
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকার জিরো টলারেন্স দেখাচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অন্যায় করলে কাউকে ছাড় নয়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হয়েছি বলেই দুর্নীতিবাজ ধরা পড়ছে। অন্যায় যারা করবে তাদের আমরা ধরবোই, সরকারের ইমেজ নষ্ট হবে কিনা তা পরোয়া করি না।
রবিবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৪টায় গণভবনে চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনিয়ম-জঞ্জালগুলো পরিষ্কার করছি আমরা। এজন্য আমার ইমেজ নষ্ট হলে হোক, আমি তাদের ধরবোই। এই কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে, এখানে কোনো দ্বিধা নেই।’
বিসিএসের প্রশ্ন পেয়ে যারা অফিসার হয়েছেন, তাদেরও ধরা হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁসকারী এবং ক্রেতা, দুজনই সমান অপরাধী। কিন্তু কথাটা হলো, তাদের ধরে দেবে কে? গণমাধ্যম চেষ্টা করলে, খুঁজে দিলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।’
বিএনপির আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের শুরু দাবি করে তিনি বলেন, ‘২৪তম বিসিএস হয় ২০০২ সালে। তখন পরীক্ষা-টরিক্ষা হতো না। হাওয়া ভবন থেকে তালিকা যেত। ঢাকা কলেজে একটা বিশেষ কামরা ছিল। সেখানে বসে পরীক্ষা দিয়ে তাদের লোকজন চাকরি পেত। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়ম তখন থেকেই।’

দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকার জিরো টলারেন্স দেখাচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অন্যায় করলে কাউকে ছাড় নয়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হয়েছি বলেই দুর্নীতিবাজ ধরা পড়ছে। অন্যায় যারা করবে তাদের আমরা ধরবোই, সরকারের ইমেজ নষ্ট হবে কিনা তা পরোয়া করি না।
রবিবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৪টায় গণভবনে চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনিয়ম-জঞ্জালগুলো পরিষ্কার করছি আমরা। এজন্য আমার ইমেজ নষ্ট হলে হোক, আমি তাদের ধরবোই। এই কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে, এখানে কোনো দ্বিধা নেই।’
বিসিএসের প্রশ্ন পেয়ে যারা অফিসার হয়েছেন, তাদেরও ধরা হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রশ্ন ফাঁসকারী এবং ক্রেতা, দুজনই সমান অপরাধী। কিন্তু কথাটা হলো, তাদের ধরে দেবে কে? গণমাধ্যম চেষ্টা করলে, খুঁজে দিলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।’
বিএনপির আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের শুরু দাবি করে তিনি বলেন, ‘২৪তম বিসিএস হয় ২০০২ সালে। তখন পরীক্ষা-টরিক্ষা হতো না। হাওয়া ভবন থেকে তালিকা যেত। ঢাকা কলেজে একটা বিশেষ কামরা ছিল। সেখানে বসে পরীক্ষা দিয়ে তাদের লোকজন চাকরি পেত। প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়ম তখন থেকেই।’

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে