সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি বিএনপি

বিবিসি বাংলা
আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১: ২১
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি। সংসদ ভবনে শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে দলীয় এমপিদের বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তারা আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিচ্ছেন না।

সালাহউদ্দিন আহমদ যখন এই ঘোষণা দেন তখন সেখানে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ নির্বাচনে জয়ী সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ সাদা ও নীল রংয়ের দুটি ফরম হাতে নিয়ে বলেন, “আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হইনি এবং সংবিধানে এখনো এটা ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে। এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যকে কে শপথ নেওয়াবেন সেটার বিধান করতে হবে"।

"এমন ফরম সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে আসবে। সেগুলো সাংবিধানিকভাবে সংসদে গৃহীত হওয়ার পরে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধান করা যাবে। আমরা সংবিধান মেনে এ পর্যন্ত চলেছি। আশা করি সামনের দিনেও চলবো”।

এরপর তিনি দলীয় সদস্যদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, “আমি মাননীয় চেয়ারম্যানের নির্দেশে ওনার উপস্থিতিতে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত জানালাম”।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

রাষ্ট্রপতির সংসদে বক্তব্য দেওয়ার অধিকার নেই: তাহের

রাষ্ট্রপতির সংসদীয় ভাষণের প্রাক্কালে জামায়াত নেতার এমন অবস্থান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

১১ ঘণ্টা আগে

‘ভবিষ্যৎবাণী’: জয়নুল আবদিন ফারুককে সতর্ক করল বিএনপি

দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। সেখানে দেওয়া তার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

১১ ঘণ্টা আগে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করতে চাচ্ছে বিএনপি : সারজিস

তার মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যোগ্যতার মানদণ্ড তুলে দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অতীতে আওয়ামী লীগ শিক্ষা ব্যবস্থার মান ও গুণগত মান নষ্ট করে স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

১ দিন আগে

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদ ইসলামের

সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেন. বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ভালো উদ্যোগ। তারা নির্বাচনী ইশতেহারে কার্ডের ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলে ফ্যামিলি কার্ড হবে কেবল চোখ ধাঁধানো কর্মসূচি। অবিলম্বে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দা

১ দিন আগে