
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের অভ্যুত্থানকে নস্যাৎ এবং নতুন গঠিত সরকারকে ব্যর্থ করতে প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে রাজধানীর বনানী করবস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের ক্রীড়া খাতে আরাফাত রহমান কোকোর অবদান তুলে ধরে ফখরুল বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করব, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমর্থ হবে বাংলাদেশের ক্রীড়া খাতকে সঠিকভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করব।’
আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো আমরা দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আমরা ত্যাগ স্বীকার করছি। আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছে এবং আজকে এই আন্দোলনে তাদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গৌরবান্বিত। তাই আমি অন্তর্বর্তী সরকারকে অনুরোধ করব, সমস্ত বিপদগুলোকে কাটিয়ে সত্যিকার অর্থে একটি মুক্ত বাংলাদেশ নির্মাণ করার জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।’
দেশের জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘প্রতি বিপ্লবের আশঙ্কা থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য অত্যন্ত সজাগ থেকে, রাস্তায় থেকে তাদের চক্রান্ত প্রতিরোধ করতে জনগণের প্রতি আমি আহ্বান জানাচ্ছি।’
জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘এটা ছিল ছাত্র-জনগণ-নাগরিকের স্বতঃস্ফূর্ত গণজাগরণ। সেই গণজাগরণকে সুসংহত করাই এখন আমাদের একমাত্র কাজ। শেখ হাসিনা বলুন আর অন্যান্যরা বলুন, তারা সবাই এটাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে।’
ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এটা হচ্ছে ফেইক প্রোপাগান্ডা। বাংলাদেশের গণজাগরণকে, এই অভ্যুত্থানকে নস্যাৎ করার জন্য, ব্যর্থ করার জন্য এবং নতুন গঠিত সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য তারা এই মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশের মানুষ এবং বিশ্ব জনমত এটাকে বিশ্বাস করবে না।
আরাফাত রহমান কোকো ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মারা যান।

বাংলাদেশের অভ্যুত্থানকে নস্যাৎ এবং নতুন গঠিত সরকারকে ব্যর্থ করতে প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে রাজধানীর বনানী করবস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের ক্রীড়া খাতে আরাফাত রহমান কোকোর অবদান তুলে ধরে ফখরুল বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করব, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমর্থ হবে বাংলাদেশের ক্রীড়া খাতকে সঠিকভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করব।’
আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো আমরা দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আমরা ত্যাগ স্বীকার করছি। আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছে এবং আজকে এই আন্দোলনে তাদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গৌরবান্বিত। তাই আমি অন্তর্বর্তী সরকারকে অনুরোধ করব, সমস্ত বিপদগুলোকে কাটিয়ে সত্যিকার অর্থে একটি মুক্ত বাংলাদেশ নির্মাণ করার জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।’
দেশের জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘প্রতি বিপ্লবের আশঙ্কা থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য অত্যন্ত সজাগ থেকে, রাস্তায় থেকে তাদের চক্রান্ত প্রতিরোধ করতে জনগণের প্রতি আমি আহ্বান জানাচ্ছি।’
জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘এটা ছিল ছাত্র-জনগণ-নাগরিকের স্বতঃস্ফূর্ত গণজাগরণ। সেই গণজাগরণকে সুসংহত করাই এখন আমাদের একমাত্র কাজ। শেখ হাসিনা বলুন আর অন্যান্যরা বলুন, তারা সবাই এটাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে।’
ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এটা হচ্ছে ফেইক প্রোপাগান্ডা। বাংলাদেশের গণজাগরণকে, এই অভ্যুত্থানকে নস্যাৎ করার জন্য, ব্যর্থ করার জন্য এবং নতুন গঠিত সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য তারা এই মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশের মানুষ এবং বিশ্ব জনমত এটাকে বিশ্বাস করবে না।
আরাফাত রহমান কোকো ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মারা যান।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে