
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলছেন, আজকে আমাকে ছেড়ে দেন, আজকে যাই। আমি তো ঘরের ছেলে, ইনশা আল্লাহ দুদিন পর আবার আসব। আপনারা দোয়া করবেন, আমি যেন দেশের জন্য কাজ করতে পারি।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বগুড়া সফর শেষে সিরাজগঞ্জ যাওয়ার পথে দুপুর ১টার দিকে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া বন্দরে তার গাড়িবহর থামিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন তারেক রহমান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৭ আসনের প্রার্থী মোর্শেদ মিলটন, শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক শাহীন, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান বিদ্যুৎসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্যে বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোর্শেদ মিলটনকে ভোট দিতে উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান।
তিনি রহমান বলেন, ‘আপনাদের এই এলাকার উন্নয়নসহ মানুষের দুঃখ-কষ্ট দেখভালের জন্য আমি মিল্টনকে দায়িত্ব দিয়ে গেছি। আপনারা ধানের শীষে ইনশা আল্লাহ ১২ তারিখে মিল্টনকে জয়যুক্ত করবেন। মিল্টনের মাধ্যমে গাবতলী ও শাজাহানপুর এলাকার মানুষের যত কাজ ইনশা আল্লাহ করব।’
এর আগে এ দিন সকালে বগুড়ার একটি হোটেলে বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তারেক রহমান। সভায় আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় জেলা, সদর উপজেলা ও শহর বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় তারেক রহমান বলেন, এবারের নির্বাচন সহজ হবে না। ভোটারদের কাছে ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইতে হবে।
তিনি জানান, দলের প্রধান হিসেবে আগের মতো দীর্ঘ সময় বগুড়ায় অবস্থান করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই স্থানীয় নেতাকর্মীদেরই নেতৃত্ব দিয়ে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকারে থাকাকালে বগুড়ার উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কাজ করা হয়েছে। বিরোধী দলে থাকলেও শীতবস্ত্র বিতরণ ও দুর্যোগকালে সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকার গঠন করতে পারলে বগুড়ার উন্নয়নের দায়িত্ব নিজ কাঁধে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলছেন, আজকে আমাকে ছেড়ে দেন, আজকে যাই। আমি তো ঘরের ছেলে, ইনশা আল্লাহ দুদিন পর আবার আসব। আপনারা দোয়া করবেন, আমি যেন দেশের জন্য কাজ করতে পারি।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বগুড়া সফর শেষে সিরাজগঞ্জ যাওয়ার পথে দুপুর ১টার দিকে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া বন্দরে তার গাড়িবহর থামিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন তারেক রহমান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৭ আসনের প্রার্থী মোর্শেদ মিলটন, শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক শাহীন, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান বিদ্যুৎসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্যে বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোর্শেদ মিলটনকে ভোট দিতে উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান।
তিনি রহমান বলেন, ‘আপনাদের এই এলাকার উন্নয়নসহ মানুষের দুঃখ-কষ্ট দেখভালের জন্য আমি মিল্টনকে দায়িত্ব দিয়ে গেছি। আপনারা ধানের শীষে ইনশা আল্লাহ ১২ তারিখে মিল্টনকে জয়যুক্ত করবেন। মিল্টনের মাধ্যমে গাবতলী ও শাজাহানপুর এলাকার মানুষের যত কাজ ইনশা আল্লাহ করব।’
এর আগে এ দিন সকালে বগুড়ার একটি হোটেলে বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তারেক রহমান। সভায় আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় জেলা, সদর উপজেলা ও শহর বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় তারেক রহমান বলেন, এবারের নির্বাচন সহজ হবে না। ভোটারদের কাছে ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইতে হবে।
তিনি জানান, দলের প্রধান হিসেবে আগের মতো দীর্ঘ সময় বগুড়ায় অবস্থান করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই স্থানীয় নেতাকর্মীদেরই নেতৃত্ব দিয়ে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকারে থাকাকালে বগুড়ার উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কাজ করা হয়েছে। বিরোধী দলে থাকলেও শীতবস্ত্র বিতরণ ও দুর্যোগকালে সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকার গঠন করতে পারলে বগুড়ার উন্নয়নের দায়িত্ব নিজ কাঁধে নেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৩ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৪ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৪ দিন আগে