
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবন দিয়ে হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের স্মার্ট প্যানেলের মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু। আজ শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর গজ্নবি রোডে মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু বলেন, শেখ হাসিনাকে বাংলার জনগণ আবারও ৫ বছরের জন্য ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে। নেএী দায়িত্ব পালন করছেন। মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবন দিয়ে হলেও শেখ হাসিনাকে রক্ষা করবে।
সারাদেশের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তানদের স্হানীয় সংসদ সদস্য, জেলা উপজেলায় স্হানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে সমন্বয় করে রাজপথে থাকার আহবান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, আপনি আমাদের নেতা আমরা আপনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছি। দুই এক জন কেন জানি মুক্তিযোদ্বাদের ঐক্যের নামে অনৈক্য সৃষ্টি করছে। আমরা এ-সব বিষয় সরাসরি আপনার সাথে কথা বলে বিস্তারিত ভাবে জানাইতে চাই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক সেনাপ্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা লে. জেনারেল হারুনুর রশীদ বীর প্রতিক বলেন, মুক্তিযোদ্বাদের নিয়ে কটুক্তি আর অসম্মান করলে আমরা বসে থাকবো না।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল নির্বাচন এর স্মার্ট প্যানেল, খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবার, ও মুক্তিযোদ্বার সন্তান ও প্রজন্ম কমান্ড যৌথভাবে এই সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন হাজী বাহার উদ্দিন রেজা বীর প্রতিক।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী বীর প্রতিক, মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের সেক্রেটারী মোঃ শহীদ বিল্লাহ বকুল ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল করিম সরকার,যুগ্ন মহাসচিব প্রার্থী মোঃ আবুল কাসেম, মোঃ শাহজাহান, জামাল খান, আমরা মুক্তি যোদ্ধা সন্তানের সভাপতি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির, সেক্রেটারী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নয়ন মুক্তিযুদ্ব মঞ্চের সেক্রেটারী মোঃ মামুন, মুক্তি যোদ্ধার সন্তান আইনজীবী কমিটির সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবদুর রশীদ, জয়, আবু সাইদ প্রমুখ।
মুক্তিযোদ্ধার পরিবার পরিজন সন্তানেরা বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছবি ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে সমাবেশে যোগ দেয়।

মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবন দিয়ে হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের স্মার্ট প্যানেলের মহাসচিব সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু। আজ শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর গজ্নবি রোডে মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সফিকুল বাহার মজুমদার টিপু বলেন, শেখ হাসিনাকে বাংলার জনগণ আবারও ৫ বছরের জন্য ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে। নেএী দায়িত্ব পালন করছেন। মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবন দিয়ে হলেও শেখ হাসিনাকে রক্ষা করবে।
সারাদেশের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তানদের স্হানীয় সংসদ সদস্য, জেলা উপজেলায় স্হানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে সমন্বয় করে রাজপথে থাকার আহবান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, আপনি আমাদের নেতা আমরা আপনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছি। দুই এক জন কেন জানি মুক্তিযোদ্বাদের ঐক্যের নামে অনৈক্য সৃষ্টি করছে। আমরা এ-সব বিষয় সরাসরি আপনার সাথে কথা বলে বিস্তারিত ভাবে জানাইতে চাই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক সেনাপ্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা লে. জেনারেল হারুনুর রশীদ বীর প্রতিক বলেন, মুক্তিযোদ্বাদের নিয়ে কটুক্তি আর অসম্মান করলে আমরা বসে থাকবো না।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল নির্বাচন এর স্মার্ট প্যানেল, খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবার, ও মুক্তিযোদ্বার সন্তান ও প্রজন্ম কমান্ড যৌথভাবে এই সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন হাজী বাহার উদ্দিন রেজা বীর প্রতিক।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী বীর প্রতিক, মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের সেক্রেটারী মোঃ শহীদ বিল্লাহ বকুল ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল করিম সরকার,যুগ্ন মহাসচিব প্রার্থী মোঃ আবুল কাসেম, মোঃ শাহজাহান, জামাল খান, আমরা মুক্তি যোদ্ধা সন্তানের সভাপতি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির, সেক্রেটারী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নয়ন মুক্তিযুদ্ব মঞ্চের সেক্রেটারী মোঃ মামুন, মুক্তি যোদ্ধার সন্তান আইনজীবী কমিটির সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবদুর রশীদ, জয়, আবু সাইদ প্রমুখ।
মুক্তিযোদ্ধার পরিবার পরিজন সন্তানেরা বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছবি ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে সমাবেশে যোগ দেয়।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৪ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে