
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্য লন্ডন ক্লিনিক হাসপাতালকে ‘ওয়ান স্টপ’ সার্ভিস হিসেবে নিয়েই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলবে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) লন্ডনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাতে গণমাধ্যমে তিনি এ কথা বলেন।
জাহিদ হোসেন বলেন, গত ৮ জানুয়ারি থেকে ম্যাডাম লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি আছেন। তার সর্বশেষ রিপোর্টগুলো পর্যালোচনা করেছে প্রফেসর জন প্যাট্রিক কেনেডির নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ড। পরে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আগামী দুই-একদিনের মধ্যে লন্ডনের আরও দুইজন চিকিৎসক তাকে দেখবেন বলেও জানান ডা. জাহিদ।
তিনি আরও বলেন, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিস, প্রেসার, রিউমোটো আর্থ্রারাইটিজ ও হার্টের জন্য এখন খালেদা জিয়ার ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা চলছে। এর বাইরেও আরও যদি কোনো চিকিৎসা করা যায় সেজন্য যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স হসপিটালের মেডিকেল টিমের সদস্যরা এখানে মেডিকেল বোর্ডের সভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার চিকিৎসা ‘এক ছাঁদের নিচে’ অর্থাৎ ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মতো করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
খালেদা জিয়া গত সাড়ে ৫ বছর বন্দী থাকা অবস্থায় সুচিকিৎসা না পাওয়ায় বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, বয়সের কথা বিবেচনায় রেখে তার জন্য যেটা সবচেয়ে মঙ্গলজনক হবে সেই ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী দুই-তিনদিন পরে মেডিকেল বোর্ডের এক্সটেন্ডেড মেম্বাররাও চিকিৎসার বিষয়ে মতামত দেবেন। সেই অনুযায়ী তার চিকিৎসা চলবে।
খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন অধ্যাপক জাহিদ।
জাহিদ হোসেন বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা সার্বক্ষণিকভাবে নিকট আত্মীয়রা, বিশেষ করে তার দুই পুত্রবধূ জোবাইদা রহমান, সৈয়দা শামিলা রহমান, তিন নাতনী জাইমা রহমান (তারেক রহমানের মেয়ে), জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান (আরাফাত রহমান কোকোর মেয়ে) সব সময়ই এবং দেশের (লন্ডন) বাইরে যারা আছেন তারা ওভার টেলিফোন সার্বক্ষণিকভাবে ম্যাডামের খোঁজ-খবর নিতে যোগাযোগ রাখছেন।

দ্য লন্ডন ক্লিনিক হাসপাতালকে ‘ওয়ান স্টপ’ সার্ভিস হিসেবে নিয়েই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলবে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) লন্ডনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাতে গণমাধ্যমে তিনি এ কথা বলেন।
জাহিদ হোসেন বলেন, গত ৮ জানুয়ারি থেকে ম্যাডাম লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি আছেন। তার সর্বশেষ রিপোর্টগুলো পর্যালোচনা করেছে প্রফেসর জন প্যাট্রিক কেনেডির নেতৃত্বাধীন মেডিকেল বোর্ড। পরে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আগামী দুই-একদিনের মধ্যে লন্ডনের আরও দুইজন চিকিৎসক তাকে দেখবেন বলেও জানান ডা. জাহিদ।
তিনি আরও বলেন, লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিস, প্রেসার, রিউমোটো আর্থ্রারাইটিজ ও হার্টের জন্য এখন খালেদা জিয়ার ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা চলছে। এর বাইরেও আরও যদি কোনো চিকিৎসা করা যায় সেজন্য যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স হসপিটালের মেডিকেল টিমের সদস্যরা এখানে মেডিকেল বোর্ডের সভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার চিকিৎসা ‘এক ছাঁদের নিচে’ অর্থাৎ ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মতো করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
খালেদা জিয়া গত সাড়ে ৫ বছর বন্দী থাকা অবস্থায় সুচিকিৎসা না পাওয়ায় বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, বয়সের কথা বিবেচনায় রেখে তার জন্য যেটা সবচেয়ে মঙ্গলজনক হবে সেই ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী দুই-তিনদিন পরে মেডিকেল বোর্ডের এক্সটেন্ডেড মেম্বাররাও চিকিৎসার বিষয়ে মতামত দেবেন। সেই অনুযায়ী তার চিকিৎসা চলবে।
খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন অধ্যাপক জাহিদ।
জাহিদ হোসেন বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা সার্বক্ষণিকভাবে নিকট আত্মীয়রা, বিশেষ করে তার দুই পুত্রবধূ জোবাইদা রহমান, সৈয়দা শামিলা রহমান, তিন নাতনী জাইমা রহমান (তারেক রহমানের মেয়ে), জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান (আরাফাত রহমান কোকোর মেয়ে) সব সময়ই এবং দেশের (লন্ডন) বাইরে যারা আছেন তারা ওভার টেলিফোন সার্বক্ষণিকভাবে ম্যাডামের খোঁজ-খবর নিতে যোগাযোগ রাখছেন।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে