
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শিক্ষার্থীদের চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেনশন বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রতি নৈতিক সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ জাসদ।
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলটির স্থায়ী কমিটির সভা থেকে এ সমর্থন জানানো হয়।
দলটির সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অংশ নেন সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন, এটিএম মহব্বত আলী, মঞ্জুর আহমেদ মঞ্জু, আবদুল কাদের হাওলাদার, আনোয়ারুল ইসলাম বাবু, নাসিরুল হক নওয়াব, বাদল খান প্রমুখ।
সভায় গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের কোটা সংস্কারের সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রতি এ সভার দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। আমরা ছাত্রদের দাবি যৌক্তিক মনে করি এবং তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি আমাদের নৈতিক সমর্থন রয়েছে।
সভা মনে করে, একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করে ছাত্র-ছাত্রীদের দাবিগুলো বিবেচনায় নিয়ে অপ্রয়োজনীয় কোটা সুবিধা বাতিল করে মেধা বিকাশের সুযোগ উন্মোচিত করে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার করা উচিত। শুধুমাত্র পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সমতায় আনার জন্য বিশেষ বিবেচনা থাকতে পারে।
প্রস্তাবে আরো বলা হয়, পেনশন বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রতিও এ সভার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।
সভা মনে করে, সরকারের এ বৈষম্যমূলক পদক্ষেপের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার মুখে সর্বজনীনতার নীতি ঘোষণা করলেও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ইতিপূর্বে যে একই ধরণের পেনশন ব্যবস্থা ছিল, তা থেকে সরে এসে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। এটা শিক্ষকদরে বিক্ষুব্ধ করেছে।
আলোচনার মাধ্যমে এ অচলাবস্থা নিরসনের জোর দাবি জানিয়ে শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি নৈতিক সমর্থন জ্ঞাপন করা হয়।
রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতা, ব্যাংক লুটপাট, বিদেশ সম্পদ পাচার, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার দুঃসহ ব্যয় বৃদ্ধিসহ অপশাসন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নীতিনিষ্ঠ আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য প্রত্যয় ঘোষণা করা হয় সভা থেকে।

শিক্ষার্থীদের চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেনশন বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রতি নৈতিক সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশ জাসদ।
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলটির স্থায়ী কমিটির সভা থেকে এ সমর্থন জানানো হয়।
দলটির সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অংশ নেন সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন, এটিএম মহব্বত আলী, মঞ্জুর আহমেদ মঞ্জু, আবদুল কাদের হাওলাদার, আনোয়ারুল ইসলাম বাবু, নাসিরুল হক নওয়াব, বাদল খান প্রমুখ।
সভায় গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের কোটা সংস্কারের সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রতি এ সভার দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। আমরা ছাত্রদের দাবি যৌক্তিক মনে করি এবং তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি আমাদের নৈতিক সমর্থন রয়েছে।
সভা মনে করে, একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করে ছাত্র-ছাত্রীদের দাবিগুলো বিবেচনায় নিয়ে অপ্রয়োজনীয় কোটা সুবিধা বাতিল করে মেধা বিকাশের সুযোগ উন্মোচিত করে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার করা উচিত। শুধুমাত্র পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সমতায় আনার জন্য বিশেষ বিবেচনা থাকতে পারে।
প্রস্তাবে আরো বলা হয়, পেনশন বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রতিও এ সভার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।
সভা মনে করে, সরকারের এ বৈষম্যমূলক পদক্ষেপের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার মুখে সর্বজনীনতার নীতি ঘোষণা করলেও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ইতিপূর্বে যে একই ধরণের পেনশন ব্যবস্থা ছিল, তা থেকে সরে এসে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। এটা শিক্ষকদরে বিক্ষুব্ধ করেছে।
আলোচনার মাধ্যমে এ অচলাবস্থা নিরসনের জোর দাবি জানিয়ে শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি নৈতিক সমর্থন জ্ঞাপন করা হয়।
রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতা, ব্যাংক লুটপাট, বিদেশ সম্পদ পাচার, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার দুঃসহ ব্যয় বৃদ্ধিসহ অপশাসন ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে নীতিনিষ্ঠ আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য প্রত্যয় ঘোষণা করা হয় সভা থেকে।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে