
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ক্ষমতাসীনরা নিজেদের ২২০টি আর্শিবাদপুষ্ট পরিবার সৃষ্টি করে বিদেশে অর্থ পাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।আজ শুক্রবার (৮ মার্চ) সকালে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিযোগ করেন।
মঈন খান বলেন, এই সরকার উন্নয়নের নামে পাকিস্তানে যেমন ২২টি পরিবার সৃষ্ট হয়েছিলো আজকে আওয়ামী লীগ সরকার দেশে একটি অলিগার্কির মাধ্যমে তাদের আর্শিবাদপুষ্ট ২২০টি পরিবার তৈরি করে এদেশের সমস্ত সম্পদ কুক্ষিগত করে নিয়েছে এবং সেই লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দিয়েছে।উন্নয়নের নামে, মেগা উন্নয়নের নামে তারা করছে মেগা দুর্ণীতি। ফলে দেশের অর্থনীতি ধবংসের পথে। এদেশে জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বি।
বিশ্ব নারী দিবসে পোশাকখাতের নারী শ্রমিকদের অবস্থা তুলে ধরে মঈন খান বলেন, ‘‘বাংলাদেশের শ্রমিক সমাজ বিশেষ করে আজ নারী দিবসে উল্লেখ করতে হয় বাংলাদেশের নারী শ্রমিকেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তারা পোশাক শিল্পকে বিশ্বের সর্বোচ্চ জায়গায় নিয়ে গিয়েছে। আজকে সারা বিশ্বে বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে।”
‘‘অথচ দূঃখের সঙ্গে বলতে হয়, আজকে সেই লক্ষ লক্ষ নারী শ্রমিকরা যাদের অবদানের কারণে বাংলাদেশের এই সরকার বৈদেশিক মুদ্রা তথা উন্নয়নের বড়াই করে থাকে আজকে সেই নারী সমাজ বঞ্চিত আজকে বিশ্ব নারী দিবসে বিএনপি সেই কথা নতুন করে উচ্চারণ করছে।”
সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসিরের নেতৃত্বে নেতাকর্মীদের নিয়ে মঈন খান শেরে বাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাতও হয়।
এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘‘ একটা মিথ্যা বানোয়াট মামলায় সাজা দিয়ে খালেদা জিয়াকে বছরের পর বছর তারা কারাবন্দি করেছে। এই সরকার গণতন্ত্রকে ভয় পায়। যেহেতু বিএনপি গণতন্ত্রের কথা বলে সেজন্য তারা গণতন্ত্রকে ভয় পায়, বিএনপি চেয়ারপারসনকে ভয় পায়,বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভয় পায় এবং সেজন্য বেগম খালেদা জিয়াকে শুধু কারারুদ্ধ করে রাখে নাই। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দেশে ফেরার পথে তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।”
এই সময়ে ছাত্র দলের সাবেক নেতাদের মধ্যে আসাদুজ্জামান রিপন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নাজিম উদ্দিন আলম, মোনায়েম মুন্না, কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ প্রমূখ নেতারা ছিলেন।

ক্ষমতাসীনরা নিজেদের ২২০টি আর্শিবাদপুষ্ট পরিবার সৃষ্টি করে বিদেশে অর্থ পাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।আজ শুক্রবার (৮ মার্চ) সকালে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিযোগ করেন।
মঈন খান বলেন, এই সরকার উন্নয়নের নামে পাকিস্তানে যেমন ২২টি পরিবার সৃষ্ট হয়েছিলো আজকে আওয়ামী লীগ সরকার দেশে একটি অলিগার্কির মাধ্যমে তাদের আর্শিবাদপুষ্ট ২২০টি পরিবার তৈরি করে এদেশের সমস্ত সম্পদ কুক্ষিগত করে নিয়েছে এবং সেই লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দিয়েছে।উন্নয়নের নামে, মেগা উন্নয়নের নামে তারা করছে মেগা দুর্ণীতি। ফলে দেশের অর্থনীতি ধবংসের পথে। এদেশে জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বি।
বিশ্ব নারী দিবসে পোশাকখাতের নারী শ্রমিকদের অবস্থা তুলে ধরে মঈন খান বলেন, ‘‘বাংলাদেশের শ্রমিক সমাজ বিশেষ করে আজ নারী দিবসে উল্লেখ করতে হয় বাংলাদেশের নারী শ্রমিকেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তারা পোশাক শিল্পকে বিশ্বের সর্বোচ্চ জায়গায় নিয়ে গিয়েছে। আজকে সারা বিশ্বে বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে।”
‘‘অথচ দূঃখের সঙ্গে বলতে হয়, আজকে সেই লক্ষ লক্ষ নারী শ্রমিকরা যাদের অবদানের কারণে বাংলাদেশের এই সরকার বৈদেশিক মুদ্রা তথা উন্নয়নের বড়াই করে থাকে আজকে সেই নারী সমাজ বঞ্চিত আজকে বিশ্ব নারী দিবসে বিএনপি সেই কথা নতুন করে উচ্চারণ করছে।”
সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসিরের নেতৃত্বে নেতাকর্মীদের নিয়ে মঈন খান শেরে বাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন। পরে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাতও হয়।
এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘‘ একটা মিথ্যা বানোয়াট মামলায় সাজা দিয়ে খালেদা জিয়াকে বছরের পর বছর তারা কারাবন্দি করেছে। এই সরকার গণতন্ত্রকে ভয় পায়। যেহেতু বিএনপি গণতন্ত্রের কথা বলে সেজন্য তারা গণতন্ত্রকে ভয় পায়, বিএনপি চেয়ারপারসনকে ভয় পায়,বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভয় পায় এবং সেজন্য বেগম খালেদা জিয়াকে শুধু কারারুদ্ধ করে রাখে নাই। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দেশে ফেরার পথে তারা মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।”
এই সময়ে ছাত্র দলের সাবেক নেতাদের মধ্যে আসাদুজ্জামান রিপন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নাজিম উদ্দিন আলম, মোনায়েম মুন্না, কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ প্রমূখ নেতারা ছিলেন।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে