
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পর্যটন নগরী কুয়াকাটা সৈকতে এখন সুনসান-নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে। কয়েকদিন আগেও যে সৈকতে পর্যটকদের আনাগোনায় মুখরিত হয়ে থাকতো আজ তা নিস্তব্ধতা বিরাজমান।
বিগত কয়েকদিন ধরে সারা দেশে কোটা সংস্কার নিয়ে চলমান আন্দোলন ও কারফিউ এ স্থবির হয়ে পড়েছে সব কার্যক্রম। অলস সময় পার করেন পর্যটনশিল্পের সঙ্গে যুক্ত সব ব্যবসায়ীরা। পুরো সৈকতে নীরবতা। পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিরাজ করছে হতাশা। পর্যটক না থাকায় অলস সময় পার করছেন হোটেল কর্মচারীরা। অধিকাংশ হোটেল কর্তৃপক্ষ ছুটি দিয়েছে কর্মচারীদের।
এদিকে কারফিউ জারির ষষ্ঠ দিনে পটুয়াখালীতে বর্ধিত করা হয়েছে সান্ধ্যকালীন আইন শিথিলের সময়সীমা। জেলায় সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বর্ধিত করেছে জেলা প্রশাসক। এতে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে কুয়াকাটা, কলাপাড়া ও পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়। খুলেছে দোকানপাট, বেড়েছে মানুষের আনাগোনা।
এছাড়া অভ্যন্তরীণ রুটে বাস, সিএনজি, অটো ও অন্যান্য পরিবহন স্বাভাবিক গতিতে চলছে।
এদিকে কারফিউ শিথিল করায় স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জীবন যাত্রা। সকাল থেকে খুলেছে দোকানপাট। বাজারগুলোতে মানুষের আনাগোনা বাড়তে শুরু করেছে। তবে এখনও সব স্থানে স্বাভাবিক গতিতে ফেরেনি ব্রডব্যান্ড ওয়াইফাই সেবা। উপজেলার শহরগুলোতে লক্ষ্য করা গেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল।
তবে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মাঠে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
সি গোল্ড রিসোর্টের কর্মচারী মো. সিজান বলেন, অলস সময় কাটাচ্ছি। কারফিউর কারণে পর্যটকদের আনাগোনা নেই।
কানসাই ইনের ম্যানেজার মো. জুয়েল ফরাজি বলেন, কারফিউর কারণে হোটেলে ১৫ জন পর্যটক আটকা পড়েছিল। তাদের সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছি। এখন হোটেলের সব রুম ফাঁকা। কবে নাগাদ আবার পর্যটক আসবে সেটা বলা মুশকিল।
হোটেল গোল্ডেন ইনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম জহির বলেন, পর্যটন ক্ষেত্রে সবার আগে ধাক্কা লাগে। এ ধাক্কা কাটতে সময় লাগে অনেকদিন। রাজনৈতিকসহ নানা সমস্যা তৈরি হলেই হোটেল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সংকটের মুখে আমরা পড়ি। খরচ বাড়ে আয় আসে না। বর্তমান সংকট কাটিয়ে কবে উঠতে সক্ষম হবো তা জানা নেই।
ক্যামেরা পারসন মো. আলমাচ বলেন, প্রতিদিন ১ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা আয় হতো। গত কয়েকদিনে প্রতিদিন ১০০ টাকাও আয় হয় না। বৌ-বাচ্চা নিয়ে সংসার চালানো, মাস গেলে বাড়ি ভাড়া দেওয়া, টিকে থাকা এখন কষ্ট হচ্ছে। এটা থেকে মুক্তি চাই। নাহলে না খেয়ে মারা যেতে হবে।
সৈকতে চা বিক্রেতা আলামীন বলেন, মানুষ অস্থিরতা দেখে ভয় পাচ্ছে ঘর থেকে বের হতে। কোটা আন্দোলন নিয়ে সমস্যা তৈরি হওয়ার পর থেকেই কোনো পর্যটকদের আনাগোনা নেই। ফলে চা বিক্রি হয় না। কষ্ট করে দিন পার করি।

পর্যটন নগরী কুয়াকাটা সৈকতে এখন সুনসান-নিস্তব্ধতা বিরাজ করছে। কয়েকদিন আগেও যে সৈকতে পর্যটকদের আনাগোনায় মুখরিত হয়ে থাকতো আজ তা নিস্তব্ধতা বিরাজমান।
বিগত কয়েকদিন ধরে সারা দেশে কোটা সংস্কার নিয়ে চলমান আন্দোলন ও কারফিউ এ স্থবির হয়ে পড়েছে সব কার্যক্রম। অলস সময় পার করেন পর্যটনশিল্পের সঙ্গে যুক্ত সব ব্যবসায়ীরা। পুরো সৈকতে নীরবতা। পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিরাজ করছে হতাশা। পর্যটক না থাকায় অলস সময় পার করছেন হোটেল কর্মচারীরা। অধিকাংশ হোটেল কর্তৃপক্ষ ছুটি দিয়েছে কর্মচারীদের।
এদিকে কারফিউ জারির ষষ্ঠ দিনে পটুয়াখালীতে বর্ধিত করা হয়েছে সান্ধ্যকালীন আইন শিথিলের সময়সীমা। জেলায় সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বর্ধিত করেছে জেলা প্রশাসক। এতে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে কুয়াকাটা, কলাপাড়া ও পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়। খুলেছে দোকানপাট, বেড়েছে মানুষের আনাগোনা।
এছাড়া অভ্যন্তরীণ রুটে বাস, সিএনজি, অটো ও অন্যান্য পরিবহন স্বাভাবিক গতিতে চলছে।
এদিকে কারফিউ শিথিল করায় স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জীবন যাত্রা। সকাল থেকে খুলেছে দোকানপাট। বাজারগুলোতে মানুষের আনাগোনা বাড়তে শুরু করেছে। তবে এখনও সব স্থানে স্বাভাবিক গতিতে ফেরেনি ব্রডব্যান্ড ওয়াইফাই সেবা। উপজেলার শহরগুলোতে লক্ষ্য করা গেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল।
তবে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মাঠে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
সি গোল্ড রিসোর্টের কর্মচারী মো. সিজান বলেন, অলস সময় কাটাচ্ছি। কারফিউর কারণে পর্যটকদের আনাগোনা নেই।
কানসাই ইনের ম্যানেজার মো. জুয়েল ফরাজি বলেন, কারফিউর কারণে হোটেলে ১৫ জন পর্যটক আটকা পড়েছিল। তাদের সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছি। এখন হোটেলের সব রুম ফাঁকা। কবে নাগাদ আবার পর্যটক আসবে সেটা বলা মুশকিল।
হোটেল গোল্ডেন ইনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এম জহির বলেন, পর্যটন ক্ষেত্রে সবার আগে ধাক্কা লাগে। এ ধাক্কা কাটতে সময় লাগে অনেকদিন। রাজনৈতিকসহ নানা সমস্যা তৈরি হলেই হোটেল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সংকটের মুখে আমরা পড়ি। খরচ বাড়ে আয় আসে না। বর্তমান সংকট কাটিয়ে কবে উঠতে সক্ষম হবো তা জানা নেই।
ক্যামেরা পারসন মো. আলমাচ বলেন, প্রতিদিন ১ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা আয় হতো। গত কয়েকদিনে প্রতিদিন ১০০ টাকাও আয় হয় না। বৌ-বাচ্চা নিয়ে সংসার চালানো, মাস গেলে বাড়ি ভাড়া দেওয়া, টিকে থাকা এখন কষ্ট হচ্ছে। এটা থেকে মুক্তি চাই। নাহলে না খেয়ে মারা যেতে হবে।
সৈকতে চা বিক্রেতা আলামীন বলেন, মানুষ অস্থিরতা দেখে ভয় পাচ্ছে ঘর থেকে বের হতে। কোটা আন্দোলন নিয়ে সমস্যা তৈরি হওয়ার পর থেকেই কোনো পর্যটকদের আনাগোনা নেই। ফলে চা বিক্রি হয় না। কষ্ট করে দিন পার করি।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা এখন তার দ্বিতীয় বিয়ের দাবি, ভাইরাল হওয়া একটি বায়োডাটার তথ্য এবং ভিডিও ধারণের সময়কাল— সবকিছু ঘিরেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দ
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি দলের নজরে রয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে ছিলাম। কেন কাউকে সরিয়ে দেবো? আমরা একসঙ্গেই থাকব। চলতে গেলে এদিক-ওদিক হতেই পারে। কেউ একজন বলেছেন, এটা ফেয়ারওয়েল ডিনার কি না। কেন ফেয়ারওয়েল হবে? ফেয়ারওয়েল ডিনার যদি দিতে হয়, গুপ্ত-সুপ্তদের বলতে পারি, স্বৈরাচারকে বলতে পারি। কিন্তু আমরা যারা ছিলাম, আমরা ইনশাল্লাহ এক
২ দিন আগে
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বৈঠক শুরুর আগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের যমুনায় হাজির হন।
৩ দিন আগে