
কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চায় বর্তমান সরকার, কিন্তু বিরোধীদল জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। শনিবার (১৩ জুন) সকালে কক্সবাজার সদরে পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চায় বর্তমান সরকার, কিন্তু বিরোধীদল জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। আজ সময় এসেছে কারা জনগণের বন্ধু কারা নয়— সেটি সঠিকভাবে নির্নয় করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘বিরোধীদল বলছে, গণবিরোধী এই বাজেট তারা মানে না। যেই বাজেটে ট্যাক্স কমানো হয় সেই বাজেটও বিরোধীদল মানে না, যেই বাজেটে মদ ও সিগারেটের দাম বাড়নো হয়, তাও তারা মানে না। তাদের উদ্দেশ্য দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা, মানুষকে বিভ্রান্ত করা।’
নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘নারীরা শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী না হলে দেশ এগোবে না, এ লক্ষ্যেই ডিগ্রী পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা অবৈতনিক করা হবে, পাশাপাশি রেজাল্ট অনুযায়ী বৃত্তি প্রদান করা হবে।’ এছাড়া গ্রামীণ মায়েদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা ব্যবস্থার অনেক বিষয়ের ওপর আগের সরকার ট্যাক্স বসিয়েছিলো, বর্তমান সরকার বাজেটে ট্যাক্স তুলে নিয়েছে।’
তিনি জানান, চিকিৎসা ব্যয় কমানোর জন্য অনেকে ক্ষেত্রে ট্যাক্স তুলে নেয়া হয়েছে। জুলাই মাস থেকে হৃদরোগ, কিডনি রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় অর্ধেকে নামবে।
বাজেট ঘোষণার পরে কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এবার বাড়েনি বলেও তার বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চায় বর্তমান সরকার, কিন্তু বিরোধীদল জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। শনিবার (১৩ জুন) সকালে কক্সবাজার সদরে পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চায় বর্তমান সরকার, কিন্তু বিরোধীদল জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। আজ সময় এসেছে কারা জনগণের বন্ধু কারা নয়— সেটি সঠিকভাবে নির্নয় করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘বিরোধীদল বলছে, গণবিরোধী এই বাজেট তারা মানে না। যেই বাজেটে ট্যাক্স কমানো হয় সেই বাজেটও বিরোধীদল মানে না, যেই বাজেটে মদ ও সিগারেটের দাম বাড়নো হয়, তাও তারা মানে না। তাদের উদ্দেশ্য দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা, মানুষকে বিভ্রান্ত করা।’
নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘নারীরা শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী না হলে দেশ এগোবে না, এ লক্ষ্যেই ডিগ্রী পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা অবৈতনিক করা হবে, পাশাপাশি রেজাল্ট অনুযায়ী বৃত্তি প্রদান করা হবে।’ এছাড়া গ্রামীণ মায়েদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা ব্যবস্থার অনেক বিষয়ের ওপর আগের সরকার ট্যাক্স বসিয়েছিলো, বর্তমান সরকার বাজেটে ট্যাক্স তুলে নিয়েছে।’
তিনি জানান, চিকিৎসা ব্যয় কমানোর জন্য অনেকে ক্ষেত্রে ট্যাক্স তুলে নেয়া হয়েছে। জুলাই মাস থেকে হৃদরোগ, কিডনি রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় অর্ধেকে নামবে।
বাজেট ঘোষণার পরে কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এবার বাড়েনি বলেও তার বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
১ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
১ দিন আগে
নতুন করে আলোচনা শুরুর ফলে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক বোঝা হিসেবে না দেখে আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সংকটে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থও ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে। আরও স্থিতিশীল রাখাইন রাজ্য চীনের জন্য বিভিন্ন দিক থেকে লাভজনক হতে পারে।
২ দিন আগে
বর্তমান জাতীয় সংসদে সংশোধিত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন পাসের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আইনে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যারা ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তৎকালীন আল বদর, তৎকালীন রাজাকার, তৎকালীন মুসলিম লীগ, তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী— এই তৎকালীন শব্দটা আগে
২ দিন আগে