
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। রোববার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে রাজধানীর বনানী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ তালেবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা জানা যায়নি। পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইমরান আহমেদ সিলেট-৪ আসনের ছয়বারের সংসদ সদস্য। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর প্রথমে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। পরে তাকে এই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।
সবশেষ জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। তবে মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি তিনি।
গত ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এরপর তার মন্ত্রিসভার সদস্য ও আওয়ামী লীগের অনেক নেতা আত্মগোপনে চলে যান। তাদের অনেকের দেশ ছাড়ার খবরও পাওয়া যায়।
সরকার পতনের পর থেকেই আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্যদের অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। সবশেষ ইমরান আহমদ গ্রেপ্তার হলেন।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। রোববার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে রাজধানীর বনানী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ তালেবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা জানা যায়নি। পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইমরান আহমেদ সিলেট-৪ আসনের ছয়বারের সংসদ সদস্য। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর প্রথমে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। পরে তাকে এই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।
সবশেষ জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। তবে মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি তিনি।
গত ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এরপর তার মন্ত্রিসভার সদস্য ও আওয়ামী লীগের অনেক নেতা আত্মগোপনে চলে যান। তাদের অনেকের দেশ ছাড়ার খবরও পাওয়া যায়।
সরকার পতনের পর থেকেই আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্যদের অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। সবশেষ ইমরান আহমদ গ্রেপ্তার হলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
২ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৩ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৪ দিন আগে