
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে বিএনপি আবার মাঠে নামবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। স্বাধীনতা অধিকার আন্দোলন এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
আওয়ামী লীগ সরকারকে বিশ্বাস করা যায় না মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই সরকার মানুষের সেবা করতে জানে না। এই সরকার জানে শুধু লুণ্ঠন করতে, টাকা চুরি করতে, ব্যাংক লুট করতে, শেয়ারবাজার লুট করতে।
জয়নুল বলেন, এই সরকার যদি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতো, সুষ্ঠু নির্বাচনে বিশ্বাস করতো, তাহলে ২০১৪ সালে ১৫৪ জন এমপিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করতো না। ২০১১ সালে দিনের ভোট রাতে করতেন না, আর ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির ভোটের কথা না-ই বা বললাম। নির্বাচন কমিশন আমার গরিবের দুই হাজার কোটি টাকা খরচ করে যে নির্বাচন উপহার দিয়েছে বাংলাদেশকে—ভাইয়ে ভাইয়ের নির্বাচন, ডামি নির্বাচন, একদলের নির্বাচন; সেই নির্বাচনে (নির্বাচন কমিশনার) উনি ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুম থেকে উঠে উনি বলেন, ভোট তো ২৮ শতাংশ হয়েছে। ৫টার সময় কী করে সেই ভোট ৪২ শতাংশ হয়ে যায়? ৩০০ এমপির ভোট হয়, দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘুমিয়ে থাকে। হায়রে কপাল! হায়রে দেশে!
আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তিনি বলেন, দাপটে কথা বলেন, লজ্জা হয় না? দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করব। আর ভেতরে সিন্ডিকেট তৈরি করেন। যে সিন্ডিকেটের টাকায় আপনাদেরও শেয়ার আছে।
বিএনপিকে আওয়ামী লীগ অবহেলা করে কথা বলে উল্লেখ করে জয়নুল বলেন, নিজেরা যে অবহেলিত হচ্ছেন দিন দিন, পায়ের নিচের মাটি সরে যাচ্ছে; আমাদের দুর্বল বলবেন না। আমরা সবল আছি, আমরা সৎ আছি, আমরা সততার সঙ্গে অতীতে সরকার পরিচালনা করেছি।
বিএনপি নেতাকর্মীদের কষ্ট হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মির্জা আব্বাস, মির্জা আলমগীর, আমীর খসরু আমরা ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আপনাদের কাছে। আমরা পারছি না। আমরা পারি, জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে কিন্তু পারি না রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের কারণে।
অচিরেই আপনারা আসবেন, বাংলাদেশে আবার কর্মসূচি আসবে, একদলীয় সরকার পতনের আন্দোলনে বিএনপি আবার মাঠে নামবে। অক্ষরে অক্ষরে সব কিছু হিসাব নেওয়া হবে। বাংলাদেশ কারও একার নয়, যোগ করেন তিনি।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শনিবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তির দাবিতে স্বাধীনতা অধিকার আন্দোলন আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে বিএনপি আবার মাঠে নামবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। স্বাধীনতা অধিকার আন্দোলন এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
আওয়ামী লীগ সরকারকে বিশ্বাস করা যায় না মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই সরকার মানুষের সেবা করতে জানে না। এই সরকার জানে শুধু লুণ্ঠন করতে, টাকা চুরি করতে, ব্যাংক লুট করতে, শেয়ারবাজার লুট করতে।
জয়নুল বলেন, এই সরকার যদি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতো, সুষ্ঠু নির্বাচনে বিশ্বাস করতো, তাহলে ২০১৪ সালে ১৫৪ জন এমপিকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করতো না। ২০১১ সালে দিনের ভোট রাতে করতেন না, আর ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির ভোটের কথা না-ই বা বললাম। নির্বাচন কমিশন আমার গরিবের দুই হাজার কোটি টাকা খরচ করে যে নির্বাচন উপহার দিয়েছে বাংলাদেশকে—ভাইয়ে ভাইয়ের নির্বাচন, ডামি নির্বাচন, একদলের নির্বাচন; সেই নির্বাচনে (নির্বাচন কমিশনার) উনি ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুম থেকে উঠে উনি বলেন, ভোট তো ২৮ শতাংশ হয়েছে। ৫টার সময় কী করে সেই ভোট ৪২ শতাংশ হয়ে যায়? ৩০০ এমপির ভোট হয়, দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘুমিয়ে থাকে। হায়রে কপাল! হায়রে দেশে!
আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তিনি বলেন, দাপটে কথা বলেন, লজ্জা হয় না? দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করব। আর ভেতরে সিন্ডিকেট তৈরি করেন। যে সিন্ডিকেটের টাকায় আপনাদেরও শেয়ার আছে।
বিএনপিকে আওয়ামী লীগ অবহেলা করে কথা বলে উল্লেখ করে জয়নুল বলেন, নিজেরা যে অবহেলিত হচ্ছেন দিন দিন, পায়ের নিচের মাটি সরে যাচ্ছে; আমাদের দুর্বল বলবেন না। আমরা সবল আছি, আমরা সৎ আছি, আমরা সততার সঙ্গে অতীতে সরকার পরিচালনা করেছি।
বিএনপি নেতাকর্মীদের কষ্ট হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মির্জা আব্বাস, মির্জা আলমগীর, আমীর খসরু আমরা ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আপনাদের কাছে। আমরা পারছি না। আমরা পারি, জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে কিন্তু পারি না রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের কারণে।
অচিরেই আপনারা আসবেন, বাংলাদেশে আবার কর্মসূচি আসবে, একদলীয় সরকার পতনের আন্দোলনে বিএনপি আবার মাঠে নামবে। অক্ষরে অক্ষরে সব কিছু হিসাব নেওয়া হবে। বাংলাদেশ কারও একার নয়, যোগ করেন তিনি।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শনিবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তির দাবিতে স্বাধীনতা অধিকার আন্দোলন আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক। ছবি: সংগৃহীত

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
২ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে