
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ব্যক্তিগত লাভের জন্য আওয়ামী দেশের সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আমরা একটা পরাধীন জাতিতে পরিণত হয়েছি, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
আজ শুক্রবার ( ২৯ মার্চ) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে
এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনায় এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে মেজর হাফিজ উদ্দিন বলেন, আমি জিয়াউর রহমানকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। তার মতো নেতা দেখিনি। তার ঘোষণায় অনেকেই উজ্জীবিত হয়েছেন। তার নেতৃত্বে আমরা ৫টি ক্যান্টনমেন্টে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলাম। আজকে তাকে বলা হয়-বেতনভুক্ত কর্মচারী। যারা বলেন- এ কথা বলার আগে তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। আমার তো শেখ মুজিবুর রহমানকে ছোট করি না। যার যা অবদান তাকে তার সম্মান দিতে হবে। ইতিহাস তার সঠিক পরিমাপ নিরুপণ করবে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার চিন্তা আওয়ামী লীগের কখনোই ছিলো না। তারা তো পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসনে বিভোর ছিল। তাদের নেতা তো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তো ধানাই পানাই করার সুযোগ নেই। এদেশের ছাত্রসমাজের বিশাল অবদান স্বাধীনতা যুদ্ধে রয়েছে। অনেকেই জীবন উৎসর্গ করেছেন।
মেজর হাফিজ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে তিনজনকে আমি রোল মডেল মানি। এরা হলেন- তাজউদ্দীন আহমদ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এরা ছিলেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। জিয়াউর রহমান শহীদ হওয়ার পর দেখা গেলো তার ব্যাংক একাউন্টে একটি টাকা নেই। আজকে মুক্তিযুদ্ধের নানান রকম গল্প-কাহিনী শোনান অনেকে। আমরা জীবন হাতে নিয়ে যুদ্ধ করেছি। আর আমাদেরকেই বলা হয় বেতনভুক্ত কর্মচারী! জিয়াউর রহমান ছিলেন অনুপ্রেরণা।
সাবেক এই মন্ত্রী আরও বলেন, আজকে দেশে কথা বলা ও লেখার স্বাধীনতা নেই। ব্যাংকগুলো লুট হয়ে গেছে। এভাবে কি দেশ চলবে? বিএনপি অনেক করছে। জনগণকে বলবো আপনারা সবাই আমাদের সঙ্গে শামিল হন।
তিনি বলেন, আমি ১৯৭১ সালে দেখেছি দেশের সব শ্রেণীপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। আজকে ব্যক্তিগত লাভের জন্য দেশের সবকিছু ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। ইনশাআল্লাহ জনগণ সবাই মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। এই সরকারের পতন ঘটবে। আপনারা সকলে প্রস্তুত থাকুন আবারও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ডাক আসবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও আইইবি‘র প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী আ ন হ আক্তার হোসেন। বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসিফ হোসেন রচির সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (এ্যাব) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল, মহাসচিব প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ, প্রকৌশলী শহীদুজ্জামান, প্রকৌশলী আব্দুল মতিন, প্রকৌশলী মাহবুব আলম, প্রকৌশলী একেএম আসাদুজ্জামান চুন্নু, প্রকৌশলী মামুন গাজী, প্রকৌশলী নেছার উদ্দিন প্রমুখ।
এসময় এ্যাবের সহসভাপতি প্রকৌশলী মো. মোস্তাফা-ই জামান সেলিম, মহিউদ্দিন সেলিম, আব্দুল হালিম মিয়া, প্রকৌশলী হানিফ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ব্যক্তিগত লাভের জন্য আওয়ামী দেশের সবকিছু ধ্বংস করে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আমরা একটা পরাধীন জাতিতে পরিণত হয়েছি, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
আজ শুক্রবার ( ২৯ মার্চ) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে
এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনায় এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে মেজর হাফিজ উদ্দিন বলেন, আমি জিয়াউর রহমানকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। তার মতো নেতা দেখিনি। তার ঘোষণায় অনেকেই উজ্জীবিত হয়েছেন। তার নেতৃত্বে আমরা ৫টি ক্যান্টনমেন্টে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলাম। আজকে তাকে বলা হয়-বেতনভুক্ত কর্মচারী। যারা বলেন- এ কথা বলার আগে তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। আমার তো শেখ মুজিবুর রহমানকে ছোট করি না। যার যা অবদান তাকে তার সম্মান দিতে হবে। ইতিহাস তার সঠিক পরিমাপ নিরুপণ করবে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার চিন্তা আওয়ামী লীগের কখনোই ছিলো না। তারা তো পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসনে বিভোর ছিল। তাদের নেতা তো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তো ধানাই পানাই করার সুযোগ নেই। এদেশের ছাত্রসমাজের বিশাল অবদান স্বাধীনতা যুদ্ধে রয়েছে। অনেকেই জীবন উৎসর্গ করেছেন।
মেজর হাফিজ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে তিনজনকে আমি রোল মডেল মানি। এরা হলেন- তাজউদ্দীন আহমদ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এরা ছিলেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। জিয়াউর রহমান শহীদ হওয়ার পর দেখা গেলো তার ব্যাংক একাউন্টে একটি টাকা নেই। আজকে মুক্তিযুদ্ধের নানান রকম গল্প-কাহিনী শোনান অনেকে। আমরা জীবন হাতে নিয়ে যুদ্ধ করেছি। আর আমাদেরকেই বলা হয় বেতনভুক্ত কর্মচারী! জিয়াউর রহমান ছিলেন অনুপ্রেরণা।
সাবেক এই মন্ত্রী আরও বলেন, আজকে দেশে কথা বলা ও লেখার স্বাধীনতা নেই। ব্যাংকগুলো লুট হয়ে গেছে। এভাবে কি দেশ চলবে? বিএনপি অনেক করছে। জনগণকে বলবো আপনারা সবাই আমাদের সঙ্গে শামিল হন।
তিনি বলেন, আমি ১৯৭১ সালে দেখেছি দেশের সব শ্রেণীপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। আজকে ব্যক্তিগত লাভের জন্য দেশের সবকিছু ধ্বংস করেছে আওয়ামী লীগ। ইনশাআল্লাহ জনগণ সবাই মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। এই সরকারের পতন ঘটবে। আপনারা সকলে প্রস্তুত থাকুন আবারও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ডাক আসবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও আইইবি‘র প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী আ ন হ আক্তার হোসেন। বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসিফ হোসেন রচির সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (এ্যাব) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল, মহাসচিব প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ, প্রকৌশলী শহীদুজ্জামান, প্রকৌশলী আব্দুল মতিন, প্রকৌশলী মাহবুব আলম, প্রকৌশলী একেএম আসাদুজ্জামান চুন্নু, প্রকৌশলী মামুন গাজী, প্রকৌশলী নেছার উদ্দিন প্রমুখ।
এসময় এ্যাবের সহসভাপতি প্রকৌশলী মো. মোস্তাফা-ই জামান সেলিম, মহিউদ্দিন সেলিম, আব্দুল হালিম মিয়া, প্রকৌশলী হানিফ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
১ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
১ দিন আগে