
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারের জনস্বার্থ পরিপন্থী সকল পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের ভুলনীতি এবং এই খাতে চুরি, দূর্নীতি, লুণ্ঠন ও অব্যবস্থাপনার দায় মানুষ নিতে পারে না। এ কারণে সাধারণ মানুষ শাস্তিও পেতে পারে না।
মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
সাইফুল হক বলেন, বিআরসি’র গণশুনানিকে এড়িয়ে নির্বাহী আদেশে নতুন করে বিদ্যুৎতের মূল্যবৃদ্ধির এই অপতৎপরতা একদিকে অস্বচ্ছ আর অন্যদিকে দায়িত্বহীন পদক্ষেপ। দায়মুক্তির বিধান থাকায় সরকারের এসব গণবিরোধী তৎপরতার বিরুদ্ধে জনগণের পক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও সুযোগ নেই।
আগামী ১ মার্চ থেকে বিদ্যুৎতের আর এক দফা মূল্যবৃদ্ধির হঠকারী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের এই তৎপরতা জন দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দেবে বলে বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করেন সাইফুল হক।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎতের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে এনে বিদ্যুতে সরকারের প্রদত্ত ভর্তুকি কমিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে। কেবল এই খাতেই তিরিশ হাজার কোটি টাকা অব্যবস্থাপনাজনীত লুণ্ঠনমূলক ব্যয় করা হয়েছে। সরকারের আমদানিনির্ভর জ্বালানি নীতি সংকট বাড়িয়ে তুলছে।
সাইফুল হক বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভাড়া কমানো, স্বল্পব্যয়ের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে মনোযোগ, সিস্টেমলসসহ চুরি - দুর্নীতি কমিয়ে এনে মূল্য বৃদ্ধি না করে সাশ্রয়ী দামে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব।
তিনি বলেন, যুক্তিযুক্ত পদক্ষেপের পরিবর্তে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ জ্বালানি খাতে সরকারের কোনো স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপই দেশবাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।

সরকারের জনস্বার্থ পরিপন্থী সকল পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের ভুলনীতি এবং এই খাতে চুরি, দূর্নীতি, লুণ্ঠন ও অব্যবস্থাপনার দায় মানুষ নিতে পারে না। এ কারণে সাধারণ মানুষ শাস্তিও পেতে পারে না।
মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
সাইফুল হক বলেন, বিআরসি’র গণশুনানিকে এড়িয়ে নির্বাহী আদেশে নতুন করে বিদ্যুৎতের মূল্যবৃদ্ধির এই অপতৎপরতা একদিকে অস্বচ্ছ আর অন্যদিকে দায়িত্বহীন পদক্ষেপ। দায়মুক্তির বিধান থাকায় সরকারের এসব গণবিরোধী তৎপরতার বিরুদ্ধে জনগণের পক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও সুযোগ নেই।
আগামী ১ মার্চ থেকে বিদ্যুৎতের আর এক দফা মূল্যবৃদ্ধির হঠকারী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের এই তৎপরতা জন দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দেবে বলে বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করেন সাইফুল হক।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎতের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে এনে বিদ্যুতে সরকারের প্রদত্ত ভর্তুকি কমিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে। কেবল এই খাতেই তিরিশ হাজার কোটি টাকা অব্যবস্থাপনাজনীত লুণ্ঠনমূলক ব্যয় করা হয়েছে। সরকারের আমদানিনির্ভর জ্বালানি নীতি সংকট বাড়িয়ে তুলছে।
সাইফুল হক বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভাড়া কমানো, স্বল্পব্যয়ের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে মনোযোগ, সিস্টেমলসসহ চুরি - দুর্নীতি কমিয়ে এনে মূল্য বৃদ্ধি না করে সাশ্রয়ী দামে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব।
তিনি বলেন, যুক্তিযুক্ত পদক্ষেপের পরিবর্তে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ জ্বালানি খাতে সরকারের কোনো স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপই দেশবাসীর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে