
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘দুই মাস আগে পদত্যাগ করেও সরকারি বাসায় আসিফ ও মাহফুজ’ শীর্ষক সংবাদটিকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদটির প্রতিবাদ জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, পদত্যাগের পরেও সরকারি বাসায় বসবাস করার যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর পদত্যাগ করি এবং একই মাসের ৩১ তারিখে হেয়ার রোডের সরকারি বাসা ‘নিলয়-৬’ যথাযথভাবে হস্তান্তর করি। বর্তমানে আমি আমার নিজস্ব (ভাড়া) বাসায় বসবাস করছি এবং সেখান থেকেই দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছি।
প্রকাশিত সংবাদে সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, আবাসন বরাদ্দ নীতিমালায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার পর দুই মাস পর্যন্ত বাসভবনে থাকতে পারবেন। অথচ আমি উক্ত নীতিমালায় নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই অর্থাৎ ২১তম দিনেই বাসস্থান হস্তান্তর করি। মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করলেই এর সত্যতা সহজেই প্রমাণিত হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত সব কর্মচারীই অবগত আছেন যে তিনি এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ওই বাসায় থাকছেন না এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার মমিনুর রহমানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বাসাটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন যে, তাকে হেয়প্রতিপন্ন ও হয়রানি করার লক্ষ্যেই এই বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি অনতিবিলম্বে সংবাদটি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান এবং নিজের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বাসা হস্তান্তরের জমাদানের কপিটি জনসম্মুখে প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘দুই মাস আগে পদত্যাগ করেও সরকারি বাসায় আসিফ ও মাহফুজ’ শীর্ষক সংবাদটিকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদটির প্রতিবাদ জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, পদত্যাগের পরেও সরকারি বাসায় বসবাস করার যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর পদত্যাগ করি এবং একই মাসের ৩১ তারিখে হেয়ার রোডের সরকারি বাসা ‘নিলয়-৬’ যথাযথভাবে হস্তান্তর করি। বর্তমানে আমি আমার নিজস্ব (ভাড়া) বাসায় বসবাস করছি এবং সেখান থেকেই দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছি।
প্রকাশিত সংবাদে সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, আবাসন বরাদ্দ নীতিমালায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার পর দুই মাস পর্যন্ত বাসভবনে থাকতে পারবেন। অথচ আমি উক্ত নীতিমালায় নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই অর্থাৎ ২১তম দিনেই বাসস্থান হস্তান্তর করি। মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করলেই এর সত্যতা সহজেই প্রমাণিত হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত সব কর্মচারীই অবগত আছেন যে তিনি এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ওই বাসায় থাকছেন না এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার মমিনুর রহমানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বাসাটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন যে, তাকে হেয়প্রতিপন্ন ও হয়রানি করার লক্ষ্যেই এই বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি অনতিবিলম্বে সংবাদটি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান এবং নিজের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বাসা হস্তান্তরের জমাদানের কপিটি জনসম্মুখে প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে