
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু’র ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে চলছে রাজনৈতিক বিতর্ক। প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে।
তবে এবারের সফরে ঢাকা এসে বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি ইস্যুতে আলোচনায় থাকা মার্কিন কর্মকর্তা লু।
বাংলাদেশে এসেই তিনি ফুচকা ও ঝালমুড়ির স্বাদ নিয়েছেন। ফুচকা বাংলাদেশের একটি অতি জনপ্রিয় সুস্বাদু মুখরোচক খাবার। একইভাবে ঝালমুড়িও এদেশের প্রচলিত একটি খাবার যা মুড়ি, চানাচুর ও অন্যান্য মসলা দিয়ে তৈরি করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পেজে আপলোড করা ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ডোনাল্ড লু বাংলাদেশি জনপ্রিয় খাবার ফুচকা ও ঝালমুড়ির স্বাদ নিচ্ছেন। এ সময় তার পাশে ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।
সেলিব্রিটি শেফ রহিমা সুলতানার তৈরি ফুচকা ও ঝালমুড়ির স্বাদ নিয়েছেন তারা। খাওয়া শেষে ডোনাল্ড লু ও রাষ্ট্রদূত পিটার হাস সমবেত কণ্ঠে বলেন, ‘বাংলাদেশের ফুচকা ইজ দ্য বেস্ট।’
এটাকে ফুচকা বা ঝালমুড়ি কূটনীতি হিসেবে অভিহিত করেছেন কেউ কেউ। তাঁরা বলছেন, বাংলাদেশে দ্বাদশ নির্বাচনের পরে বর্তমান সরকার শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।
ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকারসহ সামগ্রিক মানবাধিকারের বিষয়গুলো যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান উপাদান। এ বিষয়গুলো আলোচনা থেকে হারিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
তবে বাংলাদেশের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিকে বিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়গুলোকে তেমনভাবে আর প্রকাশ্যে আনছে না। বিষয়গুলো যাতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পথে বাধা না হয়, তা বিবেচনায় নিয়ে সহযোগিতার অন্য উপাদানগুলোকে সামনে রেখেই এগিয়ে যেতে চাইছে ঢাকা-ওয়াশিংটন।
এ অবস্থায় ডোনাল্ড লু’র ফুচকা-ঝালমুড়ি কূটনীতি দুপক্ষের শীতল সম্পর্ক হাল্কা করার প্রতীক হতে পারে।
এ বিষয়ে সরকারের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কূটনীতির ধরাবাধা কোনো ভাষা নেই। একটি দেশের মানুষের কাছে সহজে পৌঁছানোর উপায় হলো তাদের সংস্কৃতি ধারণ করা। ডোনাল্ড লু সেই চেষ্টা করেছেন। এটা দারুণ। এর আগে আমরা ক্রিকেট কূটনীতি, আম কূটনীতি, ইলিশ কূটনীতির সাক্ষী হয়েছি।
ক্ষুদ্র ভিডিওটির সাথে ট্যাগ করা একটি বার্তায় লেখা হয়েছে, ‘পূর্ব বা পশ্চিম, ফুচকাই সেরা! ভাবুন তো কী রান্না হয়েছে! আমরা ফুচকা এবং ঝালমুড়ির সঙ্গে স্বাদের মিশ্রণ করতে সেলিব্রিটি শেফ রহিমা সুলতানার সঙ্গে দল বেঁধেছি!’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. এহসানুল হক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের উন্নয়নের বড় অংশীদার। এই বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। আবার চীনের প্রভাব কমিয়ে আনাসহ দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কতগুলো কৌশলগত স্বার্থ আছে। এখন বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে যদি কোনো দুরত্ব থাকে, সেখানে চীনের প্রভাব বড় একটি ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে। সে কারণে বাংলাদেশসহ এই এলাকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বহুবিধ পরিকল্পনা আছে। এ কারণে এই সফরকে সরকারের জন্য অসস্তি নয়, বড় সুযোগ হিসেবে দেখি।”
তিনি বলেন, “আমি মনে করি সরকার এখন যথেষ্ঠ সুসংগঠিত হয়েছে। এখন নিজেদের স্বার্থ প্রমোট করে সম্পর্ক আরো এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে।”
ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে তিন দিনের সরকারি সফরে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা পৌঁছান ডোনাল্ড লু।

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু’র ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে চলছে রাজনৈতিক বিতর্ক। প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে।
তবে এবারের সফরে ঢাকা এসে বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি ইস্যুতে আলোচনায় থাকা মার্কিন কর্মকর্তা লু।
বাংলাদেশে এসেই তিনি ফুচকা ও ঝালমুড়ির স্বাদ নিয়েছেন। ফুচকা বাংলাদেশের একটি অতি জনপ্রিয় সুস্বাদু মুখরোচক খাবার। একইভাবে ঝালমুড়িও এদেশের প্রচলিত একটি খাবার যা মুড়ি, চানাচুর ও অন্যান্য মসলা দিয়ে তৈরি করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পেজে আপলোড করা ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ডোনাল্ড লু বাংলাদেশি জনপ্রিয় খাবার ফুচকা ও ঝালমুড়ির স্বাদ নিচ্ছেন। এ সময় তার পাশে ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।
সেলিব্রিটি শেফ রহিমা সুলতানার তৈরি ফুচকা ও ঝালমুড়ির স্বাদ নিয়েছেন তারা। খাওয়া শেষে ডোনাল্ড লু ও রাষ্ট্রদূত পিটার হাস সমবেত কণ্ঠে বলেন, ‘বাংলাদেশের ফুচকা ইজ দ্য বেস্ট।’
এটাকে ফুচকা বা ঝালমুড়ি কূটনীতি হিসেবে অভিহিত করেছেন কেউ কেউ। তাঁরা বলছেন, বাংলাদেশে দ্বাদশ নির্বাচনের পরে বর্তমান সরকার শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।
ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, গণতন্ত্র, নাগরিক অধিকারসহ সামগ্রিক মানবাধিকারের বিষয়গুলো যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান উপাদান। এ বিষয়গুলো আলোচনা থেকে হারিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
তবে বাংলাদেশের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিকে বিবেচনায় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়গুলোকে তেমনভাবে আর প্রকাশ্যে আনছে না। বিষয়গুলো যাতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পথে বাধা না হয়, তা বিবেচনায় নিয়ে সহযোগিতার অন্য উপাদানগুলোকে সামনে রেখেই এগিয়ে যেতে চাইছে ঢাকা-ওয়াশিংটন।
এ অবস্থায় ডোনাল্ড লু’র ফুচকা-ঝালমুড়ি কূটনীতি দুপক্ষের শীতল সম্পর্ক হাল্কা করার প্রতীক হতে পারে।
এ বিষয়ে সরকারের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কূটনীতির ধরাবাধা কোনো ভাষা নেই। একটি দেশের মানুষের কাছে সহজে পৌঁছানোর উপায় হলো তাদের সংস্কৃতি ধারণ করা। ডোনাল্ড লু সেই চেষ্টা করেছেন। এটা দারুণ। এর আগে আমরা ক্রিকেট কূটনীতি, আম কূটনীতি, ইলিশ কূটনীতির সাক্ষী হয়েছি।
ক্ষুদ্র ভিডিওটির সাথে ট্যাগ করা একটি বার্তায় লেখা হয়েছে, ‘পূর্ব বা পশ্চিম, ফুচকাই সেরা! ভাবুন তো কী রান্না হয়েছে! আমরা ফুচকা এবং ঝালমুড়ির সঙ্গে স্বাদের মিশ্রণ করতে সেলিব্রিটি শেফ রহিমা সুলতানার সঙ্গে দল বেঁধেছি!’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. এহসানুল হক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের উন্নয়নের বড় অংশীদার। এই বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। আবার চীনের প্রভাব কমিয়ে আনাসহ দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কতগুলো কৌশলগত স্বার্থ আছে। এখন বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে যদি কোনো দুরত্ব থাকে, সেখানে চীনের প্রভাব বড় একটি ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে। সে কারণে বাংলাদেশসহ এই এলাকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বহুবিধ পরিকল্পনা আছে। এ কারণে এই সফরকে সরকারের জন্য অসস্তি নয়, বড় সুযোগ হিসেবে দেখি।”
তিনি বলেন, “আমি মনে করি সরকার এখন যথেষ্ঠ সুসংগঠিত হয়েছে। এখন নিজেদের স্বার্থ প্রমোট করে সম্পর্ক আরো এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে।”
ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে তিন দিনের সরকারি সফরে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা পৌঁছান ডোনাল্ড লু।

দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দলীয় তদন্ত পরিচালনা করা হয়। সেই তদন্তে তাঁর নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
১ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘ব্যবসায় সফলতার জন্য সরকারের ব্যবসায়ী নীতিও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, একই সঙ্গে সামর্থ্যও আছে। বাংলাদেশে নিরাপদ বিদেশি বিনিয়োগ দরকার। ট্যাক্স, ভ্যাট প্রক্রিয়া সহজ করে বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করার দিকে জোর দিয়েছি। বাংলাদেশ টেকসই ও স্থায়ী বিদেশী বিনিয়োগ চায়, আমরা এক
২ দিন আগে