
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, লুট পাট চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে, আদালত রায় দেয়ার পরও ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে বসতে দেয়া হচ্ছে না।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভাটির আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুদু বলেন, আওয়ামী লীগের মতো এখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরেও মেয়র হতে দেওয়া হয়নি ইসরাককে। আদালত তাঁর পক্ষে রায় দেওয়ার পরেও শপথ করানো হচ্ছে না। এখন সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক কাজ করছে সরকার। লুট পাটের চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক কে মেয়র পদে বসতে দিচ্ছে না। কোর্টের আইন যদি কেউ না মানে তাকে বন্য বা ফ্যাসিস্ট বলা হয়। সরকার সেই লাইনে যাচ্ছে কিনা চিন্তার বিষয়।
তিনি বলেন, দেশ যে দিকে যাচ্ছে তাতে সন্দেহ, অবিশ্বাস বাড়ছে। এ সরকারের প্রতি জনগণের সমর্থন, আশা ও বিশ্বাস ছিল, তা আস্তে আস্তে টুটে যাচ্ছে। সরকারকে এই জিনিসটা বুঝতে হবে। আমরা ড. ইউনূসের মাধ্যমে একটা ভালো নির্বাচনের প্রত্যাশা করি। যদি তিনি তা করতে ফেল করেন, তাহলে সুপ্রিমকোর্টকে অনুরোধ করবো এদেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে। সুপ্রিম কোর্টেরও দায়িত্ব আছে দেশ ও জনগণের রক্ষা করার।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারী, বিএনপি'র সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, কৃষকদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এস কে সাদী, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, লুট পাট চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে, আদালত রায় দেয়ার পরও ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে বসতে দেয়া হচ্ছে না।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভাটির আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দল।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুদু বলেন, আওয়ামী লীগের মতো এখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরেও মেয়র হতে দেওয়া হয়নি ইসরাককে। আদালত তাঁর পক্ষে রায় দেওয়ার পরেও শপথ করানো হচ্ছে না। এখন সম্পূর্ণ প্রতিহিংসামূলক কাজ করছে সরকার। লুট পাটের চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক কে মেয়র পদে বসতে দিচ্ছে না। কোর্টের আইন যদি কেউ না মানে তাকে বন্য বা ফ্যাসিস্ট বলা হয়। সরকার সেই লাইনে যাচ্ছে কিনা চিন্তার বিষয়।
তিনি বলেন, দেশ যে দিকে যাচ্ছে তাতে সন্দেহ, অবিশ্বাস বাড়ছে। এ সরকারের প্রতি জনগণের সমর্থন, আশা ও বিশ্বাস ছিল, তা আস্তে আস্তে টুটে যাচ্ছে। সরকারকে এই জিনিসটা বুঝতে হবে। আমরা ড. ইউনূসের মাধ্যমে একটা ভালো নির্বাচনের প্রত্যাশা করি। যদি তিনি তা করতে ফেল করেন, তাহলে সুপ্রিমকোর্টকে অনুরোধ করবো এদেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে। সুপ্রিম কোর্টেরও দায়িত্ব আছে দেশ ও জনগণের রক্ষা করার।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারী, বিএনপি'র সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, কৃষকদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এস কে সাদী, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৪ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৪ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৪ দিন আগে