
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডা বার্জ ভন লিন্ডের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
সুইডেনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘প্রায় ৪০ বছর ধরে তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সুইডেন ও সুইডেনের কোম্পানি কাজ করছে। এর মধ্যে এইচঅ্যান্ডএম, আইকিয়া ও লিন্ডেক্স অন্যতম। বাংলাদেশ ও সুইডেন যৌথভাবে তৈরি পোশাক খাতে গ্রিন ট্রানজিশনের জন্য অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে ১২ হাজার ৪৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন চলমান ও প্রক্রিয়াধীন। ৩ হাজার ২৫৩ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চলমান এবং আরও ৭ হাজার ৮৬১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বায়ু বিদ্যুৎ নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন, যদিও এরইমধ্যে উইন্ড ম্যাপিং সম্পন্ন হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৪০ শতাংশ হবে পরিষ্কার বিদ্যুৎ। আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ সহনীয় মূল্যে সবার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা। নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন। স্মার্ট গ্রিড এবং সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আরও আধুনিক করা দরকার। সরকার চেষ্টা করছে, জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়াতে।’
সাক্ষাতকালে সুইডেন দূতাবাসের পলিটিকাল, ড্রেড অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান লভিসা হোফম্যান উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডা বার্জ ভন লিন্ডের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
সুইডেনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘প্রায় ৪০ বছর ধরে তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সুইডেন ও সুইডেনের কোম্পানি কাজ করছে। এর মধ্যে এইচঅ্যান্ডএম, আইকিয়া ও লিন্ডেক্স অন্যতম। বাংলাদেশ ও সুইডেন যৌথভাবে তৈরি পোশাক খাতে গ্রিন ট্রানজিশনের জন্য অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে ১২ হাজার ৪৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন চলমান ও প্রক্রিয়াধীন। ৩ হাজার ২৫৩ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চলমান এবং আরও ৭ হাজার ৮৬১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বায়ু বিদ্যুৎ নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন, যদিও এরইমধ্যে উইন্ড ম্যাপিং সম্পন্ন হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৪০ শতাংশ হবে পরিষ্কার বিদ্যুৎ। আমাদের অন্যতম চ্যালেঞ্জ সহনীয় মূল্যে সবার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা। নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন। স্মার্ট গ্রিড এবং সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আরও আধুনিক করা দরকার। সরকার চেষ্টা করছে, জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ বাড়াতে।’
সাক্ষাতকালে সুইডেন দূতাবাসের পলিটিকাল, ড্রেড অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান লভিসা হোফম্যান উপস্থিত ছিলেন।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দলীয় তদন্ত পরিচালনা করা হয়। সেই তদন্তে তাঁর নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
২ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘ব্যবসায় সফলতার জন্য সরকারের ব্যবসায়ী নীতিও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, একই সঙ্গে সামর্থ্যও আছে। বাংলাদেশে নিরাপদ বিদেশি বিনিয়োগ দরকার। ট্যাক্স, ভ্যাট প্রক্রিয়া সহজ করে বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করার দিকে জোর দিয়েছি। বাংলাদেশ টেকসই ও স্থায়ী বিদেশী বিনিয়োগ চায়, আমরা এক
২ দিন আগে