
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিধিমালা ও (নির্বাচন আচরণ) খসড়া সংশোধন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপির নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনসহ নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
সাক্ষাতকালে লিখিত বক্তব্যে ওয়ার্কার্স পার্টি বলে, নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে এক লক্ষ টাকা ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৫ হাজার টাকা জামানত নির্ধারণ করায় কেবল বিত্তবানরাই নির্বাচন করতে পারবে, অন্য কেউ নয়। যেখানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামানত ২০ হাজার টাকা সেখানে উপজেলা পরিষদে জামানতের অংকের পরিমাণ কেবল অযৌক্তিক নয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর মধ্য দিয়ে উপজেলা পরিষদের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাধারণ প্রার্থী ও জনগণের নাগালের বাইরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
ওয়ার্কার্স পার্টির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের খসড়া সংশোধনী প্রস্তাব করে উপজেলা পরিষদ বিধিমালা ২০১৩ ও (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৬ বহাল রাখারও সুপারিশ করা হয়।
ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে কালো-সাদা পোস্টারের পরিবর্তে রঙিন পোস্টারের বিধানও বাতিল করার কথা বলা হয়। এছাড়া বক্তব্যে অনলাইনে মনোনয়ন প্রদানসহ নির্বাচনে টাকার খরচ নিয়ন্ত্রণ করা, নির্বাচনে সকলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, নির্বাচনে ধর্ম ও সাম্প্রদায়িকতার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, নির্বাচনকে সন্ত্রাস, পেশীশক্তির প্রভাব ও দুর্বৃত্তমুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে যুদ্ধাপরাধী, যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত সংগঠনের সদস্য, জঙ্গী তৎপরতার যুক্ত ব্যক্তি ও রোহিঙ্গাদের বাদ দেওয়ারও সুপারিশ করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, এসব সংস্কার করতে ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হবে। এ প্রসঙ্গে ওয়ার্কার্স পার্টি সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের পূর্বতন দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনারগণ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আহসান হাবিবুর খান (অবঃ), মোঃ আলমগীর রহমান, মোঃ আনিছুর রহমান ও নির্বাচন কমিশনের সচিব মোঃ জাহাংগীর আলম উপস্থিত ছিলেন। ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি, সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা, পলিটব্যুরোর সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিধিমালা ও (নির্বাচন আচরণ) খসড়া সংশোধন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপির নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনসহ নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
সাক্ষাতকালে লিখিত বক্তব্যে ওয়ার্কার্স পার্টি বলে, নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে এক লক্ষ টাকা ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৫ হাজার টাকা জামানত নির্ধারণ করায় কেবল বিত্তবানরাই নির্বাচন করতে পারবে, অন্য কেউ নয়। যেখানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামানত ২০ হাজার টাকা সেখানে উপজেলা পরিষদে জামানতের অংকের পরিমাণ কেবল অযৌক্তিক নয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর মধ্য দিয়ে উপজেলা পরিষদের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাধারণ প্রার্থী ও জনগণের নাগালের বাইরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
ওয়ার্কার্স পার্টির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের খসড়া সংশোধনী প্রস্তাব করে উপজেলা পরিষদ বিধিমালা ২০১৩ ও (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা ২০১৬ বহাল রাখারও সুপারিশ করা হয়।
ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে কালো-সাদা পোস্টারের পরিবর্তে রঙিন পোস্টারের বিধানও বাতিল করার কথা বলা হয়। এছাড়া বক্তব্যে অনলাইনে মনোনয়ন প্রদানসহ নির্বাচনে টাকার খরচ নিয়ন্ত্রণ করা, নির্বাচনে সকলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, নির্বাচনে ধর্ম ও সাম্প্রদায়িকতার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, নির্বাচনকে সন্ত্রাস, পেশীশক্তির প্রভাব ও দুর্বৃত্তমুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে যুদ্ধাপরাধী, যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত সংগঠনের সদস্য, জঙ্গী তৎপরতার যুক্ত ব্যক্তি ও রোহিঙ্গাদের বাদ দেওয়ারও সুপারিশ করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, এসব সংস্কার করতে ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হবে। এ প্রসঙ্গে ওয়ার্কার্স পার্টি সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের পূর্বতন দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনারগণ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আহসান হাবিবুর খান (অবঃ), মোঃ আলমগীর রহমান, মোঃ আনিছুর রহমান ও নির্বাচন কমিশনের সচিব মোঃ জাহাংগীর আলম উপস্থিত ছিলেন। ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি, সাধারণ সম্পাদক কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা, পলিটব্যুরোর সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে