
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমিও সশস্ত্র বাহিনীর পরিবারের সন্তান। সশস্ত্র বাহিনীকে আমরা আরও শক্তিশালী করতে চাই। যেকোনো দেশে সশস্ত্র বাহিনী যে কারণে গঠিত হয়, আমরা সেই উদ্দেশ্যই পূর্ণ করতে চাই এবং আমরা যেন সকলে দেশের জন্য কাজ করতে পারি।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে আগারগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সকালে রাজধানীর পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ দিন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটের দিকে তিনি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা তাকে স্বাগত জানান।
দীর্ঘ দেড়যুগ পর আবারও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে ফিরেছে ঐতিহ্যবাহী কুচকাওয়াজ। এ দিন জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অংশগ্রহণে স্থল ও আকাশে প্রদর্শিত হয় দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা। প্যারেডে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। ঘোড়ায় চড়ে প্যারেড কমান্ডারের প্রবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল কুচকাওয়াজ।
এবারের কুচকাওয়াজে সাজোয়া, আর্টিলারি, সিগনালস, ইস্ট বেঙ্গল, এয়ার ডিফেন্স, সার্ভিসেস, প্যারা কমান্ডো, নৌবাহিনী ও আধুনিকায়িত ইনফ্যান্ট্রি কন্টিনজেন্ট অংশগ্রহণ করে। পাশাপাশি আকাশপথে প্যারাট্রুপাররা জাতীয় পতাকা নিয়ে অবতরণ করেন। সেই সঙ্গে বিমান বাহিনী বিভিন্ন কৌশলগত প্রদর্শনী তুলে ধরে।
উল্লেখ্য, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর পরই তিনি যান মুক্তিযুদ্ধের স্যাক্টর কমান্ডার বীর উত্তম জিয়াউর রহমান ও সাবেক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমিও সশস্ত্র বাহিনীর পরিবারের সন্তান। সশস্ত্র বাহিনীকে আমরা আরও শক্তিশালী করতে চাই। যেকোনো দেশে সশস্ত্র বাহিনী যে কারণে গঠিত হয়, আমরা সেই উদ্দেশ্যই পূর্ণ করতে চাই এবং আমরা যেন সকলে দেশের জন্য কাজ করতে পারি।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে আগারগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সকালে রাজধানীর পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ দিন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটের দিকে তিনি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা তাকে স্বাগত জানান।
দীর্ঘ দেড়যুগ পর আবারও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে ফিরেছে ঐতিহ্যবাহী কুচকাওয়াজ। এ দিন জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অংশগ্রহণে স্থল ও আকাশে প্রদর্শিত হয় দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা। প্যারেডে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। ঘোড়ায় চড়ে প্যারেড কমান্ডারের প্রবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল কুচকাওয়াজ।
এবারের কুচকাওয়াজে সাজোয়া, আর্টিলারি, সিগনালস, ইস্ট বেঙ্গল, এয়ার ডিফেন্স, সার্ভিসেস, প্যারা কমান্ডো, নৌবাহিনী ও আধুনিকায়িত ইনফ্যান্ট্রি কন্টিনজেন্ট অংশগ্রহণ করে। পাশাপাশি আকাশপথে প্যারাট্রুপাররা জাতীয় পতাকা নিয়ে অবতরণ করেন। সেই সঙ্গে বিমান বাহিনী বিভিন্ন কৌশলগত প্রদর্শনী তুলে ধরে।
উল্লেখ্য, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর পরই তিনি যান মুক্তিযুদ্ধের স্যাক্টর কমান্ডার বীর উত্তম জিয়াউর রহমান ও সাবেক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষের আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পরও রাষ্ট্র ও প্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আমি দেখছি যে, কিছুই বদলায়নি।’
৯ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উভয়েই একমত, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং আমি যেমন সবসময় বলি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’
১৩ ঘণ্টা আগে
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
১ দিন আগে
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিল্লি যাবেন কি না— এমন প্রশ্নের উত্তরে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘এ সিদ্ধান্ত নেবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এটি সম্পূর্ণ তার বিষয়। তবে আমরা অধীর আগ্রহে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের অপেক্ষায় আছি।’
১ দিন আগে