
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সভা, সমাবেশ ও মতপ্রকাশসহ জনগণের রাজনৈতিক অধিকার হরণের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা।
নির্বাচনকালীন সভা-সমাবেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে শুক্রবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে এ আহ্বান জানায় দলটির নেতারা।
ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা’র সমন্বয়ক, নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, গণমুক্তি ইউনিয়নের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন আহমেদ নাসু, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা বেলাল চৌধুরী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা মহিন উদ্দিন চৌধুরী লিটন, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শহিদুল আলম প্রমুখ।
ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার সমাবেশে নেতারা বলেন, সভা-সমাবেশ-মিছিলে বাধাদান করে আওয়ামী লীগ সরকার নাগরিকদের অধিকারকে ক্রমাগত হরণ করে চলেছে। সরকারের দুঃশাসন ও লুটপাটের কারণে জাতীয় ও জনজীবনে সংকট সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে। রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ ও মিছিল গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু শাসক সরকার জনগণের সকল অধিকার হরণ করে দেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।
তারা এ সময় আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে জনগণকে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার আহ্বান জানান। বলেন, এই নির্বাচন হলো অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখান সাজানো নাটক। এই নাটকের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সভা, সমাবেশ ও মতপ্রকাশসহ জনগণের রাজনৈতিক অধিকার হরণের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা।
নির্বাচনকালীন সভা-সমাবেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে শুক্রবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে এ আহ্বান জানায় দলটির নেতারা।
ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা’র সমন্বয়ক, নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার সভাপতি জাফর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, গণমুক্তি ইউনিয়নের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন আহমেদ নাসু, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা বেলাল চৌধুরী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা মহিন উদ্দিন চৌধুরী লিটন, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের সভাপতি মাসুদ খান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শহিদুল আলম প্রমুখ।
ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার সমাবেশে নেতারা বলেন, সভা-সমাবেশ-মিছিলে বাধাদান করে আওয়ামী লীগ সরকার নাগরিকদের অধিকারকে ক্রমাগত হরণ করে চলেছে। সরকারের দুঃশাসন ও লুটপাটের কারণে জাতীয় ও জনজীবনে সংকট সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে। রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ ও মিছিল গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু শাসক সরকার জনগণের সকল অধিকার হরণ করে দেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।
তারা এ সময় আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে জনগণকে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার আহ্বান জানান। বলেন, এই নির্বাচন হলো অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখান সাজানো নাটক। এই নাটকের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে