
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে যতটুকু সহায়তা দরকার তা করবে থাইল্যান্ড।’ বৃহস্পতিবার গণভবনে থাইল্যান্ড সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। তবুও থাইল্যান্ড চেষ্টা চালাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে।’
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও মিয়ানমার প্রসঙ্গে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে যারা আমাদের এখানে আশ্রয় নিয়েছে তাদের প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে আমরা আলোচনা করেছি। মিয়ানমারের ওপর থাইল্যান্ডের একটা প্রভাব আছে। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী (সেরেথা থাভাইসিন) বলেছেন, তিনি এটা আরও গভীরভাবে দেখবেন। প্রত্যাবর্তনের যতটা সহযোগিতা দরকার, সেটা তিনি করবেন। এ কথা তিনি দিয়েছেন।’
যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি দুইজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকানকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, এ ব্যাপারে আপনি প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এর বিচার দাবির কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না? হিট স্ট্রোকে সারা বাংলাদেশ আক্রান্ত। এটাকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করলে যাদের মৃত্যু হয়েছে তারা এক ধরনের সরকারি সুবিধা পায়। এ বিষয়ে আপনার ভাবনা কী—গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গরম পড়াটা কিন্তু খুব নতুন কিছু না। এর আগেও কিন্তু এই হিট স্ট্রোক হয়েছে এবং সব সময় হয়। তবে সাধারণত বৈশাখ মাসে কালবৈশাখী হতো, এবার কালবৈশাখীটা পিছিয়ে গেছে। যার জন্য প্রচণ্ড গরম।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দলের পক্ষ থেকে, সহযোগী সংগঠন থেকে শুরু করে সকলে পানি বিতরণ করা, মানুষকে নানা রকমের সহযোগিতা দেওয়া, আমরা কিন্তু সেটা দিয়ে যাচ্ছি। আর যারা মারা গেছে, অবশ্যই এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে আমরা সবাইকে সাবধান করে দিচ্ছি যে, চলাফেরা সব কিছুর সময় যেন সাবধানতা অবলম্বন করে থাকে। বেশিক্ষণ রোদে না থাকা, ছায়ায় থাকা। বিশেষ করে প্রচুর পানি খাওয়া। আমরা স্যালাইন, পানি, ছোট ছোট ছাতা, ক্যাপ; আমাদের দলের এবং সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব আমরা কিন্তু মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি।’
আমেরিকায় বাংলাদেশি হত্যার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘প্রতিবাদ শুধু এখানেই না, আমেরিকায় বসেও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। বিভিন্ন স্কুল, বিভিন্ন শপিং মল, রেস্টুরেন্টে অনবরত গুলি করা হচ্ছে আর মানুষ মারা যাচ্ছে। তাদের সেদিকে নজর দেওয়া উচিত। তাদের দেশে এই যে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। গুলি করে একেবারে সাধারণ নিরীহ মানুষগুলোকে হত্যা করা হচ্ছে। এটাও তো তাদের দেখা উচিত। নিজের ঘর আগে সামলানো উচিত। এর আগেও বাংলাদেশি কয়েকজনকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি। আমাদের যেটুকু করার সেটা আমরা করে যাচ্ছি।’
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘সরকার গঠনের পর এইবার প্রথম বিদেশ সফর করলাম থাইল্যান্ডে। বলতে গেলে, ঘরের কাছের পড়শি দেশ। আমি সব সময় বন্ধুত্বকে গুরুত্ব দেই। থাইল্যান্ডের খাদ্য, ফসল, ফল উৎপাদনে অনেক গবেষণা ও উৎকর্ষ আছে। এসব ক্ষেত্রে মতবিনিময় করছি। গবেষণা কীভাবে দুই দেশ ভাগাভাগি করতে পারে, অভিজ্ঞতা নিজেদের মধ্যে ব্যবহার করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীরা বিনা ভিসায় সেখানে (থাইল্যান্ডে) যেতে পারবে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সহজে পণ্য রপ্তানি-আমদানি সহজভাবে করতে পারব। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ থাইল্যান্ড যেহেতু পর্যটন ক্ষেত্রে অগ্রগামী—সেই অভিজ্ঞতাটাও আমরা নিতে পারি। সেখানে (পর্যটনে) বিনিয়োগ করতে পারবে, আমরা জায়গাও দিতে পারব। পাশাপাশি আমাদের যে ৮০ মাইল লম্বা বালুকাময় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত আছে, সেখানেও বিনিয়োগ করতে আহ্বান জানিয়েছি। সেখানে জায়গা চাইলে আমরা দেব।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে যতটুকু সহায়তা দরকার তা করবে থাইল্যান্ড।’ বৃহস্পতিবার গণভবনে থাইল্যান্ড সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। তবুও থাইল্যান্ড চেষ্টা চালাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে।’
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও মিয়ানমার প্রসঙ্গে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে যারা আমাদের এখানে আশ্রয় নিয়েছে তাদের প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে আমরা আলোচনা করেছি। মিয়ানমারের ওপর থাইল্যান্ডের একটা প্রভাব আছে। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী (সেরেথা থাভাইসিন) বলেছেন, তিনি এটা আরও গভীরভাবে দেখবেন। প্রত্যাবর্তনের যতটা সহযোগিতা দরকার, সেটা তিনি করবেন। এ কথা তিনি দিয়েছেন।’
যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি দুইজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকানকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, এ ব্যাপারে আপনি প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এর বিচার দাবির কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না? হিট স্ট্রোকে সারা বাংলাদেশ আক্রান্ত। এটাকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করলে যাদের মৃত্যু হয়েছে তারা এক ধরনের সরকারি সুবিধা পায়। এ বিষয়ে আপনার ভাবনা কী—গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গরম পড়াটা কিন্তু খুব নতুন কিছু না। এর আগেও কিন্তু এই হিট স্ট্রোক হয়েছে এবং সব সময় হয়। তবে সাধারণত বৈশাখ মাসে কালবৈশাখী হতো, এবার কালবৈশাখীটা পিছিয়ে গেছে। যার জন্য প্রচণ্ড গরম।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দলের পক্ষ থেকে, সহযোগী সংগঠন থেকে শুরু করে সকলে পানি বিতরণ করা, মানুষকে নানা রকমের সহযোগিতা দেওয়া, আমরা কিন্তু সেটা দিয়ে যাচ্ছি। আর যারা মারা গেছে, অবশ্যই এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে আমরা সবাইকে সাবধান করে দিচ্ছি যে, চলাফেরা সব কিছুর সময় যেন সাবধানতা অবলম্বন করে থাকে। বেশিক্ষণ রোদে না থাকা, ছায়ায় থাকা। বিশেষ করে প্রচুর পানি খাওয়া। আমরা স্যালাইন, পানি, ছোট ছোট ছাতা, ক্যাপ; আমাদের দলের এবং সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব আমরা কিন্তু মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি।’
আমেরিকায় বাংলাদেশি হত্যার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘প্রতিবাদ শুধু এখানেই না, আমেরিকায় বসেও প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। বিভিন্ন স্কুল, বিভিন্ন শপিং মল, রেস্টুরেন্টে অনবরত গুলি করা হচ্ছে আর মানুষ মারা যাচ্ছে। তাদের সেদিকে নজর দেওয়া উচিত। তাদের দেশে এই যে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। গুলি করে একেবারে সাধারণ নিরীহ মানুষগুলোকে হত্যা করা হচ্ছে। এটাও তো তাদের দেখা উচিত। নিজের ঘর আগে সামলানো উচিত। এর আগেও বাংলাদেশি কয়েকজনকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি। আমাদের যেটুকু করার সেটা আমরা করে যাচ্ছি।’
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘সরকার গঠনের পর এইবার প্রথম বিদেশ সফর করলাম থাইল্যান্ডে। বলতে গেলে, ঘরের কাছের পড়শি দেশ। আমি সব সময় বন্ধুত্বকে গুরুত্ব দেই। থাইল্যান্ডের খাদ্য, ফসল, ফল উৎপাদনে অনেক গবেষণা ও উৎকর্ষ আছে। এসব ক্ষেত্রে মতবিনিময় করছি। গবেষণা কীভাবে দুই দেশ ভাগাভাগি করতে পারে, অভিজ্ঞতা নিজেদের মধ্যে ব্যবহার করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীরা বিনা ভিসায় সেখানে (থাইল্যান্ডে) যেতে পারবে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সহজে পণ্য রপ্তানি-আমদানি সহজভাবে করতে পারব। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ থাইল্যান্ড যেহেতু পর্যটন ক্ষেত্রে অগ্রগামী—সেই অভিজ্ঞতাটাও আমরা নিতে পারি। সেখানে (পর্যটনে) বিনিয়োগ করতে পারবে, আমরা জায়গাও দিতে পারব। পাশাপাশি আমাদের যে ৮০ মাইল লম্বা বালুকাময় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত আছে, সেখানেও বিনিয়োগ করতে আহ্বান জানিয়েছি। সেখানে জায়গা চাইলে আমরা দেব।’

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হতে পারে।
১৬ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দলীয় তদন্ত পরিচালনা করা হয়। সেই তদন্তে তাঁর নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
২ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘ব্যবসায় সফলতার জন্য সরকারের ব্যবসায়ী নীতিও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, একই সঙ্গে সামর্থ্যও আছে। বাংলাদেশে নিরাপদ বিদেশি বিনিয়োগ দরকার। ট্যাক্স, ভ্যাট প্রক্রিয়া সহজ করে বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করার দিকে জোর দিয়েছি। বাংলাদেশ টেকসই ও স্থায়ী বিদেশী বিনিয়োগ চায়, আমরা এক
২ দিন আগে