
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্রব্যমূল্যের ঊধর্বগতি নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ‘মিথ্যাচার’ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ডামি নির্বাচনের সিন্ডিকেট সরকার উদ্ভট কথা-বার্তা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। সম্পূর্ণভাবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকার এখন দ্রব্যমূল্যের ঊধর্বগতির দায়ও চাপাচ্ছে বিএনপির ওপরে। গতকাল গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বলেছেন- দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সরকার উৎখাতে আন্দোলকারীদের… তাদেরও কিছু কারসাজি আছে।
শনিবার নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিঙে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, নিজেদের ব্যর্থতা-লুটপাট, চুরি-চামারি আর সেই অপকর্মের দায় নির্লজ্জের মতো বিএনপির ঘাড়ে চাঁপিয়ে দেয়ার অভ্যাস তাদের পুরনো… এই বৈশিষ্ট্য পাড়া-মহল্লায় বখাটেদের মতো।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊধর্বগতিতে সাধারণ মানুষের প্রাণ বাঁচানো দায়। ডামি সরকার লোক দেখানো হাঁক-ডাঁক দিলেও বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। বাজারের নিয়ন্ত্রকরাই এখন সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রতিটি পণ্যের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে …এই অবস্থায় নিম্নে আয়ের শুধু নয় মধ্যবিত্তরাও চরমভাবে অসহায় হয়ে পড়েছে। চাল-ডাল-তেল-পেঁয়াজ-মুরগি-রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারছে না মানুষ। আর খাশির মাংস-গরুর মাংস তো এখন একেবারে আকাশের দূরের নক্ষত্রের পরিণত হতে চলছে।
এ সময় কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব গুরুতর অসুস্থ হলেও কারাগারে তার চিকিৎসা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন রিজভী।
তিনি বলেন,তার অবস্থা গুরুতর। কারাগারে তার চিকিৎসা হচ্ছে না, তাকে উপযুক্ত ব্যবস্থাপত্র ও ঔষধ দেয়া হচ্ছে না। তিনি হাটতেও পারছেন না। আমি অবিলম্বে তার সুচিকিসার আহ্বান জানাচ্ছি।
রিজভী বলেন, আপনারা জানেন, হাবিবুর রহমান হাবিবের মতো গুরুতর অসুস্থ ও নির্যাতন ভোগ করে ইতিমধ্যে ১৫জন নেতা-কর্মীকে ধুঁকে ধুঁকে পৃথিবীর অপর প্রান্তে পাঠিয়ে দিয়েছে এই সরকার ও সরকারের কারা কর্তৃপক্ষ।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপিকা সাহিদা রফিক, অধ্যাপক মামুন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা এম এ মালেক, মুনির হোসেন, সাইয়েদুল আলম বাবুল, আমিনুল ইসলাম, তারিকুল আলম তেনজিং প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

দ্রব্যমূল্যের ঊধর্বগতি নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ‘মিথ্যাচার’ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ডামি নির্বাচনের সিন্ডিকেট সরকার উদ্ভট কথা-বার্তা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। সম্পূর্ণভাবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকার এখন দ্রব্যমূল্যের ঊধর্বগতির দায়ও চাপাচ্ছে বিএনপির ওপরে। গতকাল গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বলেছেন- দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সরকার উৎখাতে আন্দোলকারীদের… তাদেরও কিছু কারসাজি আছে।
শনিবার নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিঙে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, নিজেদের ব্যর্থতা-লুটপাট, চুরি-চামারি আর সেই অপকর্মের দায় নির্লজ্জের মতো বিএনপির ঘাড়ে চাঁপিয়ে দেয়ার অভ্যাস তাদের পুরনো… এই বৈশিষ্ট্য পাড়া-মহল্লায় বখাটেদের মতো।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊধর্বগতিতে সাধারণ মানুষের প্রাণ বাঁচানো দায়। ডামি সরকার লোক দেখানো হাঁক-ডাঁক দিলেও বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। বাজারের নিয়ন্ত্রকরাই এখন সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রতিটি পণ্যের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে …এই অবস্থায় নিম্নে আয়ের শুধু নয় মধ্যবিত্তরাও চরমভাবে অসহায় হয়ে পড়েছে। চাল-ডাল-তেল-পেঁয়াজ-মুরগি-রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারছে না মানুষ। আর খাশির মাংস-গরুর মাংস তো এখন একেবারে আকাশের দূরের নক্ষত্রের পরিণত হতে চলছে।
এ সময় কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব গুরুতর অসুস্থ হলেও কারাগারে তার চিকিৎসা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন রিজভী।
তিনি বলেন,তার অবস্থা গুরুতর। কারাগারে তার চিকিৎসা হচ্ছে না, তাকে উপযুক্ত ব্যবস্থাপত্র ও ঔষধ দেয়া হচ্ছে না। তিনি হাটতেও পারছেন না। আমি অবিলম্বে তার সুচিকিসার আহ্বান জানাচ্ছি।
রিজভী বলেন, আপনারা জানেন, হাবিবুর রহমান হাবিবের মতো গুরুতর অসুস্থ ও নির্যাতন ভোগ করে ইতিমধ্যে ১৫জন নেতা-কর্মীকে ধুঁকে ধুঁকে পৃথিবীর অপর প্রান্তে পাঠিয়ে দিয়েছে এই সরকার ও সরকারের কারা কর্তৃপক্ষ।
সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপিকা সাহিদা রফিক, অধ্যাপক মামুন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা এম এ মালেক, মুনির হোসেন, সাইয়েদুল আলম বাবুল, আমিনুল ইসলাম, তারিকুল আলম তেনজিং প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে