
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার আগমন ঘিরে আশপাশের এলাকা জুড়ে সড়কে নেতাকর্মীদের অবস্থান নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বলেছেন, রাস্তা বন্ধ করে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটালে এবং জনদুর্ভোগ তৈরি হলে তিনি আর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাবেন না।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এমন কড়া বার্তা দেন তিনি। এ দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেখানে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার প্রথম আগমন।
এর আগে তারেক রহমানের আগমন ঘিরে শনিবার দুপুর থেকেই নয়াপল্টনে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। সন্ধ্যার পর কাকরাইল থেকে বিজয়নগরসহ আশপাশের পুরো এলাকা বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীদের ভিড়ে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
রাতে কার্যালয়ে হাজির হয়ে এমন দৃশ্য দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, এভাবে রাস্তা বন্ধ করা যাবে না। স্বাভাবিকভাবে আমাদের অফিসে আসতে হবে, যেন জনজীবন ও যান চলাচল ব্যাহত না হয়।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করার পাশাপাশি দলের কাজ এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনে তিনি নিয়মিত অফিসে আসতে চান। কিন্তু তার আগমন ঘিরেব মানুষের ভোগান্তি তৈরি করা যাবে না। তিনি বলেন, যদি আমাকে নিয়মিত পল্টন অফিসে দেখতে চান, তাহলে রাস্তার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে হবে। মানুষের চলাচলে কোনো প্রকার বাধা বা বিঘ্ন তৈরি করা যাবে না।
এ সময় আধা ঘণ্টার মধ্যে রাস্তা পরিষ্কার করে মানুষের চলাচলের পথ করে দিতে বলেন তারেক রহমান। মানুষের প্রত্যাশার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, দেশে এখন অনেক সমস্যা আছে, আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম কাজ হচ্ছে রাস্তা ক্লিয়ার রাখা, যেন আমি অফিসে আসতে পারি।
তারেক রহমান বলেন, 'আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আমি আসব, না হলে আমার পক্ষে আসা সম্ভব হবে না।' এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা সমস্বরে তাকে নিয়মিত অফিসে যেতে অনুরোধ করেন।
জবাবে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আমি আরও দুয়েকদিন আসব এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করব। আপনারা যদি স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে না পারেন, তবে আমার আসা বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ আমি বা আমার দল সাধারণ মানুষের সমস্যার কারণ হতে চাই না।
নয়াপল্টন এলাকার সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের দুর্ভোগ কোনোভাবেই কাম্য নয়। মানুষ অনেক আশা নিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। তাই রাজধানীসহ সারা দেশে নেতাকর্মীদের কঠোরভাবে আইনশৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষের সমস্যা, কষ্ট বা অসুবিধা হয়— এমন কোনো কাজ কোনোভাবেই করা যাবে না।

নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার আগমন ঘিরে আশপাশের এলাকা জুড়ে সড়কে নেতাকর্মীদের অবস্থান নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বলেছেন, রাস্তা বন্ধ করে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটালে এবং জনদুর্ভোগ তৈরি হলে তিনি আর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাবেন না।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এমন কড়া বার্তা দেন তিনি। এ দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেখানে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার প্রথম আগমন।
এর আগে তারেক রহমানের আগমন ঘিরে শনিবার দুপুর থেকেই নয়াপল্টনে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। সন্ধ্যার পর কাকরাইল থেকে বিজয়নগরসহ আশপাশের পুরো এলাকা বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীদের ভিড়ে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
রাতে কার্যালয়ে হাজির হয়ে এমন দৃশ্য দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, এভাবে রাস্তা বন্ধ করা যাবে না। স্বাভাবিকভাবে আমাদের অফিসে আসতে হবে, যেন জনজীবন ও যান চলাচল ব্যাহত না হয়।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করার পাশাপাশি দলের কাজ এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনে তিনি নিয়মিত অফিসে আসতে চান। কিন্তু তার আগমন ঘিরেব মানুষের ভোগান্তি তৈরি করা যাবে না। তিনি বলেন, যদি আমাকে নিয়মিত পল্টন অফিসে দেখতে চান, তাহলে রাস্তার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে হবে। মানুষের চলাচলে কোনো প্রকার বাধা বা বিঘ্ন তৈরি করা যাবে না।
এ সময় আধা ঘণ্টার মধ্যে রাস্তা পরিষ্কার করে মানুষের চলাচলের পথ করে দিতে বলেন তারেক রহমান। মানুষের প্রত্যাশার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, দেশে এখন অনেক সমস্যা আছে, আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম কাজ হচ্ছে রাস্তা ক্লিয়ার রাখা, যেন আমি অফিসে আসতে পারি।
তারেক রহমান বলেন, 'আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আমি আসব, না হলে আমার পক্ষে আসা সম্ভব হবে না।' এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা সমস্বরে তাকে নিয়মিত অফিসে যেতে অনুরোধ করেন।
জবাবে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আমি আরও দুয়েকদিন আসব এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করব। আপনারা যদি স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে না পারেন, তবে আমার আসা বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ আমি বা আমার দল সাধারণ মানুষের সমস্যার কারণ হতে চাই না।
নয়াপল্টন এলাকার সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের দুর্ভোগ কোনোভাবেই কাম্য নয়। মানুষ অনেক আশা নিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। তাই রাজধানীসহ সারা দেশে নেতাকর্মীদের কঠোরভাবে আইনশৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষের সমস্যা, কষ্ট বা অসুবিধা হয়— এমন কোনো কাজ কোনোভাবেই করা যাবে না।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
১ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১ দিন আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
২ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
২ দিন আগে