
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সঙ্গে ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে যুক্ত মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক শুরু হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকে বসলেন তারা।
সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় যমুনায় শরিক দলের নেতাদের জন্য প্রস্তুত করে রাখা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট স্থানে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে প্রতিটি টেবিল ঘুরে নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পরে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার আগেই নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের যমুনায় হাজির হন।
বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়া গণসংহতি আন্দোলনের নেতা জোনায়েদ সাকি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরও বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
বাসস জানিয়েছে, গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট, সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট, গণতান্ত্রিক বাম জোট, ইসলামী ঐক্যজোটসহ ইসলামী দলগুলোকেও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সব মিলিয়ে আমন্ত্রিত শরিক দলের সংখ্যা ৪১টি। এসব দলের প্রতিনিধিসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আন্দোলনের সময়ে গঠিত লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত আছেন।
বিএনপির মিডিয়া উইং জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য শরিক দল ও জোটের নেতাদের যমুনায় আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যু ছাড়াও জোটসঙ্গীদের দেওয়া বিএনপির প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সঙ্গে ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে যুক্ত মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক শুরু হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকে বসলেন তারা।
সন্ধ্যা ৭টা ২৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় যমুনায় শরিক দলের নেতাদের জন্য প্রস্তুত করে রাখা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নির্দিষ্ট স্থানে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে প্রতিটি টেবিল ঘুরে নেতাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পরে সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শুরু হয়।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার আগেই নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের যমুনায় হাজির হন।
বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়া গণসংহতি আন্দোলনের নেতা জোনায়েদ সাকি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরও বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।
বাসস জানিয়েছে, গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট, সমমনা জাতীয়তাবাদী জোট, গণতান্ত্রিক বাম জোট, ইসলামী ঐক্যজোটসহ ইসলামী দলগুলোকেও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সব মিলিয়ে আমন্ত্রিত শরিক দলের সংখ্যা ৪১টি। এসব দলের প্রতিনিধিসহ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও আন্দোলনের সময়ে গঠিত লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত আছেন।
বিএনপির মিডিয়া উইং জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য শরিক দল ও জোটের নেতাদের যমুনায় আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যু ছাড়াও জোটসঙ্গীদের দেওয়া বিএনপির প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
১ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১ দিন আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
২ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
২ দিন আগে