
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক শক্তিতে সরকার গঠনের বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেছেন, নির্বাচনের পর সরকার গঠনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সমঝোতার কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং বিএনপি প্রয়োজনীয় আসন জিতে ক্ষমতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদী।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) নিজের কার্যালয়ে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, পররাষ্ট্রনীতি এবং তরুণ ভোটারদের নিয়ে দলের ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জামায়াতে ইসলামীর নাম সামনে আসলেও দলটির সঙ্গে সরকার গঠনের প্রশ্নে তারেক রহমান ভিন্ন সুরে কথা বলেন। তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সঙ্গে একসঙ্গে সরকার গঠন হলে তখন বিরোধীদল হিসেবে কারা থাকবে—সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। তার ভাষায়, জামায়াত যদি বিরোধীদলে থাকে, তাহলে তারা দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে—এমনটাই প্রত্যাশা।
এবারের নির্বাচনে জামায়াতকে বিএনপির অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে। একসময় নিষিদ্ধ থাকা দলটি বর্তমানে আবার সক্রিয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে মাঠে নেমেছে। অতীতে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার পরিচালনা করলেও এবারের বাস্তবতা ভিন্ন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এরই মধ্যে জামায়াত একটি ‘ঐক্য সরকার’ গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এখন একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ঢাকার একটি আদালত শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার রায় দিয়েছে।
নির্বাচনী প্রস্তুতির বিষয়ে তারেক রহমান জানান, সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২৯২টিতে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি আসনগুলোতে দলের মিত্ররা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। নির্দিষ্ট আসনসংখ্যা উল্লেখ না করলেও তার দাবি, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পাওয়ার বিষয়ে দলটি আশাবাদী।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপেও বিএনপির জয়ের পূর্বাভাস দেখা গেছে। তবে একই সঙ্গে জামায়াত নেতৃত্বাধীন একটি জোটের শক্ত অবস্থানের কথাও উঠে এসেছে। এই জোটে ‘জেনজি’ প্রজন্মের একটি অংশ যুক্ত হয়েছে, যারা তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলন থেকে উঠে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ কোনো একটি দেশের দিকে ঝুঁকে পড়বে—এমন ধারণা সঠিক নয়। তার মতে, প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সক্ষম এমন অংশীদারই বাংলাদেশের প্রয়োজন। তিনি বলেন, সরকারে গেলে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করাই হবে অগ্রাধিকার। সে ক্ষেত্রে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই বন্ধুত্ব গড়ে তোলা হবে।
শেখ হাসিনার সন্তানদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, রাজনীতি করার অধিকার সবারই রয়েছে। জনগণ যদি কাউকে গ্রহণ করে এবং স্বাগত জানায়, তাহলে দেশে ফিরে রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার পথ উন্মুক্ত থাকবে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক শক্তিতে সরকার গঠনের বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেছেন, নির্বাচনের পর সরকার গঠনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সমঝোতার কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং বিএনপি প্রয়োজনীয় আসন জিতে ক্ষমতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদী।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) নিজের কার্যালয়ে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, পররাষ্ট্রনীতি এবং তরুণ ভোটারদের নিয়ে দলের ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জামায়াতে ইসলামীর নাম সামনে আসলেও দলটির সঙ্গে সরকার গঠনের প্রশ্নে তারেক রহমান ভিন্ন সুরে কথা বলেন। তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সঙ্গে একসঙ্গে সরকার গঠন হলে তখন বিরোধীদল হিসেবে কারা থাকবে—সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। তার ভাষায়, জামায়াত যদি বিরোধীদলে থাকে, তাহলে তারা দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবে—এমনটাই প্রত্যাশা।
এবারের নির্বাচনে জামায়াতকে বিএনপির অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে। একসময় নিষিদ্ধ থাকা দলটি বর্তমানে আবার সক্রিয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে মাঠে নেমেছে। অতীতে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার পরিচালনা করলেও এবারের বাস্তবতা ভিন্ন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এরই মধ্যে জামায়াত একটি ‘ঐক্য সরকার’ গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এখন একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ঢাকার একটি আদালত শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার রায় দিয়েছে।
নির্বাচনী প্রস্তুতির বিষয়ে তারেক রহমান জানান, সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২৯২টিতে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি আসনগুলোতে দলের মিত্ররা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। নির্দিষ্ট আসনসংখ্যা উল্লেখ না করলেও তার দাবি, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পাওয়ার বিষয়ে দলটি আশাবাদী।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপেও বিএনপির জয়ের পূর্বাভাস দেখা গেছে। তবে একই সঙ্গে জামায়াত নেতৃত্বাধীন একটি জোটের শক্ত অবস্থানের কথাও উঠে এসেছে। এই জোটে ‘জেনজি’ প্রজন্মের একটি অংশ যুক্ত হয়েছে, যারা তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা শেখ হাসিনাবিরোধী আন্দোলন থেকে উঠে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ কোনো একটি দেশের দিকে ঝুঁকে পড়বে—এমন ধারণা সঠিক নয়। তার মতে, প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সক্ষম এমন অংশীদারই বাংলাদেশের প্রয়োজন। তিনি বলেন, সরকারে গেলে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যবসা সম্প্রসারণ ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করাই হবে অগ্রাধিকার। সে ক্ষেত্রে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই বন্ধুত্ব গড়ে তোলা হবে।
শেখ হাসিনার সন্তানদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, রাজনীতি করার অধিকার সবারই রয়েছে। জনগণ যদি কাউকে গ্রহণ করে এবং স্বাগত জানায়, তাহলে দেশে ফিরে রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার পথ উন্মুক্ত থাকবে।

আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় দিনাজপুর জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল সাড়ে ৯টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন শুধুমাত্র জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের লড়াই নয়, বরং এটি জাতিকে পুনর্গঠন এবং জনগণের হারিয়ে যাওয়া অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার নির্বাচন।
৫ ঘণ্টা আগে
ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান এবং দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপির ইশতেহারে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু সংক্রান্ত বিষয়ে বলা আছে, শিক্ষা খাতে ডিজিটাল সুবিধা বাড়াতে স্কুল, কলেজ, ক্যাফে ও লাইব্রেরিতে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির, যা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণার কাজে সহায়তা করবে এবং ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে ভূমিকা রাখবে।
২০ ঘণ্টা আগে