
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৭ অক্টোবর) রাত ১টার দিকে মাহফুজকে তার জেলা শহরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন।
গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর আক্কেলপুর উপজেলার পূর্ব চকবিলা গ্রামের মৃত গোলাম রসুল চৌধুরীর ছেলে। তিনি বর্তমানে জেলা শহরের আলহেরা একাডেমি নগর এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৪ আগস্ট গুলিতে শিক্ষার্থী নজিবুল সরকার বিশাল মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মজিদুল সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করে ১২৮ জনের নামে হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরকে ৩০ নম্বর আসামি করা হয়।
এছাড়া গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পট পরিবর্তনের পর থানা এলাকায় গুলিতে মারা যান মেহেদী নামে এক অটোরিকশাচালক। নিহতের স্ত্রী জেসমিন আক্তার সৃষ্টি এ ঘটনায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদসহ ২১৭ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায়ও গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরকে ৫১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এ দুটি হত্যা মামলা ছাড়াও গোলাম মাহফুজ চৌধুরীর নামে সদর ও আক্কেলপুর থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
জয়পুরহাট থানার ওসি শাহেদ আল মামুন বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে সদর থানায় ১০টি মামলা হয়েছে। এসব মামলার প্রায় সবগুলোতেই গোলাম মাহফুজ চৌধুরীর নাম রয়েছে। সোমবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৭ অক্টোবর) রাত ১টার দিকে মাহফুজকে তার জেলা শহরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন।
গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর আক্কেলপুর উপজেলার পূর্ব চকবিলা গ্রামের মৃত গোলাম রসুল চৌধুরীর ছেলে। তিনি বর্তমানে জেলা শহরের আলহেরা একাডেমি নগর এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গত ৪ আগস্ট গুলিতে শিক্ষার্থী নজিবুল সরকার বিশাল মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মজিদুল সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করে ১২৮ জনের নামে হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরকে ৩০ নম্বর আসামি করা হয়।
এছাড়া গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পট পরিবর্তনের পর থানা এলাকায় গুলিতে মারা যান মেহেদী নামে এক অটোরিকশাচালক। নিহতের স্ত্রী জেসমিন আক্তার সৃষ্টি এ ঘটনায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদসহ ২১৭ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায়ও গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসরকে ৫১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। এ দুটি হত্যা মামলা ছাড়াও গোলাম মাহফুজ চৌধুরীর নামে সদর ও আক্কেলপুর থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
জয়পুরহাট থানার ওসি শাহেদ আল মামুন বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে সদর থানায় ১০টি মামলা হয়েছে। এসব মামলার প্রায় সবগুলোতেই গোলাম মাহফুজ চৌধুরীর নাম রয়েছে। সোমবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
২ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৩ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৪ দিন আগে