
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক এক প্রতিবাদ সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের সহায়তায় সেখানে বোমা হামলা চালানো হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে এনসিপির নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে তারা সাভার মডেল থানার সামনে অবস্থান নেন।
তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রশাসনের সহায়তায় বোমা হামলা করা হয়েছে। একটি রাজনৈতিক দলের অধিকার রয়েছে গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালন করার। এবং এখানকার প্রশাসন ও পুলিশের দায়িত্ব, তাদের সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার। কিন্তু এই এলাকার পুলিশ, প্রশাসন ও এমপি (সংসদ সদস্য) জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
যাই ঘটুক না কেন, রাজপথ ছাড়বেন না জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, তারা ভেবেছিল— বোমা হামলা করে, আহত করে ভয় দেখিয়ে আমাদের পদযাত্রাকে থামিয়ে দেবে। এটা সম্ভব না। আমাদের জীবন গেলে রাজপথেই যাবে। রাজপথে জীবন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম সেই চব্বিশের জুলাই-আগস্টে, এখন ছাব্বিশের জুলাই-আগস্টেও আমরা প্রস্তুত আছি।
এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল এই হামলা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলবে বলেও জানান নাহিদ। ওই দলটি কথা বলে বেরিয়ে আসার আগ পর্যন্ত সবাইকে সাভার মডেল থানার সামনে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নিয়ে থাকতে আহ্বান জানান তিনি।
সাভারে কর্মসূচিতে উপস্থিত এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ইয়াসির আরাফাত জানান, ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদের বক্তব্য চলাকালে সমাবেশস্থলে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় সমাবেশ মঞ্চে নাহিদ ইসলাম ছাড়াও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা-পরবর্তী সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক এক প্রতিবাদ সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের সহায়তায় সেখানে বোমা হামলা চালানো হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ড ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে এনসিপির নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে তারা সাভার মডেল থানার সামনে অবস্থান নেন।
তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রশাসনের সহায়তায় বোমা হামলা করা হয়েছে। একটি রাজনৈতিক দলের অধিকার রয়েছে গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালন করার। এবং এখানকার প্রশাসন ও পুলিশের দায়িত্ব, তাদের সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার। কিন্তু এই এলাকার পুলিশ, প্রশাসন ও এমপি (সংসদ সদস্য) জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
যাই ঘটুক না কেন, রাজপথ ছাড়বেন না জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, তারা ভেবেছিল— বোমা হামলা করে, আহত করে ভয় দেখিয়ে আমাদের পদযাত্রাকে থামিয়ে দেবে। এটা সম্ভব না। আমাদের জীবন গেলে রাজপথেই যাবে। রাজপথে জীবন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম সেই চব্বিশের জুলাই-আগস্টে, এখন ছাব্বিশের জুলাই-আগস্টেও আমরা প্রস্তুত আছি।
এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল এই হামলা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলবে বলেও জানান নাহিদ। ওই দলটি কথা বলে বেরিয়ে আসার আগ পর্যন্ত সবাইকে সাভার মডেল থানার সামনে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নিয়ে থাকতে আহ্বান জানান তিনি।
সাভারে কর্মসূচিতে উপস্থিত এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ইয়াসির আরাফাত জানান, ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদের বক্তব্য চলাকালে সমাবেশস্থলে বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় সমাবেশ মঞ্চে নাহিদ ইসলাম ছাড়াও এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আপাতত তার সঙ্গে সাক্ষাৎ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
৫ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচার ধীরগতিতে হচ্ছে। এটা আরও দ্রুত করতে হবে। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দেশে ফেরাতে হবে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে।
৫ দিন আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে দেওয়া রায় প্রত্যাখ্যান করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। একই সঙ্গে রায়কে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক’ আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
৬ দিন আগে
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন ‘আওয়ামী লীগের কর্মসূচি যতদিন নিষিদ্ধ আছে ততদিন তারা কোনো নামেই রাজনীতি করতে পারবে না।’ আদালতে সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে তারা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
৬ দিন আগে