
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

দীর্ঘ দুই দশক পর আজ মঙ্গলবার ময়মনসিংহে পা রাখছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুপুর ২টায় নগরীর ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘ ২২ বছর পর প্রিয় নেতার আগমনকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহ বিভাগজুড়ে নেতা-কর্মীদের মাঝে বইছে উৎসবের আমেজ। এই সমাবেশকে স্মরণকালের বৃহত্তম জনসমুদ্রে পরিণত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে দলটি।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, আজকের এই জনসভায় ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের 'ধানের শীষ' প্রতীকের প্রার্থীদের এক মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে নেতা-কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান। জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ময়মনসিংহে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম জানান, জনসভা সফল করতে ইতিমধ্যে বিভাগের চার জেলা ছাড়াও মহানগর, দক্ষিণ ও উত্তর জেলা এবং বিভিন্ন উপজেলার নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের নেতা-কর্মীদের দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা। তিনি আরও জানান, সমাবেশস্থলের মূল মঞ্চের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বিপুল জনসমাগমের কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন পয়েন্টে বড় এলইডি স্ক্রিন বসানো হচ্ছে এবং নারী অংশগ্রহণকারীদের জন্য রাখা হয়েছে আলাদা বসার ব্যবস্থা।
সংবাদ সম্মেলনে শরীফুল আলম আরও বলেন, সর্বশেষ ২০০৪ সালে তারেক রহমান ময়মনসিংহে ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভায় অংশ নিয়েছিলেন। প্রায় ২২ বছর পর তাঁর আগমন ঘিরে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, সার্কিট হাউস মাঠসহ পুরো শহরজুড়ে মানুষের উপস্থিতি থাকবে।
তিনি জানান, জনসভার মাঠে সুপেয় পানির ব্যবস্থা রাখা হবে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো সমাবেশ এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। এ ছাড়া প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে প্রয়োজনীয় আবেদন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। আয়োজকদের মতে, সব প্রস্তুতি সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে আজকের জনসভা হবে শান্তিপূর্ণ ও সফল।

দীর্ঘ দুই দশক পর আজ মঙ্গলবার ময়মনসিংহে পা রাখছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুপুর ২টায় নগরীর ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘ ২২ বছর পর প্রিয় নেতার আগমনকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহ বিভাগজুড়ে নেতা-কর্মীদের মাঝে বইছে উৎসবের আমেজ। এই সমাবেশকে স্মরণকালের বৃহত্তম জনসমুদ্রে পরিণত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে দলটি।
দলীয় সূত্র অনুযায়ী, আজকের এই জনসভায় ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের 'ধানের শীষ' প্রতীকের প্রার্থীদের এক মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে নেতা-কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান। জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ময়মনসিংহে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম জানান, জনসভা সফল করতে ইতিমধ্যে বিভাগের চার জেলা ছাড়াও মহানগর, দক্ষিণ ও উত্তর জেলা এবং বিভিন্ন উপজেলার নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের নেতা-কর্মীদের দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা। তিনি আরও জানান, সমাবেশস্থলের মূল মঞ্চের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বিপুল জনসমাগমের কথা বিবেচনা করে বিভিন্ন পয়েন্টে বড় এলইডি স্ক্রিন বসানো হচ্ছে এবং নারী অংশগ্রহণকারীদের জন্য রাখা হয়েছে আলাদা বসার ব্যবস্থা।
সংবাদ সম্মেলনে শরীফুল আলম আরও বলেন, সর্বশেষ ২০০৪ সালে তারেক রহমান ময়মনসিংহে ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভায় অংশ নিয়েছিলেন। প্রায় ২২ বছর পর তাঁর আগমন ঘিরে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, সার্কিট হাউস মাঠসহ পুরো শহরজুড়ে মানুষের উপস্থিতি থাকবে।
তিনি জানান, জনসভার মাঠে সুপেয় পানির ব্যবস্থা রাখা হবে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে পুরো সমাবেশ এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। এ ছাড়া প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে প্রয়োজনীয় আবেদন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। আয়োজকদের মতে, সব প্রস্তুতি সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে আজকের জনসভা হবে শান্তিপূর্ণ ও সফল।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে