
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৮তম জন্মদিন উদযাপনের জন্য সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ আহ্বান জানানো হয়।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। দলের নেতাকর্মীদের অনেকে রয়েছেন আত্মগোপনে। এমন পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপনের আহ্বান জানাল আওয়ামী লীগ।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৮তম জন্মদিন যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী-সমর্থক এবং দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, এ উপলক্ষে দেশের সব মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জায় তার দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনা এবং দেশবাসীর জীবনে চলমান দুর্যোগ থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে দোয়া, মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
ফেসবুক পোস্টে দাবি করা হয়, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী, উগ্রবাদী দেশি-বিদেশি চক্রের রক্তপাত-সন্ত্রাস-লুটতরাজের মাধ্যমে দেশ ধ্বংসের তৎপরতার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বর্তমানে প্রবাসে রয়েছেন। কিন্তু জাতির পিতা এবং বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামের লাখো শহীদের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য তার আজীবনের সংগ্রাম কখনো বৃথা যাবে না।
এতে বলা হয়, শেখ হাসিনা এবং তার লাখ লাখ ভক্ত, অনুসারীর সংগ্রাম অব্যাহত আছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা ১৯৭১ এবং ১৯৭৫-সহ অতীতে বারবার হয়েছে; ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সেই দুরভিসন্ধি সফল হয়নি।
ওই ফেসবুক পোস্টে আওয়ামী লীগ আরও বলেছে, সব বিভ্রান্তি-মিথ্যাচার-ভীতি-সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ অতিক্রম করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে উদ্ভাসিত হবে নতুন প্রজন্ম, শেখ হাসিনার মহান নেতৃত্বেই বাংলাদেশের সবুজ জমিনে উদিত হবে রক্তলাল সূর্য, লাখো কণ্ঠে ধ্বনিত হবে- “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। ”

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৮তম জন্মদিন উদযাপনের জন্য সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি। বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ আহ্বান জানানো হয়।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। দলের নেতাকর্মীদের অনেকে রয়েছেন আত্মগোপনে। এমন পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপনের আহ্বান জানাল আওয়ামী লীগ।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৮তম জন্মদিন যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী-সমর্থক এবং দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এতে আরও বলা হয়, এ উপলক্ষে দেশের সব মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জায় তার দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনা এবং দেশবাসীর জীবনে চলমান দুর্যোগ থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে দোয়া, মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
ফেসবুক পোস্টে দাবি করা হয়, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী, উগ্রবাদী দেশি-বিদেশি চক্রের রক্তপাত-সন্ত্রাস-লুটতরাজের মাধ্যমে দেশ ধ্বংসের তৎপরতার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বর্তমানে প্রবাসে রয়েছেন। কিন্তু জাতির পিতা এবং বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামের লাখো শহীদের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য তার আজীবনের সংগ্রাম কখনো বৃথা যাবে না।
এতে বলা হয়, শেখ হাসিনা এবং তার লাখ লাখ ভক্ত, অনুসারীর সংগ্রাম অব্যাহত আছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা ১৯৭১ এবং ১৯৭৫-সহ অতীতে বারবার হয়েছে; ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সেই দুরভিসন্ধি সফল হয়নি।
ওই ফেসবুক পোস্টে আওয়ামী লীগ আরও বলেছে, সব বিভ্রান্তি-মিথ্যাচার-ভীতি-সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ অতিক্রম করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে উদ্ভাসিত হবে নতুন প্রজন্ম, শেখ হাসিনার মহান নেতৃত্বেই বাংলাদেশের সবুজ জমিনে উদিত হবে রক্তলাল সূর্য, লাখো কণ্ঠে ধ্বনিত হবে- “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। ”

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে