
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজবাড়ী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী বাবু বলেছেন, আজকের এই বুদ্ধিজীবী দিবসে আমরা একটি জিনিস লক্ষ্য করেছি, ভারতে বসে আরেকটি নীলনকশা হতে পারে। সেখানে বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা হতে পারে। ভারতে বসে হত্যাকারী শেখ হাসিনা বিভিন্ন পরিকল্পনা করছে।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় লোকশেড বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভে বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী বাবু বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হতে যাচ্ছিল তার ঠিক কিছুদিন আগে পাকিস্তানি স্বৈরাচার বাহিনী বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার জন্য বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। এটা ছিল ইতিহাসের জঘন্যতম একটি দিন। এই বুদ্ধিজীবী হত্যার নীল নকশা যারা করেছিল তাদেরকে আমরা স্বৈরাচার বলি। ১৪ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে বুদ্ধিজীবীদের তুলে নিয়ে বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। সেই হত্যার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যারা হত্যা করেছিল তাদের বিচার করা দরকার।
তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ী জেলা বিএনপি আজকের এই দিনে বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচারের দাবি করছে। ৫আগস্ট স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। আমরা আর কোনো স্বৈরাচার দেখতে চাই না এই বাংলাদেশে। কারণ এই দেশের জন্য ৩০ লাখ শহীদ জীবন দিয়েছে, ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতহানি হয়েছে এবং পাশাপাশি বুদ্ধিজীবী হত্যা করেছে। যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বড় বড় কথা বলেছিল তারা বিচার করেনি এই বুদ্ধিজীবী হত্যার। তারা নিজেদের বিচার নিয়ে ব্যস্ত ছিল। আমরা বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার চাই।
এ সময়ে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারন-অর-রশীদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. রেজাউল করিম পিন্টু, জেলা বিএনপির নেতা আব্দুস সালাম মিয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান লিখন, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব এ কে এম সিরাজুল আলম চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম রোমান সহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বধ্যভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

রাজবাড়ী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী বাবু বলেছেন, আজকের এই বুদ্ধিজীবী দিবসে আমরা একটি জিনিস লক্ষ্য করেছি, ভারতে বসে আরেকটি নীলনকশা হতে পারে। সেখানে বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা হতে পারে। ভারতে বসে হত্যাকারী শেখ হাসিনা বিভিন্ন পরিকল্পনা করছে।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় লোকশেড বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভে বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী বাবু বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হতে যাচ্ছিল তার ঠিক কিছুদিন আগে পাকিস্তানি স্বৈরাচার বাহিনী বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার জন্য বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। এটা ছিল ইতিহাসের জঘন্যতম একটি দিন। এই বুদ্ধিজীবী হত্যার নীল নকশা যারা করেছিল তাদেরকে আমরা স্বৈরাচার বলি। ১৪ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে বুদ্ধিজীবীদের তুলে নিয়ে বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। সেই হত্যার আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যারা হত্যা করেছিল তাদের বিচার করা দরকার।
তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ী জেলা বিএনপি আজকের এই দিনে বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচারের দাবি করছে। ৫আগস্ট স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। আমরা আর কোনো স্বৈরাচার দেখতে চাই না এই বাংলাদেশে। কারণ এই দেশের জন্য ৩০ লাখ শহীদ জীবন দিয়েছে, ২ লাখ মা-বোনের ইজ্জতহানি হয়েছে এবং পাশাপাশি বুদ্ধিজীবী হত্যা করেছে। যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বড় বড় কথা বলেছিল তারা বিচার করেনি এই বুদ্ধিজীবী হত্যার। তারা নিজেদের বিচার নিয়ে ব্যস্ত ছিল। আমরা বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার চাই।
এ সময়ে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারন-অর-রশীদ, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. রেজাউল করিম পিন্টু, জেলা বিএনপির নেতা আব্দুস সালাম মিয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান লিখন, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব এ কে এম সিরাজুল আলম চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আরিফুল ইসলাম রোমান সহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বধ্যভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৬ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৬ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৬ দিন আগে