
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণতন্ত্রের আন্দোলন ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন, সেই আন্দোলনে আমরা বিজয়ী হবো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে গুম, খুন ও পঙ্গুত্বের শিকার পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বর্তমান সরকার দমন নিপীড়ন না করলে তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না।’
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গতকাল (বুধবার) খালেদা জিয়া খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। ডাক্তাররা উপস্থিত ছিলেন। মনে হয়েছিল হয়তো আর সময় পাওয়া যাবে না। আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া। সেই অবস্থা ফিরে আনতে সক্ষম হয়েছে।
ফখরুল ইসলাম বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে আটক করে বিভিন্ন মামলা দিয়ে নির্যাতন করা হয়। এখনও তিনি নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন। এসময় মায়ের ডাক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
গুম, খুন ও নিপীড়ন নির্যাতনের স্বীকার হওয়া পরিবারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ অবস্থা সারাদেশের, শুধু বিএনপির নয়। পুরো বাংলাদশের মানুষের একই অবস্থা। পুরো দেশের মানুষ ভয়ে আতঙ্কে থাকে কখন কাকে কীভাবে তুলে নিয়ে যায়। কোনো নিশ্চয়তা নেই।
উপস্থিত শিশু -তরুণদের উদ্দেশ্য করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘তোমরা আশা হারাবে না। কখনো ভাববে না সব কিছু শেষ হয়ে গেছে। কোন হতাশা যেন কাজ না করে। মনে রাখতে হবে গণতন্ত্রের আন্দোলন ন্যায় সঙ্গত আন্দোলন। সেই আন্দোলনে আমরা বিজয়ী হবো।’
রহমান রুম্মনের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর হেলাল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির প্রমুখ

গণতন্ত্রের আন্দোলন ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন, সেই আন্দোলনে আমরা বিজয়ী হবো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে গুম, খুন ও পঙ্গুত্বের শিকার পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বর্তমান সরকার দমন নিপীড়ন না করলে তারা ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না।’
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গতকাল (বুধবার) খালেদা জিয়া খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। ডাক্তাররা উপস্থিত ছিলেন। মনে হয়েছিল হয়তো আর সময় পাওয়া যাবে না। আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া। সেই অবস্থা ফিরে আনতে সক্ষম হয়েছে।
ফখরুল ইসলাম বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে আটক করে বিভিন্ন মামলা দিয়ে নির্যাতন করা হয়। এখনও তিনি নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন। এসময় মায়ের ডাক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
গুম, খুন ও নিপীড়ন নির্যাতনের স্বীকার হওয়া পরিবারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ অবস্থা সারাদেশের, শুধু বিএনপির নয়। পুরো বাংলাদশের মানুষের একই অবস্থা। পুরো দেশের মানুষ ভয়ে আতঙ্কে থাকে কখন কাকে কীভাবে তুলে নিয়ে যায়। কোনো নিশ্চয়তা নেই।
উপস্থিত শিশু -তরুণদের উদ্দেশ্য করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘তোমরা আশা হারাবে না। কখনো ভাববে না সব কিছু শেষ হয়ে গেছে। কোন হতাশা যেন কাজ না করে। মনে রাখতে হবে গণতন্ত্রের আন্দোলন ন্যায় সঙ্গত আন্দোলন। সেই আন্দোলনে আমরা বিজয়ী হবো।’
রহমান রুম্মনের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর হেলাল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির প্রমুখ

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে