
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, যত তাড়াতাড়ি নির্বাচন দেবেন, তত তাড়াতাড়ি দেশ সংস্কার হবে। ২০২৪ সালের ভোটকেন্দ্রে মানুষ ছিল না, কুত্তা ছিল, কুত্তা মার্কা নির্বাচন দিয়েছিল শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) বিকেলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদি সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। বাংলাদেশে সন্ত্রাস জন্ম দিয়েছে আওয়ামী লীগ, চাঁদাবাজির জন্ম দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবনতি হচ্ছে তাই দ্রুত নির্বাচন দিন। জনগণের ক্ষমতা তাদের হাতে দিয়ে দিন।
গালা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আসগর আলী, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী, শফিকুর রহমান শফিক, জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মনিরুল হক ভিপি মুনীর, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক নির্বাহী সদস্য সৈয়দ শহিদুল ইসলাম টিটু, আবদুল্লাহ কাফী শাহেদ, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র মমিনুল হক নিক্সন, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান টিটন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ সাফী ইথেন, শহর যুবদলের আহ্বায়ক রাশেদ খান সোহাগ, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিমুদ্দিন বিপ্লব, টাঙ্গাইল বারের অতিরিক্ত পিপি লাল মাহমুদ, মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজ করিম, জেলা তাঁতীদলের আহ্বায়ক শাহ আলম, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান উজ্জ্বল, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, যত তাড়াতাড়ি নির্বাচন দেবেন, তত তাড়াতাড়ি দেশ সংস্কার হবে। ২০২৪ সালের ভোটকেন্দ্রে মানুষ ছিল না, কুত্তা ছিল, কুত্তা মার্কা নির্বাচন দিয়েছিল শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) বিকেলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদি সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। বাংলাদেশে সন্ত্রাস জন্ম দিয়েছে আওয়ামী লীগ, চাঁদাবাজির জন্ম দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবনতি হচ্ছে তাই দ্রুত নির্বাচন দিন। জনগণের ক্ষমতা তাদের হাতে দিয়ে দিন।
গালা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ওমর ফারুকের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আসগর আলী, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী, শফিকুর রহমান শফিক, জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মনিরুল হক ভিপি মুনীর, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক নির্বাহী সদস্য সৈয়দ শহিদুল ইসলাম টিটু, আবদুল্লাহ কাফী শাহেদ, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র মমিনুল হক নিক্সন, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান টিটন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ সাফী ইথেন, শহর যুবদলের আহ্বায়ক রাশেদ খান সোহাগ, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিমুদ্দিন বিপ্লব, টাঙ্গাইল বারের অতিরিক্ত পিপি লাল মাহমুদ, মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজ করিম, জেলা তাঁতীদলের আহ্বায়ক শাহ আলম, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান উজ্জ্বল, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভসহ বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৪ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে