
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, ‘গতকাল অনুষ্ঠিত নজিরবিহীন ডামি নির্বাচন আওয়ামী লীগকে দেশ পরিচালনায় রাজনৈতিক ও নৈতিক বৈধতা দেবে না। এই নির্বাচন দেশকে প্রকারান্তরে প্রবল কর্তৃত্ববাদী একদলীয় অগণতান্ত্রিক শাসনের দিকেই পরিচালিত করবে; ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনকে নতুন মাত্রা দেবে, অবশিষ্ট গণতান্ত্রিক অধিকারকে আরো বিপদগ্রস্ত করবে। বিরোধী দলগুলোর ডাকে ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে মানুষ আরও একবার তাদের অহিংস প্রতিবাদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে। সাজানো ডামি নির্বাচনের প্রতি গণঅনাস্থা দেখিয়ে একটি শ্বাসরুদ্ধকর ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ তাদের পুঞ্জিভূত ক্ষোভেরও বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।’
সোমবার বিকালে ঢাকায় অবস্থানরত বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় সংগঠকদের সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সেগুনবাগিচায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সংহতি মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, আবু হাসান টিপু, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, মাহমুদ হোসেন, রাশিদা বেগম, এপোলো জামালী, শহীদুল আলম নান্নু, সাইফুল ইসলাম, স্নিগ্ধা সুলতানা ইভা, শেখ মোহাম্মদ শিমুল, আইয়ুব আলী ও জামাল সিকদার প্রমুখ।
তিনি বলেন, গতকালকের নির্বাচনী তামাশা একদিকে দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থাকে কবরে পাঠালো, আর অন্যদিকে দেশের অবশিষ্ট বহুদলীয় গণতান্ত্রিক কাঠামোকেও গভীর খাদে নিক্ষেপ করেছে।
তিনি বলেন, সরকার ও সরকারি দলের একতরফা ভাগবাটোয়ারার ডামি নির্বাচন বর্জন করে সরকারের প্রতি গণঅনাস্থা প্রকাশ করায় দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সাইফুল হক বলেন, নির্বাচনের নামে এই গণতামাশা ভোটারদের প্রতি যে চরম অবমাননার সামিল, আজ ভোটারেরা তার জবাব দিয়েছে।
তিনি বলেন, গতকালের গণঅনাস্থার পর কথিত দেশে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনকে, সরকারের অবৈধ ও অনৈতিক ক্ষমতা আরও প্রলম্বিত করার কোনো অবকাশ নেই।
তিনি অনতিবিলম্বে ভোটের ফলাফল বাতিল করে সরকারের পদত্যাগ এবং রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে বিশ্বাসযোগ্য কার্যকরি রাজনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, ‘গতকাল অনুষ্ঠিত নজিরবিহীন ডামি নির্বাচন আওয়ামী লীগকে দেশ পরিচালনায় রাজনৈতিক ও নৈতিক বৈধতা দেবে না। এই নির্বাচন দেশকে প্রকারান্তরে প্রবল কর্তৃত্ববাদী একদলীয় অগণতান্ত্রিক শাসনের দিকেই পরিচালিত করবে; ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনকে নতুন মাত্রা দেবে, অবশিষ্ট গণতান্ত্রিক অধিকারকে আরো বিপদগ্রস্ত করবে। বিরোধী দলগুলোর ডাকে ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে মানুষ আরও একবার তাদের অহিংস প্রতিবাদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে। সাজানো ডামি নির্বাচনের প্রতি গণঅনাস্থা দেখিয়ে একটি শ্বাসরুদ্ধকর ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ তাদের পুঞ্জিভূত ক্ষোভেরও বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।’
সোমবার বিকালে ঢাকায় অবস্থানরত বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় সংগঠকদের সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সেগুনবাগিচায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সংহতি মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, আবু হাসান টিপু, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, মাহমুদ হোসেন, রাশিদা বেগম, এপোলো জামালী, শহীদুল আলম নান্নু, সাইফুল ইসলাম, স্নিগ্ধা সুলতানা ইভা, শেখ মোহাম্মদ শিমুল, আইয়ুব আলী ও জামাল সিকদার প্রমুখ।
তিনি বলেন, গতকালকের নির্বাচনী তামাশা একদিকে দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনী ব্যবস্থাকে কবরে পাঠালো, আর অন্যদিকে দেশের অবশিষ্ট বহুদলীয় গণতান্ত্রিক কাঠামোকেও গভীর খাদে নিক্ষেপ করেছে।
তিনি বলেন, সরকার ও সরকারি দলের একতরফা ভাগবাটোয়ারার ডামি নির্বাচন বর্জন করে সরকারের প্রতি গণঅনাস্থা প্রকাশ করায় দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সাইফুল হক বলেন, নির্বাচনের নামে এই গণতামাশা ভোটারদের প্রতি যে চরম অবমাননার সামিল, আজ ভোটারেরা তার জবাব দিয়েছে।
তিনি বলেন, গতকালের গণঅনাস্থার পর কথিত দেশে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনকে, সরকারের অবৈধ ও অনৈতিক ক্ষমতা আরও প্রলম্বিত করার কোনো অবকাশ নেই।
তিনি অনতিবিলম্বে ভোটের ফলাফল বাতিল করে সরকারের পদত্যাগ এবং রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে বিশ্বাসযোগ্য কার্যকরি রাজনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে