
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, অসত্য, মনগড়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রতিহিংসামূলক বলে দাবি করেছেন দলটির নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে হাসানুল হক ইনুর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো জাসদের দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট দুপুর ১টায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হারানোর পর কুষ্টিয়া শহরে বিভিন্ন ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যুর জন্য হাসানুল হক ইনুকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অথচ ট্রাইব্যুনাল নিজেরাই বলেছেন, তারা ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগষ্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাষ্ট্র ক্ষমতা হারানোর পূর্ববর্তী সময়কালের ঘটনাবলীর বিচার করতে বসেছেন।
জাসদের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রসিকিউশন হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে টেলিভিশন টক শো’তে তার বক্তব্য, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথিত ফোনালাপ, কুষ্টিয়ার এসপির সাথে কথিত ফোনালাপকে প্রধান সাক্ষ্য ও প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করেছে। প্রসিকিউশন তাদের উপস্থাপিত এসকল সাক্ষ্যতে হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার উসকনি দেওয়া বা কুষ্টিয়া এসপিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়া বা কোনো ধরনের হত্যার পক্ষে সম্মতি প্রদানের কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগষ্ট পর্যন্ত সয়কালে হাসানুল হক ইনু কোনো সরকারি বা প্রশাসনিক দায়িত্বে ছিলেন না, তিনি মন্ত্রী এমনকি এমপিও ছিলেন না। পুলিশ বা প্রশাসনকে কোনো নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা বা এখতিয়ারও তার ছিল না। ওই সময়কালে কোনো রাষ্ট্রীয় বা সরকারি বা প্রশাসনকি সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা নির্দেশ প্রদানকে সামান্যতম প্রভাবিত করার কোনো সুযোগ তার ছিল না। তারপরও প্রসিকিউশন তার ওপর সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির দায় চাপানোর অপচেষ্টা করেছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই হাসানুল হক ইনুকে টার্গেট করা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত সাক্ষ্যদি এবং সাক্ষীদের সাওয়াল-জবাবে এতটাই স্ববিরোধীতা, অসত্য প্রকাশিত হয়েছে যে, সেগুলোই যথেষ্ঠভাবে প্রমাণ করে হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, অসত্য, মনগড়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রতিহিংসামূলক।
রাজনীতি/এসআই

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, অসত্য, মনগড়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রতিহিংসামূলক বলে দাবি করেছেন দলটির নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে হাসানুল হক ইনুর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
রবিবার গণমাধ্যমে পাঠানো জাসদের দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট দুপুর ১টায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হারানোর পর কুষ্টিয়া শহরে বিভিন্ন ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যুর জন্য হাসানুল হক ইনুকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অথচ ট্রাইব্যুনাল নিজেরাই বলেছেন, তারা ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগষ্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাষ্ট্র ক্ষমতা হারানোর পূর্ববর্তী সময়কালের ঘটনাবলীর বিচার করতে বসেছেন।
জাসদের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রসিকিউশন হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে টেলিভিশন টক শো’তে তার বক্তব্য, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথিত ফোনালাপ, কুষ্টিয়ার এসপির সাথে কথিত ফোনালাপকে প্রধান সাক্ষ্য ও প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করেছে। প্রসিকিউশন তাদের উপস্থাপিত এসকল সাক্ষ্যতে হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার উসকনি দেওয়া বা কুষ্টিয়া এসপিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়া বা কোনো ধরনের হত্যার পক্ষে সম্মতি প্রদানের কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৫ আগষ্ট পর্যন্ত সয়কালে হাসানুল হক ইনু কোনো সরকারি বা প্রশাসনিক দায়িত্বে ছিলেন না, তিনি মন্ত্রী এমনকি এমপিও ছিলেন না। পুলিশ বা প্রশাসনকে কোনো নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা বা এখতিয়ারও তার ছিল না। ওই সময়কালে কোনো রাষ্ট্রীয় বা সরকারি বা প্রশাসনকি সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা নির্দেশ প্রদানকে সামান্যতম প্রভাবিত করার কোনো সুযোগ তার ছিল না। তারপরও প্রসিকিউশন তার ওপর সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির দায় চাপানোর অপচেষ্টা করেছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই হাসানুল হক ইনুকে টার্গেট করা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত সাক্ষ্যদি এবং সাক্ষীদের সাওয়াল-জবাবে এতটাই স্ববিরোধীতা, অসত্য প্রকাশিত হয়েছে যে, সেগুলোই যথেষ্ঠভাবে প্রমাণ করে হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, অসত্য, মনগড়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রতিহিংসামূলক।
রাজনীতি/এসআই

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
২ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে