বিশাল নির্বাচনী মিছিলে নেতৃত্ব দেন। সন্ধ্যায় শাহজাহানপুর ঝিল মসজিদ এলাকা এবং রাতে ফকিরেরপুল ও আরামবাগ পানির ট্যাংক এলাকায় তার গণসংযোগ করার কথা রয়েছে।
প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি তোমাদের বয়সে ঢাকা শহর দাপিয়ে বেড়িয়েছি। শহরজুড়ে আমার বন্ধু ও আত্মীয়স্বজন আছে। আমার যত ভক্ত আছে, তোমাদের তত আত্মীয়স্বজনও নেই। যে যা-ই বলুক, আমি কারও ফাঁদে পা দেব না। আমি আমার ভোট চাইব, তোমরাও চাও। এলাকার জন্য কী করেছ আর কী করবে, তা বলো। তোমরা শুধু পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করার চেষ্টা করছ।’
সাবেক এই মন্ত্রী আরও বলেন, “নির্বাচনের সময় কিছু ‘অতিথি পাখি’ দেখা যায়, পরে আর তাদের পাওয়া যায় না। ১৯৯১ সাল থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি; কেউ বলতে পারবে না আমাকে পাওয়া যায়নি। যখন আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, এই এলাকার মানুষ হাত উঁচিয়ে সমর্থন দিয়েছেন। অন্য প্রার্থীরা কি আন্দোলন করতে গিয়ে কখনও পালিয়ে বেড়িয়েছেন? আপনাদের কাজ শুধু কুৎসা রটানো।”
নিজের জনসেবার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি অনেকবার এমপি ছিলাম। কেউ বলতে পারবে না আমার কাছে এসে খালি হাতে ফিরে গেছে। তবে আমি যা পারব না, তার আশ্বাস কখনও দেইনি। আমি ফেরেশতা নই, কিন্তু কারও ক্ষতি করার জন্য মিথ্যা বলি না।’
মির্জা আব্বাস বলেন, “কিছু ‘মাছের পোনা’ এসেছে; এদের ঠিকানা কী? আমি যখন জেলে ছিলাম, তখনও এলাকার মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে আমার বাসায় গেছে। আমার স্ত্রী ও কর্মকর্তারা তাদের সমস্যা সমাধান করেছেন। আজ যারা লম্বা লম্বা কথা বলছেন, তারা কয়জনকে সাহায্য করেছেন? কয়জনের জানাজায় বা বিয়েতে গেছেন? আবার বলেন— আমার এলাকা!”
চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একজন বলছেন, চাঁদাবাজি না কমালে লাল কার্ড দেখাবেন। আরে চাঁদাবাজি তো আপনারা করছেন! চাঁদাবাজির তকমা দিয়ে নির্বাচন করতে চাচ্ছেন। চাঁদাবাজদের কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? যারা লাল কার্ড দেখানোর ভয় দেখাচ্ছেন, ১২ তারিখে (ফেব্রুয়ারি) জনগণই আপনাদের লাল কার্ড দেখাবে।’
বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘ভাবটা এমন যেন বিএনপি ক্ষমতায়। বলা হচ্ছে— আওয়ামী লীগকে যেভাবে সরানো হয়েছে, বিএনপিকেও সেভাবে তাড়ানো হবে। মনে রাখবেন, বিএনপি বানের জলে ভেসে আসেনি। সবকিছুতেই বিএনপির দোষ দেওয়া হচ্ছে এবং দেশে এখন থেকেই অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা ৮ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, আমি চা খাওয়ার দাওয়াত দিছি, এটিও আমার দোষ। এটি নাকি আমি হুমকি দিয়েছি। আমি তাদের কথায় ভীত। কোথায় কি হয়ে যায়, সব দোষ মির্জা আব্বাসের।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর মালিবাগ ও গুলবাগে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি শাহজাহানপুর ও মালিবাগ প্রথম লেন থেকে মৌচাক মোড় হয়ে রাজারবাগ পুলিশ গেট পর্যন্ত গণসংযোগ করেন। বিকেলে তিনি ১১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে একটি বিশাল নির্বাচনী মিছিলে নেতৃত্ব দেন। সন্ধ্যায় শাহজাহানপুর ঝিল মসজিদ এলাকা এবং রাতে ফকিরেরপুল ও আরামবাগ পানির ট্যাংক এলাকায় তার গণসংযোগ করার কথা রয়েছে।
প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি তোমাদের বয়সে ঢাকা শহর দাপিয়ে বেড়িয়েছি। শহরজুড়ে আমার বন্ধু ও আত্মীয়স্বজন আছে। আমার যত ভক্ত আছে, তোমাদের তত আত্মীয়স্বজনও নেই। যে যা-ই বলুক, আমি কারও ফাঁদে পা দেব না। আমি আমার ভোট চাইব, তোমরাও চাও। এলাকার জন্য কী করেছ আর কী করবে, তা বলো। তোমরা শুধু পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করার চেষ্টা করছ।’
সাবেক এই মন্ত্রী আরও বলেন, “নির্বাচনের সময় কিছু ‘অতিথি পাখি’ দেখা যায়, পরে আর তাদের পাওয়া যায় না। ১৯৯১ সাল থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি; কেউ বলতে পারবে না আমাকে পাওয়া যায়নি। যখন আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, এই এলাকার মানুষ হাত উঁচিয়ে সমর্থন দিয়েছেন। অন্য প্রার্থীরা কি আন্দোলন করতে গিয়ে কখনও পালিয়ে বেড়িয়েছেন? আপনাদের কাজ শুধু কুৎসা রটানো।”
নিজের জনসেবার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি অনেকবার এমপি ছিলাম। কেউ বলতে পারবে না আমার কাছে এসে খালি হাতে ফিরে গেছে। তবে আমি যা পারব না, তার আশ্বাস কখনও দেইনি। আমি ফেরেশতা নই, কিন্তু কারও ক্ষতি করার জন্য মিথ্যা বলি না।’
মির্জা আব্বাস বলেন, “কিছু ‘মাছের পোনা’ এসেছে; এদের ঠিকানা কী? আমি যখন জেলে ছিলাম, তখনও এলাকার মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে আমার বাসায় গেছে। আমার স্ত্রী ও কর্মকর্তারা তাদের সমস্যা সমাধান করেছেন। আজ যারা লম্বা লম্বা কথা বলছেন, তারা কয়জনকে সাহায্য করেছেন? কয়জনের জানাজায় বা বিয়েতে গেছেন? আবার বলেন— আমার এলাকা!”
চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একজন বলছেন, চাঁদাবাজি না কমালে লাল কার্ড দেখাবেন। আরে চাঁদাবাজি তো আপনারা করছেন! চাঁদাবাজির তকমা দিয়ে নির্বাচন করতে চাচ্ছেন। চাঁদাবাজদের কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? যারা লাল কার্ড দেখানোর ভয় দেখাচ্ছেন, ১২ তারিখে (ফেব্রুয়ারি) জনগণই আপনাদের লাল কার্ড দেখাবে।’
বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘ভাবটা এমন যেন বিএনপি ক্ষমতায়। বলা হচ্ছে— আওয়ামী লীগকে যেভাবে সরানো হয়েছে, বিএনপিকেও সেভাবে তাড়ানো হবে। মনে রাখবেন, বিএনপি বানের জলে ভেসে আসেনি। সবকিছুতেই বিএনপির দোষ দেওয়া হচ্ছে এবং দেশে এখন থেকেই অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।’

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘এনসিপি সরকার গঠন করতে পারলে সীমান্তবর্তী এলাকায় খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে মাদক পাচার রোধ করা যায়। ভারত সীমান্তঘেঁষা এলাকায় মাদক উৎপাদন ও পাচার বাড়ছে, যার প্রভাব বাংলাদেশের যুবসমাজের ওপর পড়ছে।’
১ দিন আগে
নাহিদ বলেন, আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে। তারা যথার্থ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি তখন আলেমদের পাশে দাঁড়াতে পারেনি।
১ দিন আগে
তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় টিকা কেনা হয়নি। জনগণের জীবন রক্ষার চেয়ে সরকার অন্য বিষয় নিয়ে বেশি ব্যস্ত ছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলার কারণেই সময়মতো ইউনিসেফের টিকা সংগ্রহ করা হয়নি।
১ দিন আগে
জামায়াত আমির বলেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের কারসাজিতে কৃত্রিমভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি তৈরি করা হচ্ছে।, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর।
১ দিন আগে