
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির সরকারের কাছে জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— হয় আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগরে এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ দিন ছিল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবাষির্কী। আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত গুম, খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।
জামায়াত আমির তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বিএনপি হত্যা-গুমের বিচার চেয়েছিল। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় তারা বলেছিলেন, নির্বাচিত হলে ফ্যাসিবাদের হাতে যতগুলো খুন হয়েছে, গুম হয়েছে, নির্যাতন হয়েছে, সবগুলার বিচার তারা করবেন। ক্ষমতায় বসার পর এখন তাদের সুর পালটে গেছে। বিচার তো তারা করছেই না, বরং আপনারা শুনেছেন, চার মাসে ছয় শতাধিক মানুষ বাংলার মাটিতে নির্মমভাবে খুন হয়েছে।
বিএনপির নিজেদের কর্মীদের হাতেই দলীয় কর্মী খুন হয়েছেন বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন শফিকুর রহমান। বলেন, নিজেদের কর্মীদের জন্য যাদের দায় ও দরদ থাকে না, তাদের ২০ কোটি মানুষের জন্য কী দায় ও দরদ থাকবে? ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হওয়ার কথা বলে ঠিক ফ্যাসিবাদের রাজপথ ধরেই তারা এখন হাঁটা শুরু করেছে।
সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বদল, বিভিন্ন ব্যাংকে অযাচিত হস্তক্ষেপ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের লোক বসানোসহ প্রশাসনকে দলীয়করণের অভিযোগও তোলেন জামায়াত আমির।
সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো একটি হত্যাকাণ্ডের বিচারও সম্পন্ন করতে না পারা আমাদের জন্য চরম উদ্বেগের। এর জন্য চিফ প্রসিকিউটরকে দায়ী করে তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানান তিনি।
নাহিদ আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আগাগোড়াই ভারতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল নয়। আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত না হলে এই সরকার পাঁচ বছর সম্পন্ন করতে পারবে না।
১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে সমাবেশ পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ফখরুদ্দিন মানিক।
বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির মামুনুল হক, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, এনিসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অন্যরা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

বিএনপির সরকারের কাছে জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— হয় আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগরে এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ দিন ছিল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবাষির্কী। আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত গুম, খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।
জামায়াত আমির তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বিএনপি হত্যা-গুমের বিচার চেয়েছিল। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় তারা বলেছিলেন, নির্বাচিত হলে ফ্যাসিবাদের হাতে যতগুলো খুন হয়েছে, গুম হয়েছে, নির্যাতন হয়েছে, সবগুলার বিচার তারা করবেন। ক্ষমতায় বসার পর এখন তাদের সুর পালটে গেছে। বিচার তো তারা করছেই না, বরং আপনারা শুনেছেন, চার মাসে ছয় শতাধিক মানুষ বাংলার মাটিতে নির্মমভাবে খুন হয়েছে।
বিএনপির নিজেদের কর্মীদের হাতেই দলীয় কর্মী খুন হয়েছেন বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন শফিকুর রহমান। বলেন, নিজেদের কর্মীদের জন্য যাদের দায় ও দরদ থাকে না, তাদের ২০ কোটি মানুষের জন্য কী দায় ও দরদ থাকবে? ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হওয়ার কথা বলে ঠিক ফ্যাসিবাদের রাজপথ ধরেই তারা এখন হাঁটা শুরু করেছে।
সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বদল, বিভিন্ন ব্যাংকে অযাচিত হস্তক্ষেপ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের লোক বসানোসহ প্রশাসনকে দলীয়করণের অভিযোগও তোলেন জামায়াত আমির।
সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো একটি হত্যাকাণ্ডের বিচারও সম্পন্ন করতে না পারা আমাদের জন্য চরম উদ্বেগের। এর জন্য চিফ প্রসিকিউটরকে দায়ী করে তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানান তিনি।
নাহিদ আরও বলেন, আওয়ামী লীগ আগাগোড়াই ভারতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল নয়। আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত না হলে এই সরকার পাঁচ বছর সম্পন্ন করতে পারবে না।
১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে সমাবেশ পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ফখরুদ্দিন মানিক।
বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির মামুনুল হক, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, এনিসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অন্যরা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষের আত্মত্যাগ এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পরও রাষ্ট্র ও প্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আমি দেখছি যে, কিছুই বদলায়নি।’
৮ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উভয়েই একমত, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং আমি যেমন সবসময় বলি, সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’
১৩ ঘণ্টা আগে
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
১ দিন আগে
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিল্লি যাবেন কি না— এমন প্রশ্নের উত্তরে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘এ সিদ্ধান্ত নেবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এটি সম্পূর্ণ তার বিষয়। তবে আমরা অধীর আগ্রহে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের অপেক্ষায় আছি।’
১ দিন আগে