
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, 'দু-একজন নেতা এখন বলছেন, আমরা এত অসৎ ছিলাম, আপনারা সৎ ছিলেন তো কেন ছেড়ে গেলেন না? আমরা ছেড়ে যাইনি যাতে অন্তত তিনটি মন্ত্রণালয় দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা পায়।'
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঢাকা-১২ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী সাইফুল আলম খানের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শফিকুর রহমান জানান, জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী এবং সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ বিএনপি সরকারের তিনটি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করলেও তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আসেনি।
বিএনপি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল এই অভিযোগ ওঠার পর গত মঙ্গলবার ময়মনসিংহে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান বলেন, ‘যদি বিএনপি এতটাই দুর্নীতিগ্রস্ত হতো, তাহলে ওই দুই নেতা কেন পদত্যাগ করেননি? কারণ তারা জানতেন খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করছেন।’ এর পরিপ্রেক্ষিতে এ কথাগুলো বলেন জামায়াত আমির।
তিনি আরও বলেন, 'আমি রাজনীতি করব, আমি চাঁদাবাজিও করব, কিন্তু আমাকে চাঁদাবাজ বলবেন না। যদি চাঁদাবাজি করেন, তবে আপনাকে চাঁদাবাজ বলা হবে।'
জামায়াত আমির বলেন, ২০২৩ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানুষ “We want justice” স্লোগান নিয়ে রাস্তায় নেমেছিল। সমাজে ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও দখলবাজরা সাধারণ মানুষের উপর জুলুম চালাচ্ছে।
শফিকুর রহমান চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দেশের ব্যবসায়ীদের এক হয়ে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জামায়াতসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনের পরদিন থেকেই দেশের চিত্র পাল্টে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে সঙ্গে সঙ্গে ৯০ ভাগ চাঁদাবাজের হাত অবশ হয়ে যাবে। বাকি ১০ ভাগকে প্রথমে সতর্ক করা হবে, এরপরও না বুঝলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাঁদাবাজ কার বাবা, কার ভাই বা কার সন্তান—সেটা দেখা হবে না। এক্ষেত্রে নির্দয় ও কঠোর আচরণ করা হবে।
শফিকুর রহমান বলেন, প্রশাসনের অবহেলা, দায়িত্ব পালনে গাফিলতি এবং কিছু জায়গায় হালুয়া-রুটির ভাগবাটোয়ারার কারণে চাঁদাবাজি হচ্ছে। তবে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য ক্ষমতায় গেলে নির্বাচনের পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই দেশের চিত্র পাল্টে যাবে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, সেই ফলাফল বার্তা দেবে—১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীরা চাঁদাবাজি করে না এবং চাঁদাবাজি বরদাশতও করবে না।
প্রতিপক্ষকে সম্মান দেখানোর এবং গণতন্ত্রের পথে চলার পরামর্শ দেন জামায়াত আমির। তিনি জনগণকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার আহ্বান জানান।
জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঢাকা-১২ আসনে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী সাইফুল আলম খান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ, ডাকসু ভিপি মো. আবু সাদিক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তরের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, 'দু-একজন নেতা এখন বলছেন, আমরা এত অসৎ ছিলাম, আপনারা সৎ ছিলেন তো কেন ছেড়ে গেলেন না? আমরা ছেড়ে যাইনি যাতে অন্তত তিনটি মন্ত্রণালয় দুর্নীতির হাত থেকে রক্ষা পায়।'
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঢাকা-১২ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী সাইফুল আলম খানের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
শফিকুর রহমান জানান, জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী এবং সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ বিএনপি সরকারের তিনটি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করলেও তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আসেনি।
বিএনপি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন ছিল এই অভিযোগ ওঠার পর গত মঙ্গলবার ময়মনসিংহে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান বলেন, ‘যদি বিএনপি এতটাই দুর্নীতিগ্রস্ত হতো, তাহলে ওই দুই নেতা কেন পদত্যাগ করেননি? কারণ তারা জানতেন খালেদা জিয়া কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন করছেন।’ এর পরিপ্রেক্ষিতে এ কথাগুলো বলেন জামায়াত আমির।
তিনি আরও বলেন, 'আমি রাজনীতি করব, আমি চাঁদাবাজিও করব, কিন্তু আমাকে চাঁদাবাজ বলবেন না। যদি চাঁদাবাজি করেন, তবে আপনাকে চাঁদাবাজ বলা হবে।'
জামায়াত আমির বলেন, ২০২৩ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানুষ “We want justice” স্লোগান নিয়ে রাস্তায় নেমেছিল। সমাজে ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ ও দখলবাজরা সাধারণ মানুষের উপর জুলুম চালাচ্ছে।
শফিকুর রহমান চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে দেশের ব্যবসায়ীদের এক হয়ে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জামায়াতসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনের পরদিন থেকেই দেশের চিত্র পাল্টে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে সঙ্গে সঙ্গে ৯০ ভাগ চাঁদাবাজের হাত অবশ হয়ে যাবে। বাকি ১০ ভাগকে প্রথমে সতর্ক করা হবে, এরপরও না বুঝলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাঁদাবাজ কার বাবা, কার ভাই বা কার সন্তান—সেটা দেখা হবে না। এক্ষেত্রে নির্দয় ও কঠোর আচরণ করা হবে।
শফিকুর রহমান বলেন, প্রশাসনের অবহেলা, দায়িত্ব পালনে গাফিলতি এবং কিছু জায়গায় হালুয়া-রুটির ভাগবাটোয়ারার কারণে চাঁদাবাজি হচ্ছে। তবে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য ক্ষমতায় গেলে নির্বাচনের পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই দেশের চিত্র পাল্টে যাবে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, সেই ফলাফল বার্তা দেবে—১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীরা চাঁদাবাজি করে না এবং চাঁদাবাজি বরদাশতও করবে না।
প্রতিপক্ষকে সম্মান দেখানোর এবং গণতন্ত্রের পথে চলার পরামর্শ দেন জামায়াত আমির। তিনি জনগণকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার আহ্বান জানান।
জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঢাকা-১২ আসনে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী সাইফুল আলম খান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ, ডাকসু ভিপি মো. আবু সাদিক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তরের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পীরগঞ্জের জাফরপাড়া বাবনপুর গ্রামে পৌঁছান তিনি। কবর জিয়ারতের পর আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে
মাহফুজ বলেন, জামায়াতে ইসলামী হলো আওয়ামী লীগের ‘অল্টার ইগো’। অর্থাৎ এই দুটি দল হলো একই মুদ্রার এ পিঠ-ও পিঠ। সে হিসেবে দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও টিকে থাকবে, অন্যদিকে জামায়াত টিকে থাকলে আওয়ামী লীগও টিকে থাকবে।
৩ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে ‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার’ শিরোনামের এই ইশতেহার ঘোষণা করে এনসিপি। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এনসিপিই সবার আগে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করল।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত 'তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার' শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই রূপরেখা তুলে ধরা হবে।
১১ ঘণ্টা আগে